http://protoster.blogspot.com/

Technology লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Technology লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭

ইন্টারনেটে এখন প্রায় ৩৩ কোটি ডোমেইন নাম



২০১৬ সালের শেষ তিন মাসে ইন্টারনেটে ২৩ লাখ ডোমেইন নাম যুক্ত হয়েছে। এতে ২০১৬ সালের শেষ পর্যন্ত ইন্টারনেটের দুনিয়ায় মোট নিবন্ধিত ডোমেইন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ৯৩ লাখ। গত বুধবার ডোমেইন নাম ও ইন্টারনেট নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভেরিসাইন এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
‘ডোমেইন নেম ইন্ডাস্ট্রি ব্রিফ’ নামের প্রতিবেদনে ভেরিসাইন বলেছে, ২০১৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের চেয়ে পরের প্রান্তিকে ডোমেইন নাম নিবন্ধনের হার ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। অবশ্য বা​র্ষিক তুলনা করলে ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে।
২০১৬ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে ডটকম ও ডটনেট মিলে টপ লেভেল ডোমেইনস (টিএলডিএস) নিবন্ধন দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ২২ লাখ। বার্ষিক ডোমেইন নিবন্ধন বৃদ্ধির হার বেড়েছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ।
২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসেবে ডটকম ডোমেইন নিবন্ধন হয়েছে ১২ কোটি ৬৯ লাখ আর ডটনেট নিবন্ধন হয়েছে ১ কোটি ৫৩ লাখ।



তথ্যসূত্র: আইএএনএস।

আসছে গ্যালাক্সি এস ৮



গ্যালাক্সি এস ৮ স্মার্টফোন নিয়ে বড় ধরনের বাজি ধরতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। প্রযুক্তিবিষয়ক কয়েকটি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর নতুন স্মার্টফোন হিসেবে গ্যালাক্সি এস ৮ বাজারে ছাড়বে প্রতিষ্ঠানটি। শুরুতেই স্মার্টফোনটির এক কোটি ইউনিট বাজারে ছাড়া হতে পারে।
এর মধ্যে ৪৭ লাখ ইউনিট মার্চ মাসে ও ৭৮ লাখ ইউনিট আগামী এপ্রিল মাসে উৎপাদন শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে এস ৮ প্লাস থাকবে কি না, তা উল্লেখ করা হয়নি।
স্যামসাং ফোনের ক্যামেরা যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী একটি সূত্রের বরাতে দাবি করা হয়েছে, স্যামসাং স্মার্টফোনের উৎপাদন বাড়ানোয় তাদের ক্যামেরা যন্ত্রাংশ উৎপাদন বাড়াতে হয়েছে।
ভারতের ইকোনমিক টাইমস নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একসঙ্গে কয়েকটি দেশের বাজারে গ্যালাক্সি এস ৮ স্মার্টফোন ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে স্যামসাংয়ের। অর্থাৎ, এবারে প্রাথমিকভাবে শুধু দক্ষিণ কোরিয়ায় স্মার্টফোন ছাড়া হচ্ছে না।
২৯ মার্চ নিউইয়র্কে গ্যালাক্সি আনপ্যাকড নামের এক অনুষ্ঠানে নতুন স্মার্টফোনের ঘোষণা দিতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। স্যামসাংয়ের অনুষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
ইতিমধ্যে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস ৮ নিয়ে নানা তথ্য ফাঁস করেছে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটগুলো।
ধারণা করা হচ্ছে, এস ৮ স্মার্টফোনটি হবে ৫ দশমিক ৮ ইঞ্চি মাপের ও এস ৮ প্লাস ফোনটি হবে ৬ দশমিক ২ ইঞ্চি মাপের। এতে সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে থাকবে। এতে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ চিপসেট ও স্যামসাং এক্সিনোস চিপসেট থাকবে। প্রতিটি মডেলের ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ থাকবে। এস ৮ স্মার্টফোনের পেছনে ১২ মেগাপিক্সেল ডুয়াল পিক্সেল ক্যামেরা থাকবে।
নতুন স্মার্টফোনের দাম নিয়ে অবশ্য এখনো কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ইন্টারনেটে সব অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার উপায়



