http://protoster.blogspot.com/

Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭

অস্থির মনকে শান্ত করার কিছু সহজ উপায়



মানুষের জীবনে এমন অনেক সময় আসে যখন মনটা অনেক বেশি অস্থির থাকে। খুব বেশি বিষন্নতা অথবা অস্থিরতা ভর করে মনের মধ্যে। জীবনটাকে পুরোই অর্থহীন মনে হতে শুরু করে আপনার।
এক একটা দিন কাটাতে অনেক বেশি কষ্ট হয় তখন। কী করবেন যদি আপনার মনের অবস্থাও এমন হয়? জেনে নিন ৫টি অদ্ভুত উপায় সম্পর্কে যেগুলো খুব সহজেই মনকে শান্ত করে দিতে পারে।
বাচ্চাদের খেলনা দিয়ে খেলা
মন খুব বেশি খারাপ থাকলে কিংবা অস্থিরতা ভর করলে একটি রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি অথবা হেলিকপ্টার কিনে ফেলুন। অথবা পুরো ঘরসংসার সহ বারবি পুতুলও কিনে ফেলতে পারেন।
ভাবছেন আবোল তাবোল বলছি? মনের অস্থিরতা নিমিষেই দূর করে দিতে পারে ছোটদের এসব খেলনা। বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করেই দেখুন না!
পোষা প্রাণী
আপনার সময়টা যদি অনেক অস্থির কাটে তাহলে ঘরে পুষতে শুরু করেন ছোট্ট একটি বিড়াল ছানা, কুকুর অথবা খরগোস। ভাবছেন এতে ঝামেলা আরো বাড়বে? নাহ, মোটেও না। পোষা প্রাণী মানুষের মনটাকে হালকা করে ফেলতে পারে খুব সহজেই।
কেনাকাটা
মন ভালো করার এই পদ্ধতিতে আপনাকে একটু খরচাপাতি করতে হবে। পকেটে টাকা নিয়ে চলে যান কোনো মার্কেটে। নিজের জন্য বেশ কিছু শপিং করুন। দেখবেন মনটা নিমিষেই একেবারে হালকা লাগছে।
ক্যানভাস ও নীল রঙ
সাইকোলোজিস্টদের মতে ক্যানভাসে নীল রঙ দিয়ে আঁকাআঁকি করলে মনের বিষন্নতা একেবারেই কমে যায়। আর এধরণের ছবি আঁকার জন্য আপনার শিল্পী হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। নিজের মনের খেয়াল খুশি মতো নীল রঙ আর ক্যানভাস নিয়ে ইচ্ছে মতো রঙ মাখামাখি করে ছবি আঁকুন। দেখবেন মনটা অনেকটাই হালকা লাগছে।
নিয়ম ভাঙুন
মাঝে মাঝে নিয়ম ভাঙ্গারও আছে ভালো দিক। আর তা হলো নিয়ম ভাঙ্গার আনন্দ নিমিষেই মনকে হালকা করে দেয়। অনেক দিন ধরে একই রকমের নিয়মের বেড়াজালে নিজেকে আটকে ফেললে মনটা কারণে অকারনেই অস্থির হয়ে ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে মাঝে মাঝে গতানুগতিক নিয়মের বাইরে কিছু করুন। দেখবেন অনেকটাই হালকা লাগছে আপনার মন।

তেলাপোকা তাড়ানোর সহজ উপায়



তেলাপোকা – প্রাগৈতিহাসিক এই প্রাণীটি আজও জ্বালিয়ে যাচ্ছে আমাদের। তেলাপোকা যেমন দেখতে ঘিনঘিনে ভীতিকর, তেমনি নোংরা ও রোগের বাহক। তেলাপোকার অত্যাচারে কোনো জিনিসই ঠিক রাখতে পারছেন না? জেনে নিন তেলাপোকা নিধনের কার্যকরী একটি কৌশল।
সমপরিমাণ বোরিক পাউডার ও বেকিং পাউডার একসাথে মিশিয়ে নিন। এর সাথে মেশান তিন ভাগের এক ভাগ চিনি। এবার এতে সামান্য পানি মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এবার তেলাপোকার আনাগোনার বিভিন্ন জায়গায় প্রয়োগ করুন। ফলাফল দেখে নিজেই চমকে যাবেন!

ভুলে যাচ্ছেন সব? যা যা করবেন..


কারও সঙ্গে কথা শেষ করে সেলফোন ঘাঁটছিলেন, কল হিস্টোরিতে দেখলেন একটি নম্বর, রিসিভড কল, দু’চার মিনিট কথাও বলা হয়েছে। হ্যান্ডসেটে নম্বরটি সেভ নেই বলে মনে করতে পারছিলেন না ঠিক কার সঙ্গে কথা বলেছেন!

অফিসে আছেন। কারও ডেস্কে যাওয়ার প্রয়োজন মনে করে উঠে দাঁড়ালেন। পাশ থেকে অন্য কেউ একজন ডেকে কথা বলতেই ভুলে গেলেন আসলে কী জন্য চেয়ার থেকে উঠলেন!

নড়েচড়ে বসুন, আপনার স্মৃতিভ্রম হচ্ছে। মস্তিষ্কের কোষে চাপ পড়েছে বলে এই জটিলতা। তাহলে কী করে চাঙ্গা রাখবেন মস্তিষ্কের কোষকে? জেনে নিন পাঁচটি টিপস।


ব্যায়াম করুন, স্বল্প সময়ের জন্য হলেও
শারীরিক কসরত বা ব্যায়াম অথবা দৌড়াদৌড়ি করুন নিয়মিত। স্বল্প সময়ের জন্য হলেও। ব্যায়াম করলে কেবল শরীর চাঙ্গা থাকে না, মস্তিষ্কও হয়ে ওঠে চনমনে। ব্যায়ামটা সকাল সকাল করা গেলে খুব ভালো, সারাদিন ফুরফুরে মেজাজে কাজ করতে পারবেন। এছাড়া, দেওয়ালে বল ছুঁড়ে ক্যাচ ধরার প্র্যাকটিস করুন মনোযোগ বাড়াতে।


ঘুমান প্রয়োজনমতো
ঘুমে খানিক ব্যাঘাত হলে তার ছাপ সারাদিন থাকে। এভাবে নিয়মিত ঘুমে ব্যাঘাত হলে মস্তিষ্কের ওপর চাপ পড়ে, যা আপনাকে ঠেলে দেবে স্মৃতিভ্রমে। সুতরাং রোজ ভালো ঘুমের ওপর জোর দিন। একজন সুস্থ মানুষের জন্য দিনে অন্তত ৬ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন, কারও কারও ক্ষেত্রে এর বেশিও লাগতে পারে, সেটা ব্যক্তিই অনুভব করবেন। আর ঘুমাতে যাওয়ার আগে টিভি দেখা, স্মার্টফোন, ল্যাপট, ট্যাব নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি বন্ধ করুন। এসব ডিভাইস চোখের আরাম কেড়ে নেয়।


মগজ শাণিত করতে খেলুন শব্দছক-সুডোকু
কোনো কিছু ঘষতে ঘষতেই ধার হয়, মস্তিষ্ক ধার দিতে বা শাণিত করতেও দরকার ধার দেওয়া। পত্রিকা বা অনলাইনে নিয়মিত শব্দছক বা সুডোকু খেলে ধার দেওয়া যেতে পারে মগজে। এছাড়া নিয়মিত সৃজনশীল খেলা খেলতে হবে। লোকজনের সঙ্গে মেলামেশা-আড্ডাবাজি করতে হবে।


ধকল কমান
সারাদিন কাজে ডুবে থাকেন। দিনশেষে বাসায় ফেরার সময়ও সঙ্গে নিয়ে আসেন কাজ। এই ধকলটা আপনার মস্তিষ্ক এখন নিতে পারছে না। দিনের কাজ দিনে শেষ করে আসা দক্ষ ব্যক্তির পরিচয়- মনিষী এপিজে আবদুল কালামের এই বাণী মাথায় রেখে আপনিও দিনের কাজ দিনে শেষ করুন, রাতে ‍বাসায় ফিরে পরিবারের সদস্য বা রুমমেটদের সঙ্গে খুনসুটি করুন-আড্ডাবাজি করুন, মস্তিষ্ককে একটু ‘বিশ্রাম’ দিন। আর কোনোভাবেই মানসিকভাবে হতাশায় তলিয়ে যাবেন না, লড়াইয়ের মানসিকতায় এগিয়ে যান।


