http://protoster.blogspot.com/

Technology লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Technology লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭

ইন্টারনেটে এখন প্রায় ৩৩ কোটি ডোমেইন নাম



২০১৬ সালের শেষ তিন মাসে ইন্টারনেটে ২৩ লাখ ডোমেইন নাম যুক্ত হয়েছে। এতে ২০১৬ সালের শেষ পর্যন্ত ইন্টারনেটের দুনিয়ায় মোট নিবন্ধিত ডোমেইন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ৯৩ লাখ। গত বুধবার ডোমেইন নাম ও ইন্টারনেট নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভেরিসাইন এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
‘ডোমেইন নেম ইন্ডাস্ট্রি ব্রিফ’ নামের প্রতিবেদনে ভেরিসাইন বলেছে, ২০১৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের চেয়ে পরের প্রান্তিকে ডোমেইন নাম নিবন্ধনের হার ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। অবশ্য বা​র্ষিক তুলনা করলে ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে।
২০১৬ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে ডটকম ও ডটনেট মিলে টপ লেভেল ডোমেইনস (টিএলডিএস) নিবন্ধন দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ২২ লাখ। বার্ষিক ডোমেইন নিবন্ধন বৃদ্ধির হার বেড়েছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ।
২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসেবে ডটকম ডোমেইন নিবন্ধন হয়েছে ১২ কোটি ৬৯ লাখ আর ডটনেট নিবন্ধন হয়েছে ১ কোটি ৫৩ লাখ।



তথ্যসূত্র: আইএএনএস।

আসছে গ্যালাক্সি এস ৮



গ্যালাক্সি এস ৮ স্মার্টফোন নিয়ে বড় ধরনের বাজি ধরতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। প্রযুক্তিবিষয়ক কয়েকটি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর নতুন স্মার্টফোন হিসেবে গ্যালাক্সি এস ৮ বাজারে ছাড়বে প্রতিষ্ঠানটি। শুরুতেই স্মার্টফোনটির এক কোটি ইউনিট বাজারে ছাড়া হতে পারে।
এর মধ্যে ৪৭ লাখ ইউনিট মার্চ মাসে ও ৭৮ লাখ ইউনিট আগামী এপ্রিল মাসে উৎপাদন শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে এস ৮ প্লাস থাকবে কি না, তা উল্লেখ করা হয়নি।
স্যামসাং ফোনের ক্যামেরা যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী একটি সূত্রের বরাতে দাবি করা হয়েছে, স্যামসাং স্মার্টফোনের উৎপাদন বাড়ানোয় তাদের ক্যামেরা যন্ত্রাংশ উৎপাদন বাড়াতে হয়েছে।
ভারতের ইকোনমিক টাইমস নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একসঙ্গে কয়েকটি দেশের বাজারে গ্যালাক্সি এস ৮ স্মার্টফোন ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে স্যামসাংয়ের। অর্থাৎ, এবারে প্রাথমিকভাবে শুধু দক্ষিণ কোরিয়ায় স্মার্টফোন ছাড়া হচ্ছে না।
২৯ মার্চ নিউইয়র্কে গ্যালাক্সি আনপ্যাকড নামের এক অনুষ্ঠানে নতুন স্মার্টফোনের ঘোষণা দিতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। স্যামসাংয়ের অনুষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
ইতিমধ্যে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস ৮ নিয়ে নানা তথ্য ফাঁস করেছে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটগুলো।
ধারণা করা হচ্ছে, এস ৮ স্মার্টফোনটি হবে ৫ দশমিক ৮ ইঞ্চি মাপের ও এস ৮ প্লাস ফোনটি হবে ৬ দশমিক ২ ইঞ্চি মাপের। এতে সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে থাকবে। এতে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ চিপসেট ও স্যামসাং এক্সিনোস চিপসেট থাকবে। প্রতিটি মডেলের ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ থাকবে। এস ৮ স্মার্টফোনের পেছনে ১২ মেগাপিক্সেল ডুয়াল পিক্সেল ক্যামেরা থাকবে।
নতুন স্মার্টফোনের দাম নিয়ে অবশ্য এখনো কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ইন্টারনেটে সব অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার উপায়



যদি আপনার মনে হয় যে, অনলাইন জীবন যথেষ্ট হয়েছে, আর নয়, তাহলে আপনার এ সিদ্ধান্তের পক্ষে দারুন সমাধান রয়েছে।
সুইডেনের একটি ওয়েবসাইট বিশ্বের যে কাউকে সুযোগ দিচ্ছে, একটি বাটনে ক্লিক করেই ইন্টারনেটের সব কর্মকাণ্ড মুছে ফেলার। আপনি কেবল আপনার ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিলেই, আপনার ওই মেইল সংশ্লিষ্ট সকল অ্যকাউন্ট মুছে যাবে।
সুইডিশ প্রোগ্রামার উইল ডালবো এবং লিনাস আনব্যাক তৈরি করেছেন অভিনব সেবার Deseat.me নামক এই ওয়েবসাইট। গুগলে আপনার যত অ্যাকাউন্ট রয়েছে সব ইন্টারনেট থেকে মুছে যাবে সাইটটির মাধ্যমে। ব্যবহারকারীর তথ্য অ্যাকসেস করতে গুগল অ্যালফ প্রটোকল ব্যবহার করে এ সেবা দেয়া সাইটটি।
জিমেইল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত ফেসবুক, এভারনোট এবং ড্রিবল থেকে শুরু করে ইউটিউব, লিংকডইন সব ধরনের অ্যাকাউন্ট ইন্টারনেট থেকে মুছে ফেলতে পারবেন।
সাইটটি দাবী করেছে, ‘আপনি একটি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ইন্টারনেটে যতগুলো সাইট ও সেবায় অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন তার পুরো লিস্ট হাজির করা হবে। সবগুলো অ্যাকাউন্ট একসঙ্গে মুছে ফেলার সুবিধা ছাড়াও চাইলে কোন অ্যাকাউন্ট রাখবেন আর কোনটা রাখবেন না, সেটাও নির্ধারণ করে দেওয়ার সুবিধা রয়েছে।’
‘আর যেহেতু গুগলের অ্যালফ প্রটোকল ব্যবহার করে এ সেবা দেওয়া হচ্ছে, তাই ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রবেশের কোনো সুযোগ আমাদের নেই।’
যা হোক, আপনার যদি ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইটে অনেক বেশি অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে, তাহলে এ সাইটের মাধ্যমে লিস্ট দেখে অপ্রয়োজনীয় অ্যাকাউন্ট চাইলে মুছে দিতে পারেন।
ইন্টারনেট থেকে কি আসলেই উপস্থিতি মুছে ফেলা সম্ভব?
ইন্টারনেট থেকে অ্যাকাউন্ট বাদ দেওয়ার মানে এই নয় যে, আপনি সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে গেছেন।
উদাহরণস্বরুপ, সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রোফাইল ডিলিট করে ফেলার পরও, অন্য প্রোফাইলে আপনার রেকর্ড থেকে যায়, যেমন অন্যের কোনো পোস্টে লাইক, শেয়ার প্রভৃতি।
এছাড়া অ্যাকাউন্ট মুছে ফেললেও গুগল সহ অন্যান্য অনেক সেবাদাতা একটি অন্তবর্তী সময়কাল প্রদান করে থাকে, যাতে ব্যবহারকারী তার মত পরিবর্তন করলে যেন পুণরায় অ্যাকাউন্ট অ্যাকটিভেট করতে পারে।
তথ্যসূত্র : ডেইলি মেইল