যদি আপনার মনে হয় যে, অনলাইন জীবন যথেষ্ট হয়েছে, আর নয়, তাহলে আপনার এ সিদ্ধান্তের পক্ষে দারুন সমাধান রয়েছে।
সুইডেনের একটি ওয়েবসাইট বিশ্বের যে কাউকে সুযোগ দিচ্ছে, একটি বাটনে ক্লিক করেই ইন্টারনেটের সব কর্মকাণ্ড মুছে ফেলার। আপনি কেবল আপনার ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিলেই, আপনার ওই মেইল সংশ্লিষ্ট সকল অ্যকাউন্ট মুছে যাবে।
সুইডিশ প্রোগ্রামার উইল ডালবো এবং লিনাস আনব্যাক তৈরি করেছেন অভিনব সেবার Deseat.me নামক এই ওয়েবসাইট। গুগলে আপনার যত অ্যাকাউন্ট রয়েছে সব ইন্টারনেট থেকে মুছে যাবে সাইটটির মাধ্যমে। ব্যবহারকারীর তথ্য অ্যাকসেস করতে গুগল অ্যালফ প্রটোকল ব্যবহার করে এ সেবা দেয়া সাইটটি।
জিমেইল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত ফেসবুক, এভারনোট এবং ড্রিবল থেকে শুরু করে ইউটিউব, লিংকডইন সব ধরনের অ্যাকাউন্ট ইন্টারনেট থেকে মুছে ফেলতে পারবেন।
সাইটটি দাবী করেছে, ‘আপনি একটি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ইন্টারনেটে যতগুলো সাইট ও সেবায় অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন তার পুরো লিস্ট হাজির করা হবে। সবগুলো অ্যাকাউন্ট একসঙ্গে মুছে ফেলার সুবিধা ছাড়াও চাইলে কোন অ্যাকাউন্ট রাখবেন আর কোনটা রাখবেন না, সেটাও নির্ধারণ করে দেওয়ার সুবিধা রয়েছে।’
‘আর যেহেতু গুগলের অ্যালফ প্রটোকল ব্যবহার করে এ সেবা দেওয়া হচ্ছে, তাই ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রবেশের কোনো সুযোগ আমাদের নেই।’
যা হোক, আপনার যদি ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইটে অনেক বেশি অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে, তাহলে এ সাইটের মাধ্যমে লিস্ট দেখে অপ্রয়োজনীয় অ্যাকাউন্ট চাইলে মুছে দিতে পারেন।
ইন্টারনেট থেকে কি আসলেই উপস্থিতি মুছে ফেলা সম্ভব?
ইন্টারনেট থেকে অ্যাকাউন্ট বাদ দেওয়ার মানে এই নয় যে, আপনি সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে গেছেন।
উদাহরণস্বরুপ, সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রোফাইল ডিলিট করে ফেলার পরও, অন্য প্রোফাইলে আপনার রেকর্ড থেকে যায়, যেমন অন্যের কোনো পোস্টে লাইক, শেয়ার প্রভৃতি।
এছাড়া অ্যাকাউন্ট মুছে ফেললেও গুগল সহ অন্যান্য অনেক সেবাদাতা একটি অন্তবর্তী সময়কাল প্রদান করে থাকে, যাতে ব্যবহারকারী তার মত পরিবর্তন করলে যেন পুণরায় অ্যাকাউন্ট অ্যাকটিভেট করতে পারে।
তথ্যসূত্র : ডেইলি মেইল