স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খান নিয়মিত
প্রথমেই খাবার তালিকা থেকে বাদ দিন চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার। খাবার তালিকায় যোগ করুন শাক-সবজি, ফলমূল। এর পাশাপাশি ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ (সালমন, টুনা ফিস, চিয়া সিডস, আখরোট, সয়াবিন ও পালং শাক পাংগাস, পাবদা, রুই, ইলিশ) খাবারেও নজর দিন। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট (দুধ, দই, ছানা, পাকা কলা, পেঁপে, পেয়ারা, আম)  খাবারও খেতে হবে ভরপুর। গ্রিন-টিও দারুণ উপকারী। খাবারে তেল-মশলা কমিয়ে অলিভ অয়েল ব্যবহার বাড়ান। আর অবশ্যই সকাল-দুপুর-রাতের খাবারটা নিয়মের মধ্যে আনুন। বেলা করে ঘুম থেকে উঠে সকাল-দুপুর একসঙ্গে মিলিয়ে খাওয়া চলবে না। চলবে না রাতে বাসায় ফিরে একেবারে ১-২টায় খাবার খাওয়াও।

সর্বোপরি যতটা সম্ভব হাসিখুশির মধ্যে থাকুন, নির্ভার রাখুন মস্তিষ্ককে। সুন্দর জীবন আরও সুন্দর হয়ে উঠুক।

বুধবার, ১ মার্চ, ২০১৭

দিনে তিন নয়, ১০ বার খান



দীর্ঘজীবনের জন্য মানুষ অনেক কিছুই করে। এ জন্য খাওয়াদাওয়া এবং জীবনযাপনে সচেতন থাকে অনেকে। মানুষ কীভাবে দীর্ঘজীবী হতে পারে কিংবা কীভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে, সে বিষয়ে গবেষণারও শেষ নেই। তেমনি এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন নানা ধরনের ৮০০ গ্রাম ফল ও শাকসবজি খেলে বাড়ে দীর্ঘজীবী হওয়ার সম্ভাবনা।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, লন্ডনের ইমপিরিয়াল কলেজের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, দিনে নানা ধরনের ৮০০ গ্রাম ফল, শাকসবজি খেলে দীর্ঘজীবী হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। তবে এই সমপরিমাণ ফল, শাকসবজি একেবারে না খেয়ে দিনে কয়েক দফা অর্থাৎ ১০ বারে খেতে হবে। সে জন্য বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি খেতে হবে একবারে মাত্র ৮০ গ্রাম করে। গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, এভাবে খাদ্যাভ্যাসে মানুষ অভ্যস্ত হলে বছরে ৭৮ লাখ অকালমৃত্যু রোধ করা সম্ভব।
৯৫টি আলাদা গবেষণার তথ্য-উপাত্ত একত্রিত করে এ গবেষণায় ওই উপসংহারে পৌঁছেছেন গবেষকেরা। গবেষণায় সব মিলিয়ে প্রায় ২০ লাখ মানুষের খাদ্যাভ্যাসের চিত্র উঠে এসেছে। 

ইমপিরিয়াল কলেজের গবেষকেরা বলছেন, এভাবে খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুললে বিশ্বের প্রতিবছর প্রায় ৮০ লাখ মানুষ অপরিণত বয়সে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাবে। তাঁরা বলছেন, এমন কিছু ফল ও সবজি আছে, যেগুলো খেলে ক্যানসার ও হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। সবুজ শাকসবজি, হলুদ রঙের সবজি ও ফুলকপিজাতীয় সবজি খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমবে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। তাঁরা আরও বলছেন, হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানোর জন্য আপেল, নাশপাতি, লেবুজাতীয় ফল, সালাদ, সবুজ শাকসবজি (যেমন লেটুসপাতা) ও বাঁধাকপি-জাতীয় সবজি বেশ কার্যকর হতে পারে।
তবে প্রতিদিন ৮০০ গ্রামের বেশি ফল ও সবজি খেলে স্বাস্থ্যের জন্য আরও বেশি উপকার হবে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন গবেষকেরা।
এ গবেষণার ফলাফল ইপিডেমিওলোজি জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ৮০ গ্রাম ওজনের ফল বা সবজি বা এর সমপরিমাণ ওজনের একটি কলা, নাশপাতি, শাক বা ডাল হলেও এ ক্ষেত্রে চলবে।
দিনে কোনো ফল বা সবজি না খেলে কী হতে পারে, তা-ও দেখিয়েছেন গবেষকেরা। তাঁরা বলছেন, দিনে ২০০ গ্রাম ফল খেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমে ১৩ শতাংশ এবং ৮০০ গ্রামে কমে ২৮ শতাংশ। ২০০ গ্রাম ফলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে ৪ শতাংশ এবং ৮০ গ্রামে কমে ১৩ শতাংশ। ২০০ গ্রাম ফল খাওয়ার ফলে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমে ১৫ শতাংশ এবং ৮০০ গ্রামে ঝুঁকি কমায় ৩১ শতাংশ।

রাতে ঘুমানোর আগে ১০ মিনিট



সারা দিন ধরে টইটই করে ঘোরা বা কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ততা। হয়তোবা এর কোনোটাই আপনার দিনলিপির সঙ্গে মেলে না। সারা দিন বাড়ির কাজে বাড়ির মধ্যেই থাকতে হয়। সারা দিনের কাজের তালিকা যেটাই হোক না কেন, রাতে ঘুমানোর আগে নিয়ম করে কিছু বিষয় মেনে চলা ভালো। এতে ঘুমটাও ভালো হবে, সতেজ মনে শুরু করতে পারবেন দিনটা। চেষ্টা করুন নিজের জন্য ঘুমের আগে ১০ মিনিট সময় ব্যয় করার।
মুখে মেকআপ থাকুক বা না-ই থাকুক, রাতে ঘুমানোর আগে মুখ পরিষ্কার করা বাধ্যতামূলক। এমনটাই মনে করেন রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন। এরপর ত্বক অনুযায়ী ক্রিম লাগান। তবে ত্বক তৈলাক্ত হলে ক্রিম লাগানোর দরকার নেই। হাত-পা ধোয়ার সময় সম্ভব হলে নরম ব্রাশ দিয়ে ত্বক ঘষে নিন। ময়লা উঠে আসবে ভেতর থেকে। মরা চামড়াও উঠে যাবে। হাতে-পায়ে জলপাই তেল বা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান। ত্বক নরম থাকবে। ঘুমানোর আগে পরিষ্কার ঘুমের কাপড় পরে নিন। দাঁত ব্রাশ করাও আবশ্যক। সম্ভব হলে গোসল করে নিন। এতে আপনার মস্তিষ্ক খবর পেয়ে যায়, আপনি ঘুমানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
চুল আঁচড়ানোর সময় উল্টো করে মাথা নামিয়ে আঁচড়ান। এতে মাথার রক্ত সঞ্চালন ও ঘুম দুটোই ভালো হয়। খুব আঁটসাঁট করে চুল না বেঁধে হালকা করে বাঁধার পরামর্শ দিলেন আফরোজা পারভীন। চাইলে নরম কাপড় দিয়ে পেঁচিয়েও রাখতে পারেন। চুল খোলা রেখে ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে সিল্কের বালিশের কভার ব্যবহার করুন।

পরের দিনের জন্য সবকিছু গুছিয়ে রাখুন। সকালের তাড়াহুড়ো অনেকখানি কমে যাবে। কাপড় ইস্তিরি করে রাখা। সম্ভব হলে নাশতা আগের রাতেই তৈরি করে ফেলা। ব্যাগ গুছিয়ে রাখার মতো টুকটাক কাজগুলো করে ফেলাই ভালো।
ঘুমানোর অন্তত ঘণ্টা খানেক আগে ডিজিটাল দুনিয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। বই পড়ুন, প্রিয়জনদের সঙ্গে গল্প করুন। রাগ করেও ঘুমানো উচিত নয়। মনের ওপর চাপ ঘুমের মধ্যেও শান্তি দেয় না।

ঘুম একদম না এলে মেডিটেশন অথবা হালকা ব্যায়াম করতে পারেন। 
ঘরের মধ্যে কড়া আলো বন্ধ করে দিন। টেবিল ল্যাম্প বা অল্প আলো জ্বেলে রাখতে পারেন।

দিনের মধ্যে ভালো ঘটনাগুলো নিয়ে ভাবার চেষ্টা করুন। খিদে পেলে ভারী কিছু না খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। হালকা স্বাস্থ্যকার কিছু খেয়ে নিন।

দাঁতের যত্নে সাত পরামর্শ



সুন্দর দাঁত কার না ভালো লাগে? তবে দাঁতকে সুন্দর রাখতে হলে প্রয়োজন দাঁতের যত্ন। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে দাঁতের যত্ন নিয়ে কিছু পরামর্শ। 
১. এসিডিক ও মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এ ধরনের খাবারগুলো দাঁতের ক্ষয় করে। 

২. প্রচুর পানি পান করে মুখকে আর্দ্র রাখুন। শুষ্ক মুখ দাঁতের ক্ষয় বাড়িয়ে দেয়।

৩. দাঁত ব্রাশের জন্য সঠিক টুথব্রাশ ব্যবহার করা উচিত। তাই নরম টুথব্রাশ ব্যবহার করুন। শক্ত টুথব্রাশ ব্যবহারে দাঁতের ক্ষতি হয়।

৪. ফ্লোরাইড বেজ মাউথওয়াশ দিয়ে নিয়মিত মুখ কুলি করুন।

৫. দাঁত ভালো রাখার জন্য ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি জাতীয় খাবার খান।

৬. দাঁতে সমস্যা থাকলে তো চিকিৎসকের কাছে যাবেনই, তবে নিয়মিত চেকআপের মধ্যে থাকার জন্য বছরে অন্তত দুবার দন্ত্যচিকিৎসকের কাছে যান। 

৭. প্রতিদিন মাড়ি ম্যাসাজ করুন। মাড়িতে ম্যাসাজ করা রক্ত সঞ্চালনকে বাড়িয়ে দেয়। 

রক্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কী কী জটিলতা হতে পারে?