নতুন নতুন ফিচার এনেছে হোয়াটসঅ্যাপে



ফেসবুক অধিকৃত মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপে স্ট্যাটাস আপডেটে শুধু টেক্সট বা লেখা দিতে দিতে একঘেয়ে লাগছে? চিন্তা নেই, এই একঘেয়েমি কাটাতে ‘হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস’ নামে নতুন ফিচার এনেছে সংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি ৮ বছর পূর্ণ করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। আর এ উপলক্ষে গ্রাহকদের মন জুড়াতে নতুন ফিচারটি এনেছে তারা।
‘হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস’ দিয়ে টেক্সটের জায়গায় ভিডিও, ছবি বা জিআইএফ শেয়ার করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।
কে বা কারা আপনার নতুন স্ট্যাটাস দেখেছে, সেটাও দেখতে পারবেন। এমনকি, ফেসবুকের মতো স্ট্যাটাসে কমেন্টও করা ‌যাবে। তবে এই স্ট্যাটাস থাকবে মাত্র ২৪ ঘণ্টা। তারপর আপনা আপনি মুছে ‌যাবে।
স্ন্যাপচ্যাট-ইনস্টাগ্রামের স্টোরিজ ফিচারের সুবিধা দেবে নতুন ফিচারটি। এটি যুক্ত হওয়ায় অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণের হোয়াটসঅ্যাপে এখন চারটি অপশন দেখা ‌যাচ্ছে। এগুলো হলো ক্যামেরা, চ্যাট, স্ট্যাটাস এবং কল অপশন।
গুগল প্লে-স্টোরে ঢুকে হোয়াটসঅ্যাপ আপডেট করলে নতুন অপশনগুলোর দেখা মিলবে।
চ্যাট ও কলের মাঝে এই স্ট্যাটাস অপশন থাকবে, সেখানে ক্লিক করলে মাই স্ট্যাটাস অপশন আসবে। ব্যবহারকারীরা স্ট্যাটাস অপশনে প্রাইভেসি রাখার সুবিধাও পাবেন।
এই নতুন ফিচার ইতোমধ্যেই ব্যবহার করতে শুরু করেছেন অনেকেই। আপনি আর দেরি করবেন কেন! গুগল প্লে-স্টোরে গিয়ে আপডেট করে নিন মোবাইলের হোয়াটসঅ্যপ অ্যাপটি।

শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

আজ স্টিভ জবসের জন্মদিন


আজ যদি স্টিভ জবস বেঁচে থাকতেন তবে ৬২তম জন্মদিন পালন করতেন। তবে তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনে এমন কিছু চমৎকার ছাপ রেখে গেছেন, যা আজও প্রযুক্তিবিশ্ব শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।
১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে জন্ম স্টিভ জবসের। অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ছিলেন তিনি, মারা যান ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের চোখে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন স্টিভ জবস এই বিশ্বকে তাঁর জাদুর ছোঁয়ায় বদলে দিয়েছিলেন। তাঁর হাত ধরেই এসেছিল স্মার্টফোনের বিস্ময় ‘আইফোন’।
বিশ্বকে বদলে দেওয়া স্টিভ জবসের কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে জেনে নিন:
অ্যাপলকে বিশ্বসেরা করতে চেয়েছিলেন
একটি গ্যারেজে যাত্রা শুরু হয়েছিল অ্যাপলের। স্টিভ জবস চেয়েছিলেন সে সময়ের বিশ্বের প্রধান কম্পিউটার নির্মাতা আইবিএমের সঙ্গে টক্কর দিতে। এখন আইবিএম শুধু সফটওয়্যার ও সার্ভিস কোম্পানি আর অ্যাপল একাধারে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। স্টিভ জবসের অধীনে একাধারে দুটি ব্যবসা করতে পেরেছে অ্যাপল। বর্তমানে বাজার মূলধনের হিসেবে অন্যতম শীর্ষ কোম্পানি অ্যাপল।
আধুনিক ইন্টারনেট গড়তে রেখেছেন অবদান
করপোরেট সংস্কৃতির বলি হওয়াতে স্টিভ জবসকে তাঁর প্রতিষ্ঠিত অ্যাপল কোম্পানি থেকে বের হয়ে যেতে হয়েছিল। তবে দমে যাননি তিনি। অ্যাপল থেকে বের হয়ে প্রতিষ্ঠা করেন নেক্সট। ১৯৮৮ সালে আধুনিক প্রযুক্তির ওয়ার্কস্টেশন কম্পিউটার তৈরি করেন তিনি। তাঁর ওই কম্পিউটার ব্যবহার করে ওয়েব উদ্ভাবক টিম বার্নার্স-লি ও রবার্ট ক্যাডিলাক সার্নে বসে বিশ্বের প্রথম ওয়েব সার্ভার সার্ন এইচটিটিপিডি ও প্রথম ওয়েব ব্রাউজার ওয়ার্ল্ডওয়াইডওয়েব তৈরি করেন। স্টিভের নেক্সট কম্পিউটার সিস্টেম সার্নের কাছে গবেষণার জন্য ৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলারে বিক্রি করেছিলেন স্টিভ। ওই কম্পিউটার না পেলে আধুনিক ওয়েব হয়তো আরও দেরিতে আসত।
সংগীতজগতকে রক্ষা করেছিলেন
স্টিভ জবসের রূপকথার শুরু মূলত সংগীতজগতকে রক্ষার জন্য তাঁর আইপড তৈরির মধ্য দিয়ে। ইন্টারনেটকে যখন বিনোদন ও সংগীতজগতের জন্য বাধা মনে করা হচ্ছিল, তখন অনলাইন মিউজিক সুবিধা যুক্ত করে একাই এ শিল্পকে বাঁচিয়েছিলেন স্টিভ। আইপড ও আইটিউনস মিউজিক স্টোর তাঁর কাছ থেকে পেয়েছিল বিশ্ব।
আইফোন এসেছিল তাঁর হাত ধরে
আইপডের সফলতার গল্প ফুরাতে না ফুরাতে স্টিভ জবস দুনিয়াকে বদলে দিয়েছিলেন আইফোন বাজারে ছেড়ে। ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে আইফোনের যাত্রার মধ্য দিয়ে মূলত স্মার্টফোনের যুগ শুরু। আইফোন আসার আগে কোনো মোবাইল ফোনে ক্যাপাসিটিভি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লের ব্যবহার কেউ দেখেনি। এতে শুধু গান শোনাই নয়, এতে ইন্টারনেট ব্যবহার ও মোবাইল ফোনের সব সুবিধা ছিল। আর কী চাই? অ্যাপলের সাফল্যের ধারা আইফোন এখনো ধরে রেখেছে।
অ্যাপ ইকোসিস্টেমের পথপ্রদর্শক
স্টিভ জবসকে কোম্পানি থেকে তাড়িয়ে বিপদে পড়ে গিয়েছিল অ্যাপল। ১৯৯০ সালের দিকে আবার তিনি অ্যাপলে ফেরেন। এরপর তিনি অ্যাপলকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নেন। অ্যাপলের প্রতিদ্বন্দ্বীরা যখন নানা রকম পণ্য নিয়ে ক্রেতার পেছনে ছুটেছে, স্টিভ জবস তখন ইকোসিস্টেমের দিকে নজর দিয়েছেন। অ্যাপলের একটি পণ্য ব্যবহার করলে যাতে আরেকটি পণ্য ব্যবহারের দিকে ক্রেতার আগ্রহ তৈরি হয়, সে ধরনের পণ্য তৈরিতে কাজ শুরু করেন তিনি। আইম্যাক, আইপড, ম্যাকবুক, আইফোন, আইপ্যাড, অ্যাপল টিভি সবগুলোকে স্টিভ জবস একসূত্রে গেঁথে দিয়েছেন। ক্লাউড ও অ্যাপ স্টোরের ব্যবহারে অ্যাপলপ্রেমী তৈরি করেছেন বিশ্বজুড়ে।
নিখুঁত নকশা যাঁর ধ্যান-জ্ঞান
স্টিভ জবসের মুকুটে আরেক পালকের কথা বলা হয় তাঁর পণ্য ও সেবার মান নিয়ে। তিনি ডিজিটাল যুগের মানুষের নকশার সংবেদনশীলতাকে কাজে লাগিয়েছিলেন। অ্যাপলের পণ্যগুলোকে এমনভাবে তৈরি করেছেন, যা গ্রাহকের মনে দাগ কাটে।
প্রকৃতি ভালোবাসতেন যিনি
স্টিভ জবস ছিলেন পরিবেশবান্ধব। তাঁর সময়ে অ্যাপল পণ্যগুলোকে পরিবেশবান্ধব করার বিষয়টি নিশ্চিত করতেন তিনি। উদ্ভাবনী ও পরিবেশবান্ধব বৈশিষ্ট্য তাঁর কাছে বেশি পছন্দ ছিল। 
তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়াটাইমস

বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ওয়েব ডিজাইনাররা কিভাবে ফ্রিলান্সিং শুরু করবেন। সে বিষয়ে কিছু টিপস।


এই লেখাটি শুধুমাত্র নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য। আমরা অনেকে কোচিং সেন্টারগুলোর চটকদার বিজ্ঞাপন অথবা পত্রিকা, টেলিভিশন এবং ফেসবুকে বিভিন্ন খবর দেখে লাখ লাখ টাকা কামানোর স্বপ্ন নিয়ে ওয়েব ডিজাইনিং এর উপর বিভিন্ন কোর্স করেছি বা করতেছি। ফলে আমরা মোটামুটি কাজ জানি কিন্তু টাকা ইনকাম করার মত কোন সঠিক রাস্তা খুজে পাচ্ছিনা। আমরা সবাই জানি এবং বিশ্বাস করি এই মাধ্যম থেকে টাকা কামানো সম্ভব। আর বিশ্বাস করবো না কেন কারন আমাদের অনেক ভাই অনেক ভাল ইনকাম করছে এই মাধ্যম থেকে কিন্তু আমরা ইনকাম করতে পারছি না । আমরা অনেকে Fiverr , UpWork, Freelancer.com এবং guru সহ আরো অনেক ফ্রিলেন্সিং সাইটে একাউন্ট করে সফল হতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়ি।

হতাশ না হয়ে নতুন উদ্দমে শুরু করুন !! আমার ৩টা টিপস্ অনুসরন করুন আল্লাহ্ রহমতে সফল হবেন।

নাম্বার ১. ভালভাবে দক্ষতা অর্জনের দিকে মনযোগ দিন।

সফল হওয়ার জন্য দক্ষতা কে একমাত্র মাপকাটি হিসাবে মানুন। কোন শর্টকাট পথে সফল হওয়ার মানুষিকতা থেকে বাহির হয়ে আসুন। একটা নতুন লক্ষ নিদ্ধারন করুন যে 2018 সাল থেকে আল্লাহ্ রহমতে একটা মানসম্মত ইনকাম কোরবো এই খাত থেকে। যেহেতু ওয়েব ডিজাইন নিয়ে কাজ করছেন সেহেতু HTML এর বহুল ব্যবহারিত tag, CSS3 এর নতুন ইফেক্ট এবং jQuery এর নতুন নতুন প্লাগিন এবং jQuery ভালভাবে আয়ত্ত করার চেষ্টা করুন। ভালভাবে ইংরেজি শিখুন।  শিখার জন্য youtube এ অনেক ভাল বাংলা এবং ইংরেজি tutorial পাওয়া যায় অথবা torrant site থেকে অনেক paid tutorial download করা যায় ফ্রিতে। মানসম্মত কাজ করার জন্য সবসময় themeforest.net কে অনুসরন করুন। themeforest এ আসা নতুন template গুলিকে Inspect Element করে দেখুন অথবা Ctrl+U ক্লিক করে সোর্চ  দেখুন যে তারা কি ব্যবহার করছে কিভাবে ব্যবহার করছে। ভালভাবে তাদের markup, typography এবং jQuery প্লাগিনগুলির ব্যবহার দেখুন এবং সে অনুযায়ি অনুশীলন করুন। এরপর themeforest থেকে ৪-৫টা template থেকে ধারনা নেয়ে নিজে একটা তেরি করুন এবং সেটা themeforest এ submit করুন এবং নিজেকে যাচাই করুন। একবার না হলে বারবার চেষ্ঠা করুন এতে আপনার কাজের মান বৃদ্ধি পাবে এবং এক সময় আপনি সফল হবেন।