নতুন নতুন ফিচার এনেছে হোয়াটসঅ্যাপে



ফেসবুক অধিকৃত মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপে স্ট্যাটাস আপডেটে শুধু টেক্সট বা লেখা দিতে দিতে একঘেয়ে লাগছে? চিন্তা নেই, এই একঘেয়েমি কাটাতে ‘হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস’ নামে নতুন ফিচার এনেছে সংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি ৮ বছর পূর্ণ করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। আর এ উপলক্ষে গ্রাহকদের মন জুড়াতে নতুন ফিচারটি এনেছে তারা।
‘হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস’ দিয়ে টেক্সটের জায়গায় ভিডিও, ছবি বা জিআইএফ শেয়ার করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।
কে বা কারা আপনার নতুন স্ট্যাটাস দেখেছে, সেটাও দেখতে পারবেন। এমনকি, ফেসবুকের মতো স্ট্যাটাসে কমেন্টও করা ‌যাবে। তবে এই স্ট্যাটাস থাকবে মাত্র ২৪ ঘণ্টা। তারপর আপনা আপনি মুছে ‌যাবে।
স্ন্যাপচ্যাট-ইনস্টাগ্রামের স্টোরিজ ফিচারের সুবিধা দেবে নতুন ফিচারটি। এটি যুক্ত হওয়ায় অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণের হোয়াটসঅ্যাপে এখন চারটি অপশন দেখা ‌যাচ্ছে। এগুলো হলো ক্যামেরা, চ্যাট, স্ট্যাটাস এবং কল অপশন।
গুগল প্লে-স্টোরে ঢুকে হোয়াটসঅ্যাপ আপডেট করলে নতুন অপশনগুলোর দেখা মিলবে।
চ্যাট ও কলের মাঝে এই স্ট্যাটাস অপশন থাকবে, সেখানে ক্লিক করলে মাই স্ট্যাটাস অপশন আসবে। ব্যবহারকারীরা স্ট্যাটাস অপশনে প্রাইভেসি রাখার সুবিধাও পাবেন।
এই নতুন ফিচার ইতোমধ্যেই ব্যবহার করতে শুরু করেছেন অনেকেই। আপনি আর দেরি করবেন কেন! গুগল প্লে-স্টোরে গিয়ে আপডেট করে নিন মোবাইলের হোয়াটসঅ্যপ অ্যাপটি।

শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

আজ স্টিভ জবসের জন্মদিন


আজ যদি স্টিভ জবস বেঁচে থাকতেন তবে ৬২তম জন্মদিন পালন করতেন। তবে তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনে এমন কিছু চমৎকার ছাপ রেখে গেছেন, যা আজও প্রযুক্তিবিশ্ব শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।
১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে জন্ম স্টিভ জবসের। অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ছিলেন তিনি, মারা যান ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের চোখে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন স্টিভ জবস এই বিশ্বকে তাঁর জাদুর ছোঁয়ায় বদলে দিয়েছিলেন। তাঁর হাত ধরেই এসেছিল স্মার্টফোনের বিস্ময় ‘আইফোন’।
বিশ্বকে বদলে দেওয়া স্টিভ জবসের কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে জেনে নিন:
অ্যাপলকে বিশ্বসেরা করতে চেয়েছিলেন
একটি গ্যারেজে যাত্রা শুরু হয়েছিল অ্যাপলের। স্টিভ জবস চেয়েছিলেন সে সময়ের বিশ্বের প্রধান কম্পিউটার নির্মাতা আইবিএমের সঙ্গে টক্কর দিতে। এখন আইবিএম শুধু সফটওয়্যার ও সার্ভিস কোম্পানি আর অ্যাপল একাধারে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। স্টিভ জবসের অধীনে একাধারে দুটি ব্যবসা করতে পেরেছে অ্যাপল। বর্তমানে বাজার মূলধনের হিসেবে অন্যতম শীর্ষ কোম্পানি অ্যাপল।
আধুনিক ইন্টারনেট গড়তে রেখেছেন অবদান
করপোরেট সংস্কৃতির বলি হওয়াতে স্টিভ জবসকে তাঁর প্রতিষ্ঠিত অ্যাপল কোম্পানি থেকে বের হয়ে যেতে হয়েছিল। তবে দমে যাননি তিনি। অ্যাপল থেকে বের হয়ে প্রতিষ্ঠা করেন নেক্সট। ১৯৮৮ সালে আধুনিক প্রযুক্তির ওয়ার্কস্টেশন কম্পিউটার তৈরি করেন তিনি। তাঁর ওই কম্পিউটার ব্যবহার করে ওয়েব উদ্ভাবক টিম বার্নার্স-লি ও রবার্ট ক্যাডিলাক সার্নে বসে বিশ্বের প্রথম ওয়েব সার্ভার সার্ন এইচটিটিপিডি ও প্রথম ওয়েব ব্রাউজার ওয়ার্ল্ডওয়াইডওয়েব তৈরি করেন। স্টিভের নেক্সট কম্পিউটার সিস্টেম সার্নের কাছে গবেষণার জন্য ৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলারে বিক্রি করেছিলেন স্টিভ। ওই কম্পিউটার না পেলে আধুনিক ওয়েব হয়তো আরও দেরিতে আসত।
সংগীতজগতকে রক্ষা করেছিলেন
স্টিভ জবসের রূপকথার শুরু মূলত সংগীতজগতকে রক্ষার জন্য তাঁর আইপড তৈরির মধ্য দিয়ে। ইন্টারনেটকে যখন বিনোদন ও সংগীতজগতের জন্য বাধা মনে করা হচ্ছিল, তখন অনলাইন মিউজিক সুবিধা যুক্ত করে একাই এ শিল্পকে বাঁচিয়েছিলেন স্টিভ। আইপড ও আইটিউনস মিউজিক স্টোর তাঁর কাছ থেকে পেয়েছিল বিশ্ব।
আইফোন এসেছিল তাঁর হাত ধরে
আইপডের সফলতার গল্প ফুরাতে না ফুরাতে স্টিভ জবস দুনিয়াকে বদলে দিয়েছিলেন আইফোন বাজারে ছেড়ে। ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে আইফোনের যাত্রার মধ্য দিয়ে মূলত স্মার্টফোনের যুগ শুরু। আইফোন আসার আগে কোনো মোবাইল ফোনে ক্যাপাসিটিভি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লের ব্যবহার কেউ দেখেনি। এতে শুধু গান শোনাই নয়, এতে ইন্টারনেট ব্যবহার ও মোবাইল ফোনের সব সুবিধা ছিল। আর কী চাই? অ্যাপলের সাফল্যের ধারা আইফোন এখনো ধরে রেখেছে।
অ্যাপ ইকোসিস্টেমের পথপ্রদর্শক
স্টিভ জবসকে কোম্পানি থেকে তাড়িয়ে বিপদে পড়ে গিয়েছিল অ্যাপল। ১৯৯০ সালের দিকে আবার তিনি অ্যাপলে ফেরেন। এরপর তিনি অ্যাপলকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নেন। অ্যাপলের প্রতিদ্বন্দ্বীরা যখন নানা রকম পণ্য নিয়ে ক্রেতার পেছনে ছুটেছে, স্টিভ জবস তখন ইকোসিস্টেমের দিকে নজর দিয়েছেন। অ্যাপলের একটি পণ্য ব্যবহার করলে যাতে আরেকটি পণ্য ব্যবহারের দিকে ক্রেতার আগ্রহ তৈরি হয়, সে ধরনের পণ্য তৈরিতে কাজ শুরু করেন তিনি। আইম্যাক, আইপড, ম্যাকবুক, আইফোন, আইপ্যাড, অ্যাপল টিভি সবগুলোকে স্টিভ জবস একসূত্রে গেঁথে দিয়েছেন। ক্লাউড ও অ্যাপ স্টোরের ব্যবহারে অ্যাপলপ্রেমী তৈরি করেছেন বিশ্বজুড়ে।
নিখুঁত নকশা যাঁর ধ্যান-জ্ঞান
স্টিভ জবসের মুকুটে আরেক পালকের কথা বলা হয় তাঁর পণ্য ও সেবার মান নিয়ে। তিনি ডিজিটাল যুগের মানুষের নকশার সংবেদনশীলতাকে কাজে লাগিয়েছিলেন। অ্যাপলের পণ্যগুলোকে এমনভাবে তৈরি করেছেন, যা গ্রাহকের মনে দাগ কাটে।
প্রকৃতি ভালোবাসতেন যিনি
স্টিভ জবস ছিলেন পরিবেশবান্ধব। তাঁর সময়ে অ্যাপল পণ্যগুলোকে পরিবেশবান্ধব করার বিষয়টি নিশ্চিত করতেন তিনি। উদ্ভাবনী ও পরিবেশবান্ধব বৈশিষ্ট্য তাঁর কাছে বেশি পছন্দ ছিল। 
তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়াটাইমস

বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ওয়েব ডিজাইনাররা কিভাবে ফ্রিলান্সিং শুরু করবেন। সে বিষয়ে কিছু টিপস।


এই লেখাটি শুধুমাত্র নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য। আমরা অনেকে কোচিং সেন্টারগুলোর চটকদার বিজ্ঞাপন অথবা পত্রিকা, টেলিভিশন এবং ফেসবুকে বিভিন্ন খবর দেখে লাখ লাখ টাকা কামানোর স্বপ্ন নিয়ে ওয়েব ডিজাইনিং এর উপর বিভিন্ন কোর্স করেছি বা করতেছি। ফলে আমরা মোটামুটি কাজ জানি কিন্তু টাকা ইনকাম করার মত কোন সঠিক রাস্তা খুজে পাচ্ছিনা। আমরা সবাই জানি এবং বিশ্বাস করি এই মাধ্যম থেকে টাকা কামানো সম্ভব। আর বিশ্বাস করবো না কেন কারন আমাদের অনেক ভাই অনেক ভাল ইনকাম করছে এই মাধ্যম থেকে কিন্তু আমরা ইনকাম করতে পারছি না । আমরা অনেকে Fiverr , UpWork, Freelancer.com এবং guru সহ আরো অনেক ফ্রিলেন্সিং সাইটে একাউন্ট করে সফল হতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়ি।

হতাশ না হয়ে নতুন উদ্দমে শুরু করুন !! আমার ৩টা টিপস্ অনুসরন করুন আল্লাহ্ রহমতে সফল হবেন।

নাম্বার ১. ভালভাবে দক্ষতা অর্জনের দিকে মনযোগ দিন।

সফল হওয়ার জন্য দক্ষতা কে একমাত্র মাপকাটি হিসাবে মানুন। কোন শর্টকাট পথে সফল হওয়ার মানুষিকতা থেকে বাহির হয়ে আসুন। একটা নতুন লক্ষ নিদ্ধারন করুন যে 2018 সাল থেকে আল্লাহ্ রহমতে একটা মানসম্মত ইনকাম কোরবো এই খাত থেকে। যেহেতু ওয়েব ডিজাইন নিয়ে কাজ করছেন সেহেতু HTML এর বহুল ব্যবহারিত tag, CSS3 এর নতুন ইফেক্ট এবং jQuery এর নতুন নতুন প্লাগিন এবং jQuery ভালভাবে আয়ত্ত করার চেষ্টা করুন। ভালভাবে ইংরেজি শিখুন।  শিখার জন্য youtube এ অনেক ভাল বাংলা এবং ইংরেজি tutorial পাওয়া যায় অথবা torrant site থেকে অনেক paid tutorial download করা যায় ফ্রিতে। মানসম্মত কাজ করার জন্য সবসময় themeforest.net কে অনুসরন করুন। themeforest এ আসা নতুন template গুলিকে Inspect Element করে দেখুন অথবা Ctrl+U ক্লিক করে সোর্চ  দেখুন যে তারা কি ব্যবহার করছে কিভাবে ব্যবহার করছে। ভালভাবে তাদের markup, typography এবং jQuery প্লাগিনগুলির ব্যবহার দেখুন এবং সে অনুযায়ি অনুশীলন করুন। এরপর themeforest থেকে ৪-৫টা template থেকে ধারনা নেয়ে নিজে একটা তেরি করুন এবং সেটা themeforest এ submit করুন এবং নিজেকে যাচাই করুন। একবার না হলে বারবার চেষ্ঠা করুন এতে আপনার কাজের মান বৃদ্ধি পাবে এবং এক সময় আপনি সফল হবেন।