হাত-পা অথবা চোখ ছাড়া বেঁচে থাকা সম্ভব হলেও রক্ত ছাড়া বাঁচার কথা কল্পনাও করা যায় না। মানবদেহে রক্ত তাই অপরিহার্য। জীবন রক্ষার অন্যতম উপায় রক্ত পরিসঞ্চালন কখনো কখনো তৈরি করতে পারে জটিলতা।
  • রক্তবাহিত রোগের সংক্রমণ এখনো একটি প্রধান সমস্যা। হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, এইডসসহ বিভিন্ন প্রাণঘাতী জীবাণু সহজেই রক্তের মাধ্যমে রক্তগ্রহীতার দেহে প্রবেশ করতে পারে। এই পরিস্থিতির মূল কারণ রক্ত পরিসঞ্চালনের আগে রক্তটি জীবাণুমুক্ত কি না, তা যথাযথভাবে পরীক্ষা না করা। অনুমোদনহীন এসব রক্ত বিক্রি করা হয়। আর তা আসে মূলত নেশাসক্ত পেশাদার রক্তদানকারীদের থেকে। এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ রক্ত বা ভেজাল রক্তও এসব ব্লাড ব্যাংক থেকেই আসে।
  • ভুলক্রমে এক গ্রুপের রক্ত অন্য গ্রুপের রোগীদের দিলে রক্ত হয়ে উঠতে পারে প্রাণঘাতী। এ ধরনের ঘটনা কম হলেও একেবারেই হয় না, তা নয়। এসব ক্ষেত্রে রক্ত সংগ্রহকারী ও পরীক্ষাকারী ব্লাডব্যাংক, চিকিৎসক অথবা নার্স যে কারো ভুল বা অসতর্কতা দায়ী। রোগী সাধারণত বুকে-পিঠে ব্যথা বা শ্বাসকষ্টের অভিযোগ করে থাকে। চিকিৎসক দ্রুত ব্যবস্থা নিলে পরবর্তী জটিলতা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়। এ ছাড়া যেকোনো পরিসঞ্চালনেই কাঁপুনি ও জ্বর আসা এবং অ্যালার্জি জাতীয় ছোটখাটো সমস্যা হতে পারে।
  • যাদের কিছুদিন পরপর রক্ত নিতে হয়, তাদের দেহে লৌহের আধিক্যসহ অন্যান্য সমস্যা হতে পারে।
  • অনেক সময় অধিক রক্ত দ্রুত প্রবেশ করলে বৃদ্ধ অথবা হৃদরোগীর হার্ট ফেইলিউর জাতীয় সমস্যা হতে পারে।
অবশ্য রোগী বা তাঁর আত্মীয়স্বজন সবচেয়ে বড় সমস্যায় পড়েন, রক্ত পরিসঞ্চালনের আগেই যখন দেওয়ার জন্য রক্ত খুঁজতে থাকেন। পাড়ায় পাড়ায় ব্যাঙের ছাতার মতো অবৈধ ব্লাড গড়ে উঠলেও নিরাপদ রক্ত এখনো দুর্লভ। বিশেষ করে জরুরি মুহূর্তে রক্ত প্রয়োজন হলে, তা হয়ে ওঠে সোনার হরিণ। এ ছাড়া যাদের ঘন ঘন রক্ত নিতে হয়, তাদের বেশিরভাগ সময় যায় রক্তের খোঁজে। দুর্লভ দলের রক্ত হলে তো কথাই নেই।
আমাদের কী করা উচিত
রক্ত যে কারোরই যেকোনো সময় প্রয়োজন হতে পারে—এ কথা মনে রেখে আমরা যদি এখনই প্রস্তুতি নিয়ে রাখি, তবে রক্ত পরিসঞ্চালনের সমস্যা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব। আমাদের যেসব উদ্যোগ নিতে হবে তা হলো :
  • নিজের, আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুবান্ধবদের রক্তের গ্রুপ জেনে রাখা।
  • নিকটস্থ ব্লাড ব্যাংকের ঠিকানা ও ফোন নম্বর জেনে রাখা।
  • শুধু নিবন্ধনকৃত ব্লাড ব্যাংকে রক্তদান ও গ্রহণ করা।
  • পেশাদার রক্তদাতার রক্ত না কেনা।
  • নিজে নিয়মিত রক্তদান করা এবং সকলকে উদ্বুদ্ধ করা।
  • রক্তবাহিত রোগে সংক্রমিত হলে রক্তদান না করা।  

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

জিহ্বা পুড়লে যা করবেন



আড্ডায় কিংবা তাড়াহুড়োয় গরম চা অথবা কফির কাপে চুমুক দিতেই চমকে উঠলেন। বুঝলেন জিহ্বাটা আবারও পুড়ল। এমন ঘটনা প্রায় সবারই ঘটে। এতে জিহ্বা জ্বালাপোড়া করে। আর সবচেয়ে বিরক্তিকর বিষয়, এটি সহজে কমতেও চায় না। এ থেকে অনেক সময় মুখে শুকনোভাব, পানিশূন্যতা ইত্যাদি তৈরি হয়। সমস্যার সমাধান করা না হলে একপর্যায়ে মুখে দুর্গন্ধ বা দাঁতক্ষয়ের সমস্যাও দেখা দেয়।
তবে, পোড়া কম হলে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন এই অস্বস্তি দূর করার জন্য।
১. জিহ্বা পুড়ে গেলে মুখ দিয়ে শ্বাস নিন। এতে মুখে ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকবে। আস্তে আস্তে স্বস্তি আসবে।
২. জিহ্বার প্রদাহ কমাতে মধু খেতে পারেন। মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও প্রদাহরোধী উপাদান। এতে জ্বালাপোড়াভাব কমবে। পাশাপাশি মধু পরবর্তী সময়ে মুখে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিও প্রতিহত করবে।
৩. ঠান্ডাজাতীয় কিছু খেতে পারেন। যেমন : আইসক্রিম বা আইসকিউব খেতে পারেন অথবা ঠান্ডা পানি বা জুস পান করতে পারেন। এতে কিছুটা স্বস্তি আসবে।
৪. জিহ্বা পুড়ে যাওয়ার সমস্যা সমাধানে দ্রুত মুক্তি পেতে দই খাওয়া যেতে পারে। দই মুখের মধ্যে নিয়ে কয়েক সেকেন্ড রাখুন। দিনে কয়েকবার দই খেলে দ্রুতই ফল পাবেন।
৫. অ্যালোভেরা জেল ব্যথা কমায় এবং জিহ্বার ভেতরে একটি ঠাণ্ডাভাব আনে। এটি মুখের মধ্যে ২৫ মিনিট দিয়ে রাখুন। দিনে কয়েকবার এটি করতে পারলে অনেকটা স্বস্তি পাবেন।
৬. পোড়া জিহ্বার প্রদাহ কমাতে চিনি বেশ উপকারী। এক চামচ চিনি মুখের মধ্যে দিন। চিনি গলে যাওয়া পর্যন্ত মুখের মধ্যেই রাখুন। এতে আস্তে আস্তে প্রদাহ কমে যাবে।