নাম্বার 2. নিজেকে এবং নিজের কাজকে যত পারেন ছড়িয়ে দেন।

অনেক অনেক অনুশীলন করুন এবং অনুশীলনের কাজগুলিকে ছড়িয়ে দিন যতখানি সম্ভব। কারন আপনার কাজ যতবেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবেন ততবেশি আপনার লাভ হবে। আপনি যদি ৫০ জন লোকের কাছে আপনার কাজ পৌঁছাতে পারেন তাহলে অন্তত ১-২জন লোক আপনার ক্লয়েন্ট হবে। এখন কথা হল নিজের কাজ কিভাবে ছড়াবেন? themeforest.net এ আপনার কাজ submit করেন যদি approve হয় তাহলে তো কথাই নাই এগুলু আপনার ভাল portfolio হিসাবে কাজে আসবে। এছাড়া আমার জানামত একটা সাইট আছে যেখানে আপনি আপনার অনুশীলনের করা কাজগুলো এবং themeforest এ reject হওয়া কাজগুলো upload করে নিজের পরিচিতি বাড়াতে পারেন। সাইটটি হল awesomebootstrap.net । আপনার এ কাজগুলো আপনার কম্পিউটারে রেখে কোন লাভ হবেনা কিন্তু যদি Free download এর জন্য ছড়িয়ে দেন তাহলে আপনার যেমন ওয়েব ডিজাইনার হিসাবে পরিচিতি বাড়বে এবং এগুলুকে আপনার portfolio হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন আমি একটা landing page upload করেছি।

নাম্বার ৩. চিন্তাভাবনা করে ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে একাউন্ট করে পথ চলা শুরু করুন।

প্রথমে বলবো themeforest কে কখনো পেশা হিসাবে নিবেন না। অবসর সময় themeforest এর জন্যে কাজ করবেন কারন অনেক সময় নষ্ট করে করা কাজ হয়তো আশানুরুপ বিক্রি হবে না এতে সময় এবং মেধা দুই এ ব্যয় হবে।
আমার মতে প্রথমে Fiverr.com দিয়ে শুরু করা ভাল এতে ছোট ছোট কাজ করে ক্লায়েন্টের সাথে কিভাবে কথা বলতে হবে কিভাবে কাজ জমা দিতে হবে তা জানা যায়। আসল কথা হল এর মাধ্যমে জড়তা দূর হয়। এরপর ভাল দামে কাজ করা যায় এমন একটা সাইট কে বেছে নিতে হবে আমি বলবো UpWork.com এর কথা। UpWork এ একটা paid একাউন্ট করেন এবং ছড়িয়ে দেওয়া কাজগুলিকে portfolio হিসাবে সাজান।  Free এর চিন্তা মাথা থেকে জেড়ে পেলুন যে market থেকে মাসে $500- $1000 ইনকাম করার চিন্তা করনে সেই market কে মাসে 10-20 দিতে পারবেন না ? $ কোতাথেকে আসবে ? $ আসবে Fiverr থেকে। এখন paid একাউন্ট করে প্রফেশনালদের মত কাজ করা শুরু করেন। ইনশাআল্লাহ সফলতা আসবেই।
আমি লেখালেখি খুব একটা করিনা ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

সম্পূর্ণ ফ্রীতে যেভাবে একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট খুলবেন এবং ব্লগিং শুরু করার জন্য যেভাবে সঠিক নিয়মে Post করবেন।


যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তারা অনেকেই নিজের জন্য একটা সুন্দর ওয়েব-সাইট প্রত্যাশা করেন কিন্ত কিভাবে সুন্দর একটি ওয়েবসাই তৈরি করতে হয় সে-সমস্থ নিয়ম-কানুন না জানার কারনে তারা সেটা করতে পারেন না। সেজন্যই আমি তাদের জন্য সহজ পদ্ধতিতে কিভাবে একটি সুন্দর ও মান সম্মত ওয়েব সাইট তৈরি করা যায় তার প্রকৃয়া নিয়ে আলোচনা করব।
গুগুল ব্লগ তৈরি করার জন্য  প্রথমে একটা জিমেইল আইডি’র প্রয়োজন হবে। যাদের নেই তারা  একটি জিমেইল আইডি টি খুলে নিবেন। আর যাদের রয়েছে তাদের নতুন করে আইডি খোলার প্রয়োজন নেই।
ওয়েবসাইট কিভাবে খুলবেন
ওয়েব সাইট খোলার জন্য www.blogger.com এই ওয়েব সাইটে যেতে হবে তারপর সেখানে সাইন ইন এ ক্লিক করে জিমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ব্লগারে সাইন ইন করতে হবে।  তারপর সেখানে একটি গুগল প্লাস প্রফাইল অথবা একটা সাধারণ প্রফাইল এরকম দুটি অপশর আসবে। সেখান থেকে যেকোন একটির ক্রিয়েট এ ক্লিক করতে হবে।  তারপর কনটিনিউ টু ব্লগারে ক্লিক করতে হবে।
উপরের কাজগুলো করার পর যে স্টেপটি আসবে সেখানে ক্রিয়েট এ ব্লগ নামে একটি বাটন দেখা যাবে সেখানে ক্লিক করলে একটি বড় ডায়লোগ বক্স আসবে। সেখানে যে নামে ওয়েব সাইট খুলতে ইচ্ছুক সেই নামটি টাইটেল এ লিখে দিতে হবে যদি আপনি আপনার ওয়েব সাইটটিকে প্রফেশনাল হিসেবে তৈরি করতে চান সেক্ষেত্রে অবশ্যই টাইটেলটি ইউনিক হতে হবে। তারপর বক্সের এড্রেস বা ইউআরএল অপশনে এ ওয়েব সাইটের একটি ভেলিড এড্রেস বা ইউআরএল নিজের পছন্দ তৈরি করে দিতে হবে।  তারপর সেখানে যেকোন একটি টেমপ্লেট সিলেক্ট করে দিতে হবে। ওয়েব সাইটটিকে প্রফেশনাল ওয়েব সাইট হিসেবে প্রদর্শন করারনোর এখন অসংখ্য টেমপ্লেট তৈরি হয়েছে যেগুলো ফ্রীতে ডাউলোড করা যায় সে বিষয়ে পরবর্তিতে আরেকটি টিউনে আলোচনা করবো।  এখন  ডায়লোগ বক্সের নিচে ক্রিয়েট ব্লগ বাটনে ক্লিক করলে ওয়েব সাইট তৈরি হয়ে যাবে।
এখন ব্লগারের ডেশবোর্ড এর ভিউ ব্লগ অপশনে ক্লিক করে অথবা যে এড্রেস বা ইউআরএল দিয়ে ব্লগ ক্রিয়েট করা হয়েছে সেই এড্রেস ব্রাউজারে একটি ট্যাব নিয়ে লিখে ইনটার দিলে ওয়েব সাইটি দেখতে পাওয়া যাবে।
কিভাবে সঠিক নিয়মে Post করবেন
post করার জন্য অবশ্যই নিউ Post বাটনে ক্লিক করতে হবে। অনেকেই আছেন যারা post করেন কিন্ত সঠিক নিয়মে করেন না যার কারণে তাদের post গুলো সঠিক ভাবে এসিও না হওয়ার কারনে ভিজিটর ইনক্রিস হয় না। সঠিক নিয়মে post করার জন্য যে কাজ গুলো করতে হবে সেগুলো হলো যে বিষয়ে post করা হবে সেই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট একটি post টাইটেল সিলেক্ট করতে হবে। তারপর সে বিষয়ের উপর বিস্তারিত একটি আরটিকেল  লিখতে হবে। পিলার ওয়ার্ড গুলো স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরতে হবে।  হেডার এবং সাব হেডার গুলো পয়েন্ট আকারে উল্লেখ করতে হবে। তারপর লেভেল এ ক্লিক করে সেখানে ৩ থেকে ৫ টা কিওয়ার্ড ট্যাগ হিসেবে দিতে হবে। পারমালিংক নামে যে অপশনটি রয়েছে সেখান থেকে post ইউআর এল কাসটোমাইজ করা যায়। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে পারমালিংক কাসটোমাইজ করতে হবে। তারপর পাবলিশ বাটনে ক্লিক করে post পাবলিশ করতে হবে।
এখন ব্লগারের ডেশবোর্ড এর ভিউ ব্লগ অপশনে ক্লিক করে অথবা যে এড্রেস বা ইউআরএল দিয়ে ব্লগ ক্রিয়েট করা হয়েছে সেই এড্রেস ব্রাউজারে একটি ট্যাব নিয়ে লিখে ইনটার দিলে ওয়েব সাইটি এবং post টি দেখতে পাওয়া যাবে। 