নাম্বার 2. নিজেকে এবং নিজের কাজকে যত পারেন ছড়িয়ে দেন।

অনেক অনেক অনুশীলন করুন এবং অনুশীলনের কাজগুলিকে ছড়িয়ে দিন যতখানি সম্ভব। কারন আপনার কাজ যতবেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবেন ততবেশি আপনার লাভ হবে। আপনি যদি ৫০ জন লোকের কাছে আপনার কাজ পৌঁছাতে পারেন তাহলে অন্তত ১-২জন লোক আপনার ক্লয়েন্ট হবে। এখন কথা হল নিজের কাজ কিভাবে ছড়াবেন? themeforest.net এ আপনার কাজ submit করেন যদি approve হয় তাহলে তো কথাই নাই এগুলু আপনার ভাল portfolio হিসাবে কাজে আসবে। এছাড়া আমার জানামত একটা সাইট আছে যেখানে আপনি আপনার অনুশীলনের করা কাজগুলো এবং themeforest এ reject হওয়া কাজগুলো upload করে নিজের পরিচিতি বাড়াতে পারেন। সাইটটি হল awesomebootstrap.net । আপনার এ কাজগুলো আপনার কম্পিউটারে রেখে কোন লাভ হবেনা কিন্তু যদি Free download এর জন্য ছড়িয়ে দেন তাহলে আপনার যেমন ওয়েব ডিজাইনার হিসাবে পরিচিতি বাড়বে এবং এগুলুকে আপনার portfolio হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন আমি একটা landing page upload করেছি।

নাম্বার ৩. চিন্তাভাবনা করে ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে একাউন্ট করে পথ চলা শুরু করুন।

প্রথমে বলবো themeforest কে কখনো পেশা হিসাবে নিবেন না। অবসর সময় themeforest এর জন্যে কাজ করবেন কারন অনেক সময় নষ্ট করে করা কাজ হয়তো আশানুরুপ বিক্রি হবে না এতে সময় এবং মেধা দুই এ ব্যয় হবে।
আমার মতে প্রথমে Fiverr.com দিয়ে শুরু করা ভাল এতে ছোট ছোট কাজ করে ক্লায়েন্টের সাথে কিভাবে কথা বলতে হবে কিভাবে কাজ জমা দিতে হবে তা জানা যায়। আসল কথা হল এর মাধ্যমে জড়তা দূর হয়। এরপর ভাল দামে কাজ করা যায় এমন একটা সাইট কে বেছে নিতে হবে আমি বলবো UpWork.com এর কথা। UpWork এ একটা paid একাউন্ট করেন এবং ছড়িয়ে দেওয়া কাজগুলিকে portfolio হিসাবে সাজান।  Free এর চিন্তা মাথা থেকে জেড়ে পেলুন যে market থেকে মাসে $500- $1000 ইনকাম করার চিন্তা করনে সেই market কে মাসে 10-20 দিতে পারবেন না ? $ কোতাথেকে আসবে ? $ আসবে Fiverr থেকে। এখন paid একাউন্ট করে প্রফেশনালদের মত কাজ করা শুরু করেন। ইনশাআল্লাহ সফলতা আসবেই।
আমি লেখালেখি খুব একটা করিনা ভুল হলে ক্ষমা করবেন।