ছারপোকা তাড়ানোর সহজ উপায়



ছারপোকা অনেকের কাছেই বিছানার পোকা হিসেবে পরিচিত। কেননা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিছানা, মশারি, বালিশে ছারপোকার উপদ্রব দেখা দেয়। এর কামড়ে খুব একটা ব্যথা না পাওয়া গেলেও, রক্তচোষা প্রাণী বলে সকলের কাছেই চরম বিরক্তিকর ছারপোকা।
বিছানা ছাড়াও ছারপোকার অন্যতম পছন্দের আবাসস্থল হচ্ছে ম্যাট্রেস, সোফা এবং অন্যান্য আসবাবপত্র। মূলত অপরিষ্কার বিছানা ও আসবাবপত্রের কারণেই চারপোকার উপদ্রব ঘটে। অগোছালো অতিরিক্ত আসবাবপত্রের ঘরে ছারপোকার উপদ্রব সবচেয়ে বেশি হয়। যা হোক, সহজে ছারপোকা দমনের উপায় জেনে নিন।
* যে জায়গায় ছারপোকা আছে, সেখানে সামান্য ল্যাভেন্ডার অয়েল স্প্রে করে দিন। প্রত্যেকদিন এটি স্প্রে করতে পারলে আরো ভালো। দেখবেন, কয়েকদিনের মধ্যে সব ছারপোকা দূর হয়ে গেছে।
* পানিতে ঘন করে ডিটারজেন্ট মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি স্প্রে করলে সব ছারপোকা মরে যাবে।
* ছারপোকা তাড়ানোর জন্য অ্যালকোহল খুব ভালো কাজ দেয়। ছারপোকা আক্রান্ত জায়গায় সামান্য অ্যালকোহল স্প্রে করে দিন। আস্তে আস্তে আপনার বাড়ি ছেড়ে পালাবে ছারপোকার দল।
* ছারপোকা বেশি উত্তাপ সহ্য করতে পারে না। তাই ঘরের বিছানা, তোষক, লেপ, বালিশ কয়েকদিন পরপর রোদে দিন। বিছানার চাদর অন্তত সপ্তাহে একবার পরিবর্তন করুন। খাটকে দেয়ালের সঙ্গে একবারে না লাগিয়ে একটু ফাঁকা করে রাখুন।
* রোদ না থাকলে বিছানার চাদর, কুশন, বালিশ, সোফার গদি, লেপ, কম্বল বেশি তাপে সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন।
* ছারপোকা ময়লা অপরিষ্কার জায়গায় থাকতে পছন্দ করে। তাই ঘরের মধ্যে বা খাটের নিচে মালামাল স্তুপ করে রাখবেন না।

বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ওয়েব ডিজাইনাররা কিভাবে ফ্রিলান্সিং শুরু করবেন। সে বিষয়ে কিছু টিপস।


এই লেখাটি শুধুমাত্র নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য। আমরা অনেকে কোচিং সেন্টারগুলোর চটকদার বিজ্ঞাপন অথবা পত্রিকা, টেলিভিশন এবং ফেসবুকে বিভিন্ন খবর দেখে লাখ লাখ টাকা কামানোর স্বপ্ন নিয়ে ওয়েব ডিজাইনিং এর উপর বিভিন্ন কোর্স করেছি বা করতেছি। ফলে আমরা মোটামুটি কাজ জানি কিন্তু টাকা ইনকাম করার মত কোন সঠিক রাস্তা খুজে পাচ্ছিনা। আমরা সবাই জানি এবং বিশ্বাস করি এই মাধ্যম থেকে টাকা কামানো সম্ভব। আর বিশ্বাস করবো না কেন কারন আমাদের অনেক ভাই অনেক ভাল ইনকাম করছে এই মাধ্যম থেকে কিন্তু আমরা ইনকাম করতে পারছি না । আমরা অনেকে Fiverr , UpWork, Freelancer.com এবং guru সহ আরো অনেক ফ্রিলেন্সিং সাইটে একাউন্ট করে সফল হতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়ি।

হতাশ না হয়ে নতুন উদ্দমে শুরু করুন !! আমার ৩টা টিপস্ অনুসরন করুন আল্লাহ্ রহমতে সফল হবেন।

নাম্বার ১. ভালভাবে দক্ষতা অর্জনের দিকে মনযোগ দিন।

সফল হওয়ার জন্য দক্ষতা কে একমাত্র মাপকাটি হিসাবে মানুন। কোন শর্টকাট পথে সফল হওয়ার মানুষিকতা থেকে বাহির হয়ে আসুন। একটা নতুন লক্ষ নিদ্ধারন করুন যে 2018 সাল থেকে আল্লাহ্ রহমতে একটা মানসম্মত ইনকাম কোরবো এই খাত থেকে। যেহেতু ওয়েব ডিজাইন নিয়ে কাজ করছেন সেহেতু HTML এর বহুল ব্যবহারিত tag, CSS3 এর নতুন ইফেক্ট এবং jQuery এর নতুন নতুন প্লাগিন এবং jQuery ভালভাবে আয়ত্ত করার চেষ্টা করুন। ভালভাবে ইংরেজি শিখুন।  শিখার জন্য youtube এ অনেক ভাল বাংলা এবং ইংরেজি tutorial পাওয়া যায় অথবা torrant site থেকে অনেক paid tutorial download করা যায় ফ্রিতে। মানসম্মত কাজ করার জন্য সবসময় themeforest.net কে অনুসরন করুন। themeforest এ আসা নতুন template গুলিকে Inspect Element করে দেখুন অথবা Ctrl+U ক্লিক করে সোর্চ  দেখুন যে তারা কি ব্যবহার করছে কিভাবে ব্যবহার করছে। ভালভাবে তাদের markup, typography এবং jQuery প্লাগিনগুলির ব্যবহার দেখুন এবং সে অনুযায়ি অনুশীলন করুন। এরপর themeforest থেকে ৪-৫টা template থেকে ধারনা নেয়ে নিজে একটা তেরি করুন এবং সেটা themeforest এ submit করুন এবং নিজেকে যাচাই করুন। একবার না হলে বারবার চেষ্ঠা করুন এতে আপনার কাজের মান বৃদ্ধি পাবে এবং এক সময় আপনি সফল হবেন।

নাম্বার 2. নিজেকে এবং নিজের কাজকে যত পারেন ছড়িয়ে দেন।

অনেক অনেক অনুশীলন করুন এবং অনুশীলনের কাজগুলিকে ছড়িয়ে দিন যতখানি সম্ভব। কারন আপনার কাজ যতবেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবেন ততবেশি আপনার লাভ হবে। আপনি যদি ৫০ জন লোকের কাছে আপনার কাজ পৌঁছাতে পারেন তাহলে অন্তত ১-২জন লোক আপনার ক্লয়েন্ট হবে। এখন কথা হল নিজের কাজ কিভাবে ছড়াবেন? themeforest.net এ আপনার কাজ submit করেন যদি approve হয় তাহলে তো কথাই নাই এগুলু আপনার ভাল portfolio হিসাবে কাজে আসবে। এছাড়া আমার জানামত একটা সাইট আছে যেখানে আপনি আপনার অনুশীলনের করা কাজগুলো এবং themeforest এ reject হওয়া কাজগুলো upload করে নিজের পরিচিতি বাড়াতে পারেন। সাইটটি হল awesomebootstrap.net । আপনার এ কাজগুলো আপনার কম্পিউটারে রেখে কোন লাভ হবেনা কিন্তু যদি Free download এর জন্য ছড়িয়ে দেন তাহলে আপনার যেমন ওয়েব ডিজাইনার হিসাবে পরিচিতি বাড়বে এবং এগুলুকে আপনার portfolio হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন আমি একটা landing page upload করেছি।

নাম্বার ৩. চিন্তাভাবনা করে ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে একাউন্ট করে পথ চলা শুরু করুন।

প্রথমে বলবো themeforest কে কখনো পেশা হিসাবে নিবেন না। অবসর সময় themeforest এর জন্যে কাজ করবেন কারন অনেক সময় নষ্ট করে করা কাজ হয়তো আশানুরুপ বিক্রি হবে না এতে সময় এবং মেধা দুই এ ব্যয় হবে।
আমার মতে প্রথমে Fiverr.com দিয়ে শুরু করা ভাল এতে ছোট ছোট কাজ করে ক্লায়েন্টের সাথে কিভাবে কথা বলতে হবে কিভাবে কাজ জমা দিতে হবে তা জানা যায়। আসল কথা হল এর মাধ্যমে জড়তা দূর হয়। এরপর ভাল দামে কাজ করা যায় এমন একটা সাইট কে বেছে নিতে হবে আমি বলবো UpWork.com এর কথা। UpWork এ একটা paid একাউন্ট করেন এবং ছড়িয়ে দেওয়া কাজগুলিকে portfolio হিসাবে সাজান।  Free এর চিন্তা মাথা থেকে জেড়ে পেলুন যে market থেকে মাসে $500- $1000 ইনকাম করার চিন্তা করনে সেই market কে মাসে 10-20 দিতে পারবেন না ? $ কোতাথেকে আসবে ? $ আসবে Fiverr থেকে। এখন paid একাউন্ট করে প্রফেশনালদের মত কাজ করা শুরু করেন। ইনশাআল্লাহ সফলতা আসবেই।
আমি লেখালেখি খুব একটা করিনা ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

সম্পূর্ণ ফ্রীতে যেভাবে একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট খুলবেন এবং ব্লগিং শুরু করার জন্য যেভাবে সঠিক নিয়মে Post করবেন।


যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তারা অনেকেই নিজের জন্য একটা সুন্দর ওয়েব-সাইট প্রত্যাশা করেন কিন্ত কিভাবে সুন্দর একটি ওয়েবসাই তৈরি করতে হয় সে-সমস্থ নিয়ম-কানুন না জানার কারনে তারা সেটা করতে পারেন না। সেজন্যই আমি তাদের জন্য সহজ পদ্ধতিতে কিভাবে একটি সুন্দর ও মান সম্মত ওয়েব সাইট তৈরি করা যায় তার প্রকৃয়া নিয়ে আলোচনা করব।
গুগুল ব্লগ তৈরি করার জন্য  প্রথমে একটা জিমেইল আইডি’র প্রয়োজন হবে। যাদের নেই তারা  একটি জিমেইল আইডি টি খুলে নিবেন। আর যাদের রয়েছে তাদের নতুন করে আইডি খোলার প্রয়োজন নেই।
ওয়েবসাইট কিভাবে খুলবেন
ওয়েব সাইট খোলার জন্য www.blogger.com এই ওয়েব সাইটে যেতে হবে তারপর সেখানে সাইন ইন এ ক্লিক করে জিমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ব্লগারে সাইন ইন করতে হবে।  তারপর সেখানে একটি গুগল প্লাস প্রফাইল অথবা একটা সাধারণ প্রফাইল এরকম দুটি অপশর আসবে। সেখান থেকে যেকোন একটির ক্রিয়েট এ ক্লিক করতে হবে।  তারপর কনটিনিউ টু ব্লগারে ক্লিক করতে হবে।
উপরের কাজগুলো করার পর যে স্টেপটি আসবে সেখানে ক্রিয়েট এ ব্লগ নামে একটি বাটন দেখা যাবে সেখানে ক্লিক করলে একটি বড় ডায়লোগ বক্স আসবে। সেখানে যে নামে ওয়েব সাইট খুলতে ইচ্ছুক সেই নামটি টাইটেল এ লিখে দিতে হবে যদি আপনি আপনার ওয়েব সাইটটিকে প্রফেশনাল হিসেবে তৈরি করতে চান সেক্ষেত্রে অবশ্যই টাইটেলটি ইউনিক হতে হবে। তারপর বক্সের এড্রেস বা ইউআরএল অপশনে এ ওয়েব সাইটের একটি ভেলিড এড্রেস বা ইউআরএল নিজের পছন্দ তৈরি করে দিতে হবে।  তারপর সেখানে যেকোন একটি টেমপ্লেট সিলেক্ট করে দিতে হবে। ওয়েব সাইটটিকে প্রফেশনাল ওয়েব সাইট হিসেবে প্রদর্শন করারনোর এখন অসংখ্য টেমপ্লেট তৈরি হয়েছে যেগুলো ফ্রীতে ডাউলোড করা যায় সে বিষয়ে পরবর্তিতে আরেকটি টিউনে আলোচনা করবো।  এখন  ডায়লোগ বক্সের নিচে ক্রিয়েট ব্লগ বাটনে ক্লিক করলে ওয়েব সাইট তৈরি হয়ে যাবে।
এখন ব্লগারের ডেশবোর্ড এর ভিউ ব্লগ অপশনে ক্লিক করে অথবা যে এড্রেস বা ইউআরএল দিয়ে ব্লগ ক্রিয়েট করা হয়েছে সেই এড্রেস ব্রাউজারে একটি ট্যাব নিয়ে লিখে ইনটার দিলে ওয়েব সাইটি দেখতে পাওয়া যাবে।
কিভাবে সঠিক নিয়মে Post করবেন
post করার জন্য অবশ্যই নিউ Post বাটনে ক্লিক করতে হবে। অনেকেই আছেন যারা post করেন কিন্ত সঠিক নিয়মে করেন না যার কারণে তাদের post গুলো সঠিক ভাবে এসিও না হওয়ার কারনে ভিজিটর ইনক্রিস হয় না। সঠিক নিয়মে post করার জন্য যে কাজ গুলো করতে হবে সেগুলো হলো যে বিষয়ে post করা হবে সেই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট একটি post টাইটেল সিলেক্ট করতে হবে। তারপর সে বিষয়ের উপর বিস্তারিত একটি আরটিকেল  লিখতে হবে। পিলার ওয়ার্ড গুলো স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরতে হবে।  হেডার এবং সাব হেডার গুলো পয়েন্ট আকারে উল্লেখ করতে হবে। তারপর লেভেল এ ক্লিক করে সেখানে ৩ থেকে ৫ টা কিওয়ার্ড ট্যাগ হিসেবে দিতে হবে। পারমালিংক নামে যে অপশনটি রয়েছে সেখান থেকে post ইউআর এল কাসটোমাইজ করা যায়। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে পারমালিংক কাসটোমাইজ করতে হবে। তারপর পাবলিশ বাটনে ক্লিক করে post পাবলিশ করতে হবে।
এখন ব্লগারের ডেশবোর্ড এর ভিউ ব্লগ অপশনে ক্লিক করে অথবা যে এড্রেস বা ইউআরএল দিয়ে ব্লগ ক্রিয়েট করা হয়েছে সেই এড্রেস ব্রাউজারে একটি ট্যাব নিয়ে লিখে ইনটার দিলে ওয়েব সাইটি এবং post টি দেখতে পাওয়া যাবে। 

ওয়েবসাইট এর ভিজিটর বাড়ানোর সেরা ১০ টি উপায়


আপনি একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক। এখন আপনার প্রতিষ্ঠানের অনেক নিয়মিত কাস্টমার প্রয়োজন হবে যাতে করে আপনি খুব দ্রুত ব্যাবসায় সফলতা অর্জন করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে সঠিক ধারণা দেয়াটা অনেক জরুরি। এটি আপনার প্রতিষ্ঠানে ভিজিটর বাড়াতে এবং ব্যাবসার প্রচারে অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কাজেই আপনাকে পণ্যের গুণগত মানের উপর ভিত্তি করে আকর্ষণীয় পোস্ট তৈরি করতে হবে যাতে করে টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে পণ্য সম্পর্কে বেশ আগ্রহ তৈরি করতে পারেন। আপনার পোস্টগুলোতে যত ভালভাবে প্রোডাক্টগুলোর গুণগত মানের কথা উপস্থাপন করতে পারবেন তত বেশী আপনার পণ্যের নিয়মিত কাস্টমার পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আপনার প্রোডাক্টগুলোকে অতি দ্রুত গ্রাহকদের কাছে প্রচার করতে ভাল মানের পেইজ পোস্টের কোনো বিকল্প নেই। আসুন জেনে নিই কিভাবে অনেক ভাল মানের পেজ পোস্ট তৈরি করা যায় এবং এই পোস্টগুলোর মাধ্যমে কিভাবে আপনার প্রতিষ্ঠানে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াতে পারেন।
১. ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য পোস্টের লিংকগুলো ব্যাবহার করুন :
ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর পাওয়ার জন্য আপনার পোস্টের লিংকগুলো অনেক কার্যকরী ভুমিকা রাখবে কেননা পোস্টটি পড়ে অনেকের কাছেই আপনার সাইটে ঘুরে আসার আগ্রহ প্রকাশ করার সম্ভাবনা থাকে। পেইজের শেয়ারিং টুলে সাইটের URLটি যোগ করে নিন কারণ সাইটের টাইটেল, বিবরণ, ইমেজ ইত্যাদি অনেককিছুই আপনার URL থেকে পাওয়া যাবে, কাজেই আপনার পোস্টে কোন্ ধরণের টেক্সট এবং ইমেজ ব্যাবহার করবেন সেটা আপনার প্রোডাক্টের উপর ভিত্তি করে আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে। ইউজারদের কাছে এই ধরণের ভাল মানের টেক্সট এবং ইমেজের গুরুত্ত্ব অনেক বেশী, কারণ তথ্যবহুল এবং আকর্ষণীয় টেক্সট বা ছবির মাধ্যমেই তারা আপনার প্রোডাক্টের প্রতি আগ্রহ অনুভব করবে এবং সাধারণত ইউজাররাই এই ধরণের ইমেজগুলোর গুরুত্ত্ব অনেকাংশে বাড়িয়ে তুলে, তাই অবশ্যই ভাল মানের টেক্সট, ইমেজ ব্যাবহারের ক্ষেত্রে সচেষ্ট থাকতে হবে যাতে সুনিশ্চতভাবে আপনার পোস্টের ইমেজগুলো অতি দ্রুত টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে প্রচার পায়।
২. পোস্ট রিলেটেড ইমেজ এবং ভিডিও ব্যাবহার করুন  :
আপনার প্রোডাক্ট বা পণ্যের রিলেটেড ভাল মানের ছবি বা আপনার পণ্য ব্যাবহার করে লাভবান হয়েছেন এমন কাস্টমারদের ছবি শেয়ার করার চেষ্টা করুন যাতে অন্যেরাও আপনার পণ্য ব্যাবহারের ক্ষেত্রে আগ্রহ অনুভব করে। বড় মাপের মিডিয়া সাইটগুলোও এই ধরণের ভাল মানের ছবি এবং ভিডিও গুলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে আপনার পোস্টের ইমেজ এবং ভিডিও গুলো প্রচার করে থাকে। পোস্টটি যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত কিন্তু তথ্যবহুল করে লেখার চেষ্টা করুন, কারণ ইউজাররা তুলনামূলকভাবে ছোট এবং সংক্ষিপ্ত পোস্টগুলো পড়তে বেশী পছন্দ করে।
৩. ইউজার/কাস্টমারদের মতামতের উপর গুরুত্ত্ব দিন  :
আপনার অডিয়্যান্সদের জন্য আপনার পণ্যের গুণগত মান বিবেচনার সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় মতামত দেয়ার বা মন্তব্য করার সুব্যাবস্থা রাখুন এবং কাস্টমারদের আপনার পণ্যের প্রতি বিশ্বস্ততা বাড়াতে তাদের ধারণাগুলোর যথাযত গুরুত্ত্ব দেয়ার চেষ্টা করুন। ব্যাবসায় সফলতার জন্য এটি টার্গেটেড কাস্টমারদের আপনার প্রোডাক্টের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করতে বা তাদেরকে আগ্রহী করে তুলতে গুরুত্ত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে।
উদাহরণস্বরুপ আমরা  ক্রিয়েটিভ আইটি (http://www.creativeit-ltd.com/) এর কথা বিবেচনা করতে পারি। এটি একটি আই টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র যেটি প্রায় অনেকদিন থেকে আই টি সেকশানের বিভিন্ন বিষয়ের উপর অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ দিয়ে চলেছে এবং তাদের ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে তাদের অডিয়্যান্সদের জন্য প্রয়োজনীয় মতামতের সুব্যাবস্থা রেখেছে। এতে করে ইউজাররা তাদের দরকারী অনেক প্রশ্নের উত্তর খুব সহজে পেয়ে যাচ্ছে বা তারাও তাদের গুরুত্ত্বপূর্ণ মতামত জানাতে পারছে।
                                                                                                  