ওয়েবসাইট এর ভিজিটর বাড়ানোর সেরা ১০ টি উপায়


আপনি একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক। এখন আপনার প্রতিষ্ঠানের অনেক নিয়মিত কাস্টমার প্রয়োজন হবে যাতে করে আপনি খুব দ্রুত ব্যাবসায় সফলতা অর্জন করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে সঠিক ধারণা দেয়াটা অনেক জরুরি। এটি আপনার প্রতিষ্ঠানে ভিজিটর বাড়াতে এবং ব্যাবসার প্রচারে অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কাজেই আপনাকে পণ্যের গুণগত মানের উপর ভিত্তি করে আকর্ষণীয় পোস্ট তৈরি করতে হবে যাতে করে টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে পণ্য সম্পর্কে বেশ আগ্রহ তৈরি করতে পারেন। আপনার পোস্টগুলোতে যত ভালভাবে প্রোডাক্টগুলোর গুণগত মানের কথা উপস্থাপন করতে পারবেন তত বেশী আপনার পণ্যের নিয়মিত কাস্টমার পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আপনার প্রোডাক্টগুলোকে অতি দ্রুত গ্রাহকদের কাছে প্রচার করতে ভাল মানের পেইজ পোস্টের কোনো বিকল্প নেই। আসুন জেনে নিই কিভাবে অনেক ভাল মানের পেজ পোস্ট তৈরি করা যায় এবং এই পোস্টগুলোর মাধ্যমে কিভাবে আপনার প্রতিষ্ঠানে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াতে পারেন।
১. ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য পোস্টের লিংকগুলো ব্যাবহার করুন :
ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর পাওয়ার জন্য আপনার পোস্টের লিংকগুলো অনেক কার্যকরী ভুমিকা রাখবে কেননা পোস্টটি পড়ে অনেকের কাছেই আপনার সাইটে ঘুরে আসার আগ্রহ প্রকাশ করার সম্ভাবনা থাকে। পেইজের শেয়ারিং টুলে সাইটের URLটি যোগ করে নিন কারণ সাইটের টাইটেল, বিবরণ, ইমেজ ইত্যাদি অনেককিছুই আপনার URL থেকে পাওয়া যাবে, কাজেই আপনার পোস্টে কোন্ ধরণের টেক্সট এবং ইমেজ ব্যাবহার করবেন সেটা আপনার প্রোডাক্টের উপর ভিত্তি করে আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে। ইউজারদের কাছে এই ধরণের ভাল মানের টেক্সট এবং ইমেজের গুরুত্ত্ব অনেক বেশী, কারণ তথ্যবহুল এবং আকর্ষণীয় টেক্সট বা ছবির মাধ্যমেই তারা আপনার প্রোডাক্টের প্রতি আগ্রহ অনুভব করবে এবং সাধারণত ইউজাররাই এই ধরণের ইমেজগুলোর গুরুত্ত্ব অনেকাংশে বাড়িয়ে তুলে, তাই অবশ্যই ভাল মানের টেক্সট, ইমেজ ব্যাবহারের ক্ষেত্রে সচেষ্ট থাকতে হবে যাতে সুনিশ্চতভাবে আপনার পোস্টের ইমেজগুলো অতি দ্রুত টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে প্রচার পায়।
২. পোস্ট রিলেটেড ইমেজ এবং ভিডিও ব্যাবহার করুন  :
আপনার প্রোডাক্ট বা পণ্যের রিলেটেড ভাল মানের ছবি বা আপনার পণ্য ব্যাবহার করে লাভবান হয়েছেন এমন কাস্টমারদের ছবি শেয়ার করার চেষ্টা করুন যাতে অন্যেরাও আপনার পণ্য ব্যাবহারের ক্ষেত্রে আগ্রহ অনুভব করে। বড় মাপের মিডিয়া সাইটগুলোও এই ধরণের ভাল মানের ছবি এবং ভিডিও গুলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে আপনার পোস্টের ইমেজ এবং ভিডিও গুলো প্রচার করে থাকে। পোস্টটি যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত কিন্তু তথ্যবহুল করে লেখার চেষ্টা করুন, কারণ ইউজাররা তুলনামূলকভাবে ছোট এবং সংক্ষিপ্ত পোস্টগুলো পড়তে বেশী পছন্দ করে।
৩. ইউজার/কাস্টমারদের মতামতের উপর গুরুত্ত্ব দিন  :
আপনার অডিয়্যান্সদের জন্য আপনার পণ্যের গুণগত মান বিবেচনার সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় মতামত দেয়ার বা মন্তব্য করার সুব্যাবস্থা রাখুন এবং কাস্টমারদের আপনার পণ্যের প্রতি বিশ্বস্ততা বাড়াতে তাদের ধারণাগুলোর যথাযত গুরুত্ত্ব দেয়ার চেষ্টা করুন। ব্যাবসায় সফলতার জন্য এটি টার্গেটেড কাস্টমারদের আপনার প্রোডাক্টের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করতে বা তাদেরকে আগ্রহী করে তুলতে গুরুত্ত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে।
উদাহরণস্বরুপ আমরা  ক্রিয়েটিভ আইটি (http://www.creativeit-ltd.com/) এর কথা বিবেচনা করতে পারি। এটি একটি আই টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র যেটি প্রায় অনেকদিন থেকে আই টি সেকশানের বিভিন্ন বিষয়ের উপর অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ দিয়ে চলেছে এবং তাদের ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে তাদের অডিয়্যান্সদের জন্য প্রয়োজনীয় মতামতের সুব্যাবস্থা রেখেছে। এতে করে ইউজাররা তাদের দরকারী অনেক প্রশ্নের উত্তর খুব সহজে পেয়ে যাচ্ছে বা তারাও তাদের গুরুত্ত্বপূর্ণ মতামত জানাতে পারছে।
                                                                                                  
৪. আকর্ষণীয় ডিস্কাউন্ট এবং প্রোমোশান এর ব্যাবস্থা করুন :
অনলাইনে বিক্রি বাড়াতে বা টার্গেটেড কাস্টমারদের আগ্রহী করে তোলার জন্য নিজের পণ্যের স্পেশাল কিছু অফার দেয়ার ব্যাবস্থা করুন। আপনার প্রোডাক্টের সাথে সম্পৃক্ত পেইজের লিংকগুলো আপনার ওয়েবসাইটে যুক্ত করুন।
যেমন ক্রিয়েটিভ আই টি কোম্পানি সবসময় তাদের পোস্টগুলোর মাধ্যমে স্পেশাল কিছু অফার দেয়ার ব্যাবস্থা রাখে যা তাদের ব্যাবসায়ীক সফলতার ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক হয়। যেমন সম্প্রতি তারা গ্রাফিক্স ডিজাইনে ১০০ জন নারীর জন্য ফ্রী স্কলারশীপের বিশাল অফার চালু করে। এছাড়াও তাদের পোস্টগুলোতে সবসময় অনেক বড় বড় স্পেশাল অফারের ব্যবস্থা রাখা হয়।
৫. আকর্ষণীয় তথ্য প্রদান করুন   :
আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে যত বেশী আকর্ষণীয় তথ্য দিতে পারবেন তত বেশি কাস্টমারদের আপনার পণ্যের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পারবেন। কাজেই আপনার পেইজের সাথে যুক্ত আছেন এমন কাস্টমারদের জন্য বা আপনার পণ্যের গ্রাহক সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আকর্ষণীয় তথ্য প্রদানের মাধ্যমে তাদেরকে যথাসম্ভব আকৃষ্ট করার চেষ্টা করুন। আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে আকর্ষণীয় তথ্য, কন্টেন্ট বা ইভেন্টসের গুরুত্ত্বপূর্ণ তথ্য দেয়ার মাধ্যমেও গ্রাহকদের আকর্ষণ করার চেষ্টা করুন।
৬. সময়ের প্রতি খেয়াল রাখুন :
আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে কোন সময়ে আপনার ক্রেতারা আপনার পণ্যের প্রতি বেশী আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং কখন আপনার পোস্টগুলোর প্রতি তাদের নজর পড়ছে, সেই অনুযায়ী আপনি পোস্ট দিতে পারেন বা পোস্টগুলোর রিপ্লাই দিতে পারেন যাতে আপনার পোস্টগুলো অতি দ্রুত টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে দৃষ্টিগোচর হয়। যেমন বর্তমান কোনো উপলক্ষে বা ছুটির দিনগুলোতে আপনার পোস্টগুলোতে বেশি পরিমাণ রিপ্লাই পাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। আপনাকেও অবশ্যই যথাসময়ে তাদের মন্তব্যগুলোতে রিপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে কারন যতদ্রুত আপনি তাদের মন্তব্যগুলোর প্রতি নজর রেখে ভাল রিপ্লাই দিতে পারবেন তত দ্রুত আপনার প্রোডাক্টের প্রতি আগ্রহী ক্রেতা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
টিপস : আপনার আগাম কোনো প্রোডাক্টের বিক্রির সম্ভাবনা বাড়াতে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে থেকে প্রোডাক্টটি সম্পর্কে সবাইকে কিছুটা ধারণা দেয়ার জন্য নিয়মিত ছোটখাটো পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করুন যাতে সবাই আপনার আপকামিং প্রোডাক্টির জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে।
৭. পরিকল্পনামাপিক ক্যালেন্ডার তৈরি করুন  :
আপনার ফ্যানদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে প্রতি সপ্তাহে বা প্রতি মাসে কোন্ প্রোডাক্টের উপর আলোচনা বা পর্যালোচনা হবে তার একটি সুনির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার তৈরি করা। এটি শুধুমাত্র আপনার নিয়মিত পোস্টগুলোর জন্য সহায়ক হবেনা, বরং আপনাকে ভাল পরিকল্পনা তৈরি করতে, টার্গেটেড কাস্টমারদের আগ্রহী করতে অনেকখানি সাহায্য করবে এবং আপনার ব্যাবসার ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ ইভেন্ট বা নিউজ পেতে সাহায্য করবে। আপনার কাজের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে বা আপনার প্রোডাক্টের কাস্টমার পেতে সাহায্য করবে এরকম কয়েকটি গ্রুপের সাথে সংশ্লিষ্টতা রাখার চেষ্টা করুন।
৮. পোস্ট দেয়ার সময়সূচী নির্ধারণ করুন :
সময় নির্ধারণ করে আপনার পোস্টগুলো শেয়ার করার ব্যাবস্থা করুন। বিশেষ করে যখন আপনার প্রোডাক্টের ফ্যানরা অনলাইনে অবস্থান করবে তখন আপনার পোস্টগুলো শেয়ার করার চেষ্টা করুন যাতে পোষ্টগুলো অতিদ্রুত তাদের কাছে দৃষ্টিগোচর হয়। আপনার পোস্টটি শেয়ার করার পরে আপনি সহজেই খুজে নিতে পারবেন আপনার কোন কাস্টমাররা  অনলাইনে আছে এবং আপনার পেইজে অবস্থান করছে । আপনি চাইলে আপনার টপ পেইজের এডিট পেইজে গিয়ে এক্টিভিটি লগ সিলেক্ট করে আপনার শেয়ারকৃত পোস্টটি নির্ধারণ করে নিতে পারবেন।
৯. আপনার পোস্টগুলোকে টার্গেটেড করুন  :
আপনার পোস্টগুলো যদি বিশেষ কোনো গ্রুপের সদস্যদের উদ্দেশ্যে হয় তাহলে পেইজের শেয়ারিং টুলের নিচের বাম দিকে থাকা টার্গেট      আইকনে ক্লিক করে এড টার্গেটিং সিলেক্ট করে পোস্টটি টার্গেটেড করে নিতে পারেন। স্ত্রী/পুরুষ, রিলেসানশীপ স্ট্যাটাস, এডুকেশানাল স্ট্যাটাস, আগ্রহী ব্যাক্তি, বয়স, লোকেশান, ভাষা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা সাপেক্ষে আপনার পোস্টটি টার্গেটেড করতে পারেন।