৪. আকর্ষণীয় ডিস্কাউন্ট এবং প্রোমোশান এর ব্যাবস্থা করুন :
অনলাইনে বিক্রি বাড়াতে বা টার্গেটেড কাস্টমারদের আগ্রহী করে তোলার জন্য নিজের পণ্যের স্পেশাল কিছু অফার দেয়ার ব্যাবস্থা করুন। আপনার প্রোডাক্টের সাথে সম্পৃক্ত পেইজের লিংকগুলো আপনার ওয়েবসাইটে যুক্ত করুন।
যেমন ক্রিয়েটিভ আই টি কোম্পানি সবসময় তাদের পোস্টগুলোর মাধ্যমে স্পেশাল কিছু অফার দেয়ার ব্যাবস্থা রাখে যা তাদের ব্যাবসায়ীক সফলতার ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক হয়। যেমন সম্প্রতি তারা গ্রাফিক্স ডিজাইনে ১০০ জন নারীর জন্য ফ্রী স্কলারশীপের বিশাল অফার চালু করে। এছাড়াও তাদের পোস্টগুলোতে সবসময় অনেক বড় বড় স্পেশাল অফারের ব্যবস্থা রাখা হয়।
৫. আকর্ষণীয় তথ্য প্রদান করুন   :
আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে যত বেশী আকর্ষণীয় তথ্য দিতে পারবেন তত বেশি কাস্টমারদের আপনার পণ্যের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পারবেন। কাজেই আপনার পেইজের সাথে যুক্ত আছেন এমন কাস্টমারদের জন্য বা আপনার পণ্যের গ্রাহক সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আকর্ষণীয় তথ্য প্রদানের মাধ্যমে তাদেরকে যথাসম্ভব আকৃষ্ট করার চেষ্টা করুন। আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে আকর্ষণীয় তথ্য, কন্টেন্ট বা ইভেন্টসের গুরুত্ত্বপূর্ণ তথ্য দেয়ার মাধ্যমেও গ্রাহকদের আকর্ষণ করার চেষ্টা করুন।
৬. সময়ের প্রতি খেয়াল রাখুন :
আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে কোন সময়ে আপনার ক্রেতারা আপনার পণ্যের প্রতি বেশী আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং কখন আপনার পোস্টগুলোর প্রতি তাদের নজর পড়ছে, সেই অনুযায়ী আপনি পোস্ট দিতে পারেন বা পোস্টগুলোর রিপ্লাই দিতে পারেন যাতে আপনার পোস্টগুলো অতি দ্রুত টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে দৃষ্টিগোচর হয়। যেমন বর্তমান কোনো উপলক্ষে বা ছুটির দিনগুলোতে আপনার পোস্টগুলোতে বেশি পরিমাণ রিপ্লাই পাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। আপনাকেও অবশ্যই যথাসময়ে তাদের মন্তব্যগুলোতে রিপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে কারন যতদ্রুত আপনি তাদের মন্তব্যগুলোর প্রতি নজর রেখে ভাল রিপ্লাই দিতে পারবেন তত দ্রুত আপনার প্রোডাক্টের প্রতি আগ্রহী ক্রেতা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
টিপস : আপনার আগাম কোনো প্রোডাক্টের বিক্রির সম্ভাবনা বাড়াতে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে থেকে প্রোডাক্টটি সম্পর্কে সবাইকে কিছুটা ধারণা দেয়ার জন্য নিয়মিত ছোটখাটো পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করুন যাতে সবাই আপনার আপকামিং প্রোডাক্টির জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে।
৭. পরিকল্পনামাপিক ক্যালেন্ডার তৈরি করুন  :
আপনার ফ্যানদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে প্রতি সপ্তাহে বা প্রতি মাসে কোন্ প্রোডাক্টের উপর আলোচনা বা পর্যালোচনা হবে তার একটি সুনির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার তৈরি করা। এটি শুধুমাত্র আপনার নিয়মিত পোস্টগুলোর জন্য সহায়ক হবেনা, বরং আপনাকে ভাল পরিকল্পনা তৈরি করতে, টার্গেটেড কাস্টমারদের আগ্রহী করতে অনেকখানি সাহায্য করবে এবং আপনার ব্যাবসার ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ ইভেন্ট বা নিউজ পেতে সাহায্য করবে। আপনার কাজের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে বা আপনার প্রোডাক্টের কাস্টমার পেতে সাহায্য করবে এরকম কয়েকটি গ্রুপের সাথে সংশ্লিষ্টতা রাখার চেষ্টা করুন।
৮. পোস্ট দেয়ার সময়সূচী নির্ধারণ করুন :
সময় নির্ধারণ করে আপনার পোস্টগুলো শেয়ার করার ব্যাবস্থা করুন। বিশেষ করে যখন আপনার প্রোডাক্টের ফ্যানরা অনলাইনে অবস্থান করবে তখন আপনার পোস্টগুলো শেয়ার করার চেষ্টা করুন যাতে পোষ্টগুলো অতিদ্রুত তাদের কাছে দৃষ্টিগোচর হয়। আপনার পোস্টটি শেয়ার করার পরে আপনি সহজেই খুজে নিতে পারবেন আপনার কোন কাস্টমাররা  অনলাইনে আছে এবং আপনার পেইজে অবস্থান করছে । আপনি চাইলে আপনার টপ পেইজের এডিট পেইজে গিয়ে এক্টিভিটি লগ সিলেক্ট করে আপনার শেয়ারকৃত পোস্টটি নির্ধারণ করে নিতে পারবেন।
৯. আপনার পোস্টগুলোকে টার্গেটেড করুন  :
আপনার পোস্টগুলো যদি বিশেষ কোনো গ্রুপের সদস্যদের উদ্দেশ্যে হয় তাহলে পেইজের শেয়ারিং টুলের নিচের বাম দিকে থাকা টার্গেট      আইকনে ক্লিক করে এড টার্গেটিং সিলেক্ট করে পোস্টটি টার্গেটেড করে নিতে পারেন। স্ত্রী/পুরুষ, রিলেসানশীপ স্ট্যাটাস, এডুকেশানাল স্ট্যাটাস, আগ্রহী ব্যাক্তি, বয়স, লোকেশান, ভাষা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা সাপেক্ষে আপনার পোস্টটি টার্গেটেড করতে পারেন।

১০. আপনার পোস্টের পারফরম্যান্স এর প্রতি নজর রাখুন  :
আপনার কাস্টমারদের সাথে পোস্টগুলোর সম্পৃক্ততা বাড়াতে বা পোস্টগুলোর প্রচার বাড়ানোর জন্য কি করা প্রয়োজন তা বুঝার জন্য নিয়মিত পেইজের সাথে এক্টিভ থাকার চেষ্টা করুন। পেইজের সাথে সম্পৃক্ত থাকার মাধ্যমে কাস্টমারদের চাহিদা সম্পর্কে আপনার যথেষ্ট ভাল ধারণা তৈরি হবে এবং তারা কোন ধরণের কন্টেন্ট এর প্রতি বেশি আগ্রহী তা বুঝতে সাহায্য করবে। কাজেই পেইজের সাথে নিয়মিত সম্পৃক্ত থাকা আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্ত্বপূর্ণ।

শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ফেসবুক ফান পেজে আপনার ব্লগ এর পোস্টগুলো অটোপোস্ট করুন


আপনি যখন একটি ব্লগ তৈরি করেন ঠিক তখন পাশাপাশি আপনি চান জ ফেসবুকেও এর একটি পেজ খুলতে। পেজ ঠিকই খুলেন কিন্তু আপনি আপনার ব্লগ এ পোস্ট করলেও, আপনার ফেসবুক ফান পেজ এ পোস্ট করার টাইম হয় না। তাই আজ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে আপনার ব্লগ ( ব্লগার.কম) এর পোস্ট ফেসবুক এ অটো পোস্ট করবেন।
নিচের ক্রমানুসারে কাজ করবেনঃ

১) আপনার ফেসবুক এ লগিন করুন
২)সার্চ বক্স এ সার্চ দিন “NetworkedBlogs.”
৩) আপানার ফেসবুক এর “app” থেকে “Register a Blog” এ ক্লিক করুন। এবং আপনার ব্লগ এর বিস্তারিত দিন।
ভাল টপিক দিবেন যেন আপনার ব্লগটি সহজে খুজে পাওা জায়।
৪) রেজিস্টার করার পর আপনার , Edit Details এ ক্লিক করুন এবং RSS or ATOM feed যোগ করুন।
৫) এখন আপনার “NetworkedBlogs. এ জান এবং “Syndication,” এ ক্লিক করুন।
৬) “auto-publish to personal profile” এটি চেক করুন
৭) এবার আপনি একটি টেস্ট পোস্ট পাবলিশ করুন।
৮)যদি টিক মত পাবলিশ হয় তাহলে আপনার কাজ হয়ে গেছে।
এবার আপনার ইচ্ছা মত ব্লগ এ পোস্ট করুন আর দেখুন যে ফেসবুক পোস্ট এ অটো পাবলিশ হচ্ছে

ব্লগ থেকে আয় করার কিছু কৌশল



এইতো কিছুদিন আগের কথা যখন নিজের লেখা উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া ছিল বেশ কঠিন থেকে কঠিনতর, বড় পত্রিকায় ছাপার সুযোগ পান খুবই কমসংখ্যক লেখক। আর এখন এসেছে ইন্টারনেটের যুগ। মুহূর্তের মধ্যে আপনার কোন লেখা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন সহজেই। আর এই লেখা থেকে আয়? সে সুযোগ তো মেলে ভাগ্যবানদের। তবে অবস্থাটা দ্রুতই বদলেছে, ঘরে ঘরে ইন্টারনেট আসার হাত ধরেই এসেছে ব্লগিং। নিজের মতামত, লেখা, ছবি সবকিছুই মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সহজ উপায় ব্লগ বা নিজের কোন ওয়েবসাইট। নিয়মিত লিখতে লিখতে তৈরি হয়ে যায় পাঠককূলও। আর হ্যাঁ এই ব্লগই হয়ে উঠতে পারে আপনার আয়ের উত্সও। নিচে কিছু আয়ের কৌশল দেওয়া হলঃ-

বিজ্ঞাপন প্রকাশ

বিজ্ঞাপন প্রকাশ সবথেকে সহজ ও প্রচলিত উপায়। যদি আপনি প্রথমবার আপনার ব্লগ থেকে আয়ের কথা ভাবেন তাহলে বেছে নিন যেকোন এড কোম্পানির বিজ্ঞাপন। সারা পৃথিবীতেই ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে তা থেকে আয় একটি চালু উপায়, আর আমাদের দেশেও তা সমান জনপ্রিয়।


কিভাবে কাজ করে -আপনার ব্লগের যেকোন জায়গায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করুন, পাঠক যদি সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেন তাহলেই আপনি টাকা পাবেন।

আপনার ব্লগে কীভাবে এটি ব্যবহার করবেন-
প্রথমেই বেছে নিন একটি বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। ব্লগার এবং বিজ্ঞাপনদাতা উভয়ের মধ্যেই সবচেয়ে জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কটি হল গুগলের AdSense। আরো রয়েছে popsup.net ( আমি এটা ব্যাবহার করি)BidVertiser, Infolinks এর মতো অন্য নেটওয়ার্কও।
প্রথমে যে সাইট পছন্দ হবে সেখানে সাইন আপ করে সব কাজ সম্পাদন করুন। আপনার ইমেলে একটা এক্টিভেশন মেইল যাবে সেখানে ক্লিক করে এক্টিভ করুন। এবার সাইট থেকে বিজ্ঞাপন কোড নিয়ে আপনার ব্লগে প্রকাশ করবেন। আপনি আপনার পছন্দ মতো জায়গায় এটি প্রকাশ করতে পারেন, যেমন আপনি এটিকে লেখার মাঝে বা লেখার পাশের বারে রাখতে পারেন।আপনি বিজ্ঞাপন কোডটি ঠিক স্থানে রাখার দু’ঘন্টার মধ্যেই বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে তা আপনার ব্লগে প্রকাশ করা হবে এবং বিজ্ঞাপনটি আপনার ব্লগে দেখাবে।


বেশি আয় করবেন কীভাবে-
কিভাবে বেশি আয় করবেন তা আপনারা ভাল করেই জানেন। ব্লগে যত ভিজিটর হবে এবং তারা যত এড এ ক্লিক করবে তার উপর আপনি টাকা পাবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়ঃ

বলা সহজ করা খুব কঠিন। এফিলিএট মার্কেটিং করে আয় করা এতো সহজ না। তবে একটু পরিশ্রমী এবং কৌশলী হলে ভাল ইনকাম আশা করা যায়। ব্লগে লেখার মাধ্যমে কোনও একটি পণ্য বা পরিষেবার প্রচার করতে হবে আপনাকে। পণ্য বা পরিষেবাটি বাছার বিষয় সতর্ক হোন। আপনার পাঠকরা কী কিনতে চাইতে পারে সেটি বুঝে নিতে হবে আপনাকে। এরজন্য প্রয়োজন গবেষণা ও বিশ্লেষণ। প্রচার করার সময়ও হতে হবে সাবধানী, পাঠক আপনার লেখা পড়তে আপনার ব্লগে আসেন, সারাক্ষণ পণ্য বা পরিষেবার প্রচার দেখলে তিনি বিরক্ত হতে পারেন।

কীভাবে কাজ করেঃ- লেখার সঙ্গে পণ্য বা পরিষেবাটির লিঙ্ক আপনার ব্লগে প্রকাশ করতে হবে। যখন পাঠক সেই লিঙ্কে ক্লিক করবেন বা কিনবেন আপনি কমিশন পাবেন।
আপনার ব্লগে ব্যবহার করার উপায় জেনে নিন
নিচে কয়েকটি প্রচলিত অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক Clickbank, OMG India, Trootrac media এগুলো ছাড়াও অনেক আছে । এখন মনে পড়ছেনা। এছাড়াও ফ্লিপকার্ট বা আমাজনের মতো কোম্পানিতে মার্কেটিং অ্যাফিলিয়েট হিসেবে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।এখানেও কাজ করে অনেক আয় করতে পারেন।
সাইন আপ শেষ হলে সাইন করে উপযুক্ত লিঙ্ক বা বিজ্ঞাপনটি আপনার ব্লগে যোগ করুন।


কত টাকা পেতে পারেন- কোন ভিজিটর যদি সেই লিংকে ক্লিক করে ঐ সাইটে গিয়ে পণ্যটি কিনে তাহলে আপনি টাকা পাবেন। এখানে নির্দিষ্ট হারে কমিশন পেতে পারেন।।

কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন প্রকাশ

কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন প্রকাশ মানে হল কোনও কোম্পানির সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাদের বিজ্ঞাপন ব্লগে প্রচার করা। এরফলে অ্যাডনেটওয়ার্ককে বাদ দিয়েই বিজ্ঞাপন দিতে পারছেন আপনি, বাড়ছে আয়। এছাড়াও আপনিই ঠিক করছেন কোন বিজ্ঞাপন দেবেন ও তার জন্য কতটাকা ধার্য্য করবেন, ফলে নিয়ন্ত্রণ থাকছে আপনার হাতে। তবে কোনও কোনও ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি খুবই ভাল কাজ করলেও অনেকক্ষেত্রে একেবারেই কার্যকরী হয়না।


কীভাবে কাজ করে
আপনি ব্লগে বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ করবেন, যখনই কেউ সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে আপনি টাকা পাবেন।

আপনি কি ইউটিউবকে কেন্দ্র করে আয় করতে চান?



আমরা সকলেই জানি যে একটা ইউনিক আইডিয়া নিয়ে ভিডিও বানালে আপনি কি পরিমাণ আয় করতে পারেন তা ভাবতে পারবেন না। তাই আমরা স্বভাবতঃ ভিডিও তৈরির জন্য যে সব আইডিয়া নিয়ে ভিডিও বানাই তা হচ্ছে টিউটোরিয়াল(আমি এটা নিয়ে কাজ করি),প্রাঙ্ক ভিডিও অথবা অন্যের ভিডিওর ভেতরে সিমাবদ্ধ থাকে মানে কপিপোস্ট নিয়ে কাজ করে। আবার অন্যদিকে নতুনদের কথা যদি ভাবতে যাই তাহলে তারা  মনে করে ভিডিও বানানো হয়তো বেশ শ্রম এবং ব্যায়সাধ্য ব্যাপার।আসলে আপনি এখানে লাইফ টাইম আয় করতে এসেছেন তাই আপনাকে এটা মেনে নিয়েই কাজ করতে হবে যে আপনাকে কষ্ট করেই টাকা আয় করতে হবে

আপনি যদি একটু পরিশ্রমী হোন তাহলে ভাবুন আপনি কোন জিনিসটা ভালো পারেন। ছবি আঁকা শেখানো, নাচ, গান,  সাজগোজ, মাইক্রোকন্টোলিং, রান্নাবান্না, সাইকেল স্টান্ট, অথবা ডেইলি মুভি,নিউজ, খেলাধুলার আপডেট ইত্যাদি। এর মধ্যে আপনাকে বেছে নিতে হবে যে আপনি কোন কাজটি সবচেয়ে ভাল পারেন। এসবের ভেতর কোন না কোন একটা জিনিসে আপনার অবশ্যই আগ্রহ আছে।আপনি সেটিকে বেছে নিয়ে সেটির উপরে ভিডিও বানাতে পারেন।আর আপনি এমন একটি বিষয় নির্বাচন করবেন সেটার প্রতি মানুষের যেন চাহিদা থাকে। 
আপনি যদি আপনার আগ্রহের বিষয়টিকে আপনার চ্যানেলের নিশ করে নিন তাহলে নিঃসন্দেহে ভিডিও ক্রিয়েশনটা ভালো হবে। প্রতিদিন ভিডিও আপলোড করার দরকার নেই। সপ্তাহে একটা অথবা মাস দুইটা করে ভালো ভিডিও আপলোড করুন। আর ভিডিও সব জায়গায় ছড়িয়ে দিন। 

কি কি লাগবেঃ-

ইন্টারনেট সহ একটি কপিউটার বা মোবাইল ফোন। ভিডিও রেকর্ড এনাবেল একটি স্মার্ট ফোন এবং ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার ছাড়া কোন খরচই লাগবে না এই আইডিয়া গুলো নিয়ে কাজ করতে।

আসুন আইডিয়া গুলি জেনে নেইঃ-


ঘরোয়া কাজের উপর ভিডিও বানাতে পারেনঃ–
যেমন বই বাধাই করা, ঘোলা আয়না কি করে পরিষ্কার করা যায়,রান্নাবান্না, সেলাই, বাগান পরিচর্যা এসব টপিকের উপর ভিডিও বানাতে পারেন। এসব জিনিস অনেকেই খুজে ইউটিউবে। তার মানে বেশ ভালো অঙ্কের সাবস্ক্রাইবার পাবেন।
পেইন্টিং – পেন্টিং মানে ছবি আকা না। পেইন্টিং মানে বিশাল একটাবিষয়। আপনি যদি ভালো আঁকতে পারেন তাহলে আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলে থ্রিডি পেইন্ট, ইলিউসন পেইন্ট, ফর্মাল পেইন্ট,এসবের উপর নিজের বানানো ভিডিও আপলোড করতে পারেন। এই ভিডিও গুলো যদি ক্রিয়েটিভ এবং সহজ কিছু স্টেপের মাধ্যমেউপস্থাপন করেন তাহলে এটিই হতে পারে আপনার মুল কাজের এবং আয়ের ক্ষেত্র।

হয়ে যেতে পারেন শিক্ষক – 

আপনি হয়তো পিয়ানো, গীটার, তবলা বাজাতে পারেন। অথবা আপনি অনেক ভালো নাচতে পারেন। এখন আপনার মোবাইলফোনটি ব্যাবহার করুন। ইউটিউবএ আমাদের বাংলাদেশি এখনো কোন চ্যানেল নাই যেখানে পিয়ানো, গীটার, নাচ অথবা গান শিখানো হয়। আপনি পারলে আপনিও শুরু করতে পারেন। বেশ সাড়া পাবেন।
খেলাধুলার উপর কিছু ভিডিও করতে পারেন – হয়তো আপনি অনেক ভালো সাইকেল চালাতে পারেন অথবা ভালো ক্রিকেট, ফুটবল খেলতে পারেন। আপনি আপনার চ্যানেলে বিভিন্ন রকম ক্রিকেটের ভালো শর্ট খেলার কৌশল, ভালো ফুটবল খেলার কৌশল, সাইকেলের হরেক রকম স্টান্ট, শেয়ার করতে পারেন। 

অরিগামি টাইপের জিনিসের উপর ভিডিওঃ–

অরিগামি মানে কাগজকে টুকরা না করে শুধু মাত্র ভাজ করে সেটি দিয়ে পাখি, নৌকা, ফুল এই টাইপের জিনিস বানানো। এছাড়া ফেলনা জিনিসকে (প্লাস্টিকের বোতল, পুরাতন কলম, পন্য বহনকারি কার্টুন,ফেলে দেওয়া বাক্স) কাজে লাগিয়ে কি করে ব্যবহার যোগ্য জিনিস বানানো যায় তার উপরে অসংখ্য ক্রিয়েটিভ ভিডিও বানাতে পারেন।
মাইক্রোকন্টোলিং নিয়ে ভিডিও  –

জিনিসদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। রোবট, সার্কিট, ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে গ্রুপের এক জন একটা চ্যানেল করা উচিত। নিজের বানানো অথবা অন্যের আইডিয়া থেকে বানানো প্রজেক্ট গুলো নিয়ে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করে ভিডিও বানানো যেতে পারে (কেও সাবস্ক্রাইব না করলেও আমি করবো)। তাছাড়া আপনি চ্যানেলে আরো কিছু ভিডিও রাখতে পারেন যেমন নষ্ট রিমোট, টর্চ, ক্যালকুলেটর, প্রয়োজনিয় ইলেক্টনিক্স জিনিসপত্র কি করে ঠিক করা যায় তার উপর। এক বন্যাশেয়ার পেতেও পারেন।

নিজেকে ভালো করে উপস্থাপন 
আপনি বিশ্বাস করুন আপনার অনেক মেধা আছে। সুন্দর করে আপনি মোবাইলে ভিডিও রেকর্ড অন করে আপনি সাম্প্রতিক সময়ের কিছু ঘটনাকে মজার কিছু ভঙ্গিমাতে উপস্থাপন করতে পারেন।পারলে বন্ধুদের হেল্প নিতে পারেন। মনে রাখবেন মানুষ অধিকাংশ সময় বিনোদনের জন্যই ইউটিউবে যায়। আপনি যদি আপনার এইরকম বিনোদন মুলক চ্যানেলের মাধ্যমে যুক্তি-যুক্ত কিছু তুলে ধরতে পারেন তাহলে সাবস্ক্রাইবার তর তর করে বেড়ে যাবে।তাছাড়া আপনি যদি নিজেকে আর ভালো করে উপস্থাপন করতে পারেন তাহলে আপনি পাঠ্যবইয়ের কিছু বিশ্রী সমস্যার সহজ এবং সাবলীল সমাধান দিতে পারেন আপনার ভিডিওতে। যেমন পিথাগোরাসের সেইউপপাদ্য, নিউটনের দাঁতভাঙ্গা প্রস্তাবনার সমাধান, গাণিতিক বিখ্যাত সমস্যা গুলোর সমাধান। আর অবশ্যই ভিডিও আপলোড করার পরে এসইও করার কথা ভুলবেন না।

নতুন আপডেট হতে পারে একটি চ্যানেল আইডিয়া –

এই আইডিয়া কতটা কার্যকর জানি না। তবে আমি বিদেশি কিছু নামি চ্যানেলে দেখেছি এটা। ওদের কাজ হল ওরা তাদের চ্যানেলের মাধ্যমে সাম্প্রতিক হয়ে যাওয়া ঘটনা, দুর্ঘটনা, খেলার গুরুত্বপূর্ণ হাইলাইট,এসব উপস্থাপন করে। আপনিও কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন। তবে ভিডিও কপি করা থেকে দূরে থাকবেন। নিজে উপস্থাপন করবেন।লাগলে কিছু ছবি এড করতে পারেন। সরাসরি কপি করবেন না।
একটু আলাদা করে ভাবুন। দেখবেন ভিডিও ক্রিয়েশন আইডিয়ার অভাব পরবে না।