১০. আপনার পোস্টের পারফরম্যান্স এর প্রতি নজর রাখুন  :
আপনার কাস্টমারদের সাথে পোস্টগুলোর সম্পৃক্ততা বাড়াতে বা পোস্টগুলোর প্রচার বাড়ানোর জন্য কি করা প্রয়োজন তা বুঝার জন্য নিয়মিত পেইজের সাথে এক্টিভ থাকার চেষ্টা করুন। পেইজের সাথে সম্পৃক্ত থাকার মাধ্যমে কাস্টমারদের চাহিদা সম্পর্কে আপনার যথেষ্ট ভাল ধারণা তৈরি হবে এবং তারা কোন ধরণের কন্টেন্ট এর প্রতি বেশি আগ্রহী তা বুঝতে সাহায্য করবে। কাজেই পেইজের সাথে নিয়মিত সম্পৃক্ত থাকা আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্ত্বপূর্ণ।

রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

বিল গেটসের জীবনের মজার কিছু কাহিনি



মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের জীবন কেটেছে নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ না করেই মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করা, বিশ্বের সেরা ধনী ব্যক্তির আসনে ওঠা এবং দানশীল হিসেবে খ্যাতিমান হয়েছেন তিনি। কিন্তু একসময়ের কঠোর ব্যবস্থাপক, দুর্দান্ত চিন্তক বিল গেটস কিন্তু খাবার শেষে নিজের প্লেট নিজে ধোয়ার মধ্যেই আনন্দ খুঁজে পান। তাঁর জীবনে এমন কিছু মজার ঘটনা আছে, যা আনন্দদায়ক। বিভিন্ন বই, ওয়েব ও তাঁর সহকর্মীদের সাক্ষাৎকারে এসব মজার কাহিনি উঠে এসেছে। তাঁর জীবনের এই মজার ঘটনাগুলো নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিজনেস ইনসাইডার। সেখান থেকে কিছু ঘটনা তুলে ধরা হলো:
দুষ্টু বিল গেটস
কিশোর বিল গেটস কিন্তু একেবারেই শান্তশিষ্ট ছিলেন না। স্কুলে পড়ার সময় তাঁর পছন্দের সব মেয়েকে এক ক্লাসে আনার ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি। কিশোর বিল গেটসকে স্কুল কর্তৃপক্ষ কম্পিউটার ব্যবহার করে একটি ক্লাস শিডিউল তৈরি করে দিতে বলেছিল। এই সুযোগ কাজে লাগান তিনি। তাঁর পছন্দের সব মেয়েকে দিয়ে নিজের ক্লাস ভরান।
হার্ভার্ডে পড়াশোনায় ফাঁকি
হার্ভার্ডে পড়ার সময় যেসব কোর্সের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন, তার একটিতেও হাজিরা দেননি। এর পরিবর্তে তাঁর ভালো লাগত যেসব ক্লাস, সেখানে বসে যেতেন। তবে তাঁর মুখস্থবিদ্যা ছিল দুর্দান্ত। ফলে চূড়ান্ত পরীক্ষায় তাঁকে আটকায় কে? ফলে ক্লাস না করেও সব সময় এ গ্রেড পাওয়া ছাত্র ছিলেন বিল গেটস।
পড়াশোনা থোড়াই কেয়ার
হার্ভার্ডে পড়ার সময় ২০ বছর বয়সী বিল গেটস ‘প্যানকেক সর্টিং’ নামের দীর্ঘদিনের এক গাণিতিক সমস্যার সমাধান করে ফেলেন। তাঁর অধ্যাপক যখন ওই সমাধানটি একাডেমিক পেপারে প্রকাশের কথা বলেন, তখন বিল গেটস মাইক্রোসফট নিয়ে ঝুঁকে পড়েন। হার্ভার্ডের সাবেক অধ্যাপক ক্রিস্টোস পাপাডিমিত্র লিখেছেন, ‘দুই বছর পর যখন বিল গেটসকে ডেকে বলা হলো, তাঁর সমাধানটি গণিতের সাময়িকীতে প্রকাশের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। তখন তাঁর আগ্রহ দেখা যায়নি। সে নিউ মেক্সিকোর আলবুকার্কে মাইক্রোপ্রসেসরের মতো যন্ত্রের জন্য কোড লিখতে ছোট একটি কোম্পানি চালাতে আগ্রহী।’ ক্রিস্টোট লিখেছেন, এ রকম মেধাবী একজন ছেলে গোল্লায় যাচ্ছে বলে ভেবেছিলেন তিনি।
গাড়ি চালানোর জন্য জরিমানা
জোরে গাড়ি চালানোর জন্য একবার নয়—তিনবার, তা-ও একই পুলিশের কাছে দুইবার জরিমানা দেওয়ার নজির আছে বিল গেটসের। পোরশে ৯১১ গাড়ি চালিয়ে আলবুকার্ক থেকে সিয়াটলে ফেরার সময় তাঁকে জরিমানা করা হয়। আলবুকার্ক মরুভূমিতে সাধারণত খুব জোরে গাড়ি চালাতেন গেটস। একবার এক বন্ধুর কাছ থেকে পোরশে ৯২৮ মডেলের সুপারকার ধার করে এত জোরে চালিয়েছিলেন যে তা ভেঙে যায়। এক বছর লেগেছিল তা মেরামত করতে।
গাড়ির নম্বরপ্লেট মনে রাখতেন তিনি
মাইক্রোসফটের অফিসে কর্মীরা কখন আসছেন বা যাচ্ছেন, তা গাড়ির নম্বরপ্লেট দেখে মনে রাখতেন বিল গেটস। টেলিগ্রাফকে এক সাক্ষাৎকারে বিল গেটস বলেছিলেন, ‘কর্মীরা কতটা কঠোর পরিশ্রম করছেন, তা যাচাই করতে আমার মান প্রয়োগের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হতো। আমি সবার নম্বরপ্লেট জানতাম। পার্কিংয়ে প্লেট দেখলেই বুঝতে পারতাম কে কখন আসছেন বা যাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠান বড় হয়ে যাওয়ার পর আমি এতে একটু শিথিল হই।’
গেমপোকা
কম্পিউটারে গেম খেলা বিল গেটসের পছন্দ। কিন্তু তা একসময় নেশা হয়ে গিয়েছিল। মাইনসুইপার নামের গেমটির এতই ভক্ত ছিলেন যে তাঁর মনোযোগ ঠিক রাখতে গেমটি আনইনস্টল করতে হয়েছিল। একবার যখন এক কর্মী কম্পিউটার স্ক্রিপ্ট লিখে বিল গেটসের গেমের স্কোরকে হারিয়ে দেন, তখন গেটস বলেন, যন্ত্র যদি মানুষের চেয়ে দ্রুতগতিতে কাজ করে, আমরা কীভাবে মর্যাদা রাখব?
ইকোনমি ক্লাসের যাত্রী
১৯৯০ সাল পর্যন্ত বিল গেটস কোম্পানির সব লোক নিয়ে উড়োজাহাজের ইকোনমি ক্লাসে উঠেছেন। কোম্পানির রীতি ছিল সব কর্মীকে ইকোনমি ক্লাসে যেতে হবে। বিল গেটসও তা মেনে চলতেন। গেটসের এক সহকর্মী লিখেছেন, ১৯৯০ সালে মাইক্রোসফটে যোগ দেওয়ার পর এক ব্যবসায়িক ভ্রমণে বিল গেটসের সঙ্গে তিনি ইকোনমি ক্লাসে গিয়েছিলেন। ওই সময় মাইক্রোসফট বড় প্রতিষ্ঠান হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বড় প্রতিষ্ঠানের প্রধান হয়েও কর্মীকে নিয়ে ইকোনমি ক্লাসে যেতে গেটসের মধ্যে কোনো অস্বস্তি দেখেননি তিনি। তিনি মাঝখানের সিটে বসেছিলেন। সারা পথ বই পড়তে পড়তে গিয়েছিলেন গেটস। পরে অবশ্য বিল গেটস নিজস্ব জেট বিমান কিনেছেন।
কারিগরিতে ওস্তাদ
বিল গেটসকে কারিগরি দিক থেকে ফাঁকি দেওয়া সম্ভব নয়। কোনো সফটওয়্যার তৈরির মাঝপথে তিনি বাগড়া দেন না। কিন্তু এক মিনিটের জন্যও তাঁকে বোকা বানানো সম্ভব নয়। কারণ, তিনি একজন সত্যিকারের প্রোগ্রামার।
স্বেচ্ছাসেবী
খাবারের পর, বিশেষ করে রাতের খাবারের পর নিজের প্লেট নিজে ধুয়ে ফেলেন তিনি। তিনি বলেন, অন্যরা সাহায্য করতে চাইলেও নিজের কাজ নিজে করতে পছন্দ করেন তিনি।
মজার মানুষ
একবার এক সাক্ষাৎকারের সময় হুলুস্থুল কাণ্ড বাধিয়ে বসেন বিল গেটস। সাংবাদিককে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেন তিনি। ওই সময় বাথরুমের গিয়ে নিজেকে আটকে রাখেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সাংবাদিক ক্ষমা না চান, ততক্ষণ বাথরুমে বসে থাকার হুমকি দেন। তাতে কাজ হয়। মাইক্রোসফটের প্রতিবেদক ম্যারি জো ফলি এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান। ফলি বলেন, মজার একটি ঘটনা এটি। কমডেক্স নামের এক সম্মেলনের সময় কয়েকজন সাংবাদিক মিলে গেটসের সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন। ওই সময়কার বিখ্যাত সাংবাদিক জন ডজ খেপিয়ে দেন বিল গেটসকে। অবশ্য তাঁর সাক্ষাৎকার নেওয়ার ধরন ছিল অন্যদের চেয়ে আলাদা। তিনি বিল গেটসকে ‘বাজারের সংজ্ঞা কী’ জাতীয় প্রশ্ন করেন। এতে বিল খেপে যান এবং উঠে গিয়ে বাথরুমে যান এবং নিজেকে আটকে রাখেন। বলেন, জন ক্ষমা না চাইলে আর বেরোবেন না। জন তখন বাথরুমের দরজার সামনে গিয়ে বলেন, ‘আই অ্যাম সরি।’

শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ফেসবুক ফান পেজে আপনার ব্লগ এর পোস্টগুলো অটোপোস্ট করুন


আপনি যখন একটি ব্লগ তৈরি করেন ঠিক তখন পাশাপাশি আপনি চান জ ফেসবুকেও এর একটি পেজ খুলতে। পেজ ঠিকই খুলেন কিন্তু আপনি আপনার ব্লগ এ পোস্ট করলেও, আপনার ফেসবুক ফান পেজ এ পোস্ট করার টাইম হয় না। তাই আজ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে আপনার ব্লগ ( ব্লগার.কম) এর পোস্ট ফেসবুক এ অটো পোস্ট করবেন।
নিচের ক্রমানুসারে কাজ করবেনঃ

১) আপনার ফেসবুক এ লগিন করুন
২)সার্চ বক্স এ সার্চ দিন “NetworkedBlogs.”
৩) আপানার ফেসবুক এর “app” থেকে “Register a Blog” এ ক্লিক করুন। এবং আপনার ব্লগ এর বিস্তারিত দিন।
ভাল টপিক দিবেন যেন আপনার ব্লগটি সহজে খুজে পাওা জায়।
৪) রেজিস্টার করার পর আপনার , Edit Details এ ক্লিক করুন এবং RSS or ATOM feed যোগ করুন।
৫) এখন আপনার “NetworkedBlogs. এ জান এবং “Syndication,” এ ক্লিক করুন।
৬) “auto-publish to personal profile” এটি চেক করুন
৭) এবার আপনি একটি টেস্ট পোস্ট পাবলিশ করুন।
৮)যদি টিক মত পাবলিশ হয় তাহলে আপনার কাজ হয়ে গেছে।
এবার আপনার ইচ্ছা মত ব্লগ এ পোস্ট করুন আর দেখুন যে ফেসবুক পোস্ট এ অটো পাবলিশ হচ্ছে

টিভিতে আসছে ফেসবুক


ভিডিও কনটেন্টের ওপর নিজেদের দৃষ্টি আরও ভালোভাবে স্থাপন করতে যাচ্ছে ফেসবুক। নিজেদের প্ল্যাটফর্মের ভিডিওগুলো আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে ফেসবুক এবার টেলিভিশন অ্যাপ লঞ্চ করার ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং কোম্পানি নতুন একটি টিভি অ্যাপ আনছে যেটি অ্যাপল টিভি, অ্যামাজন ফায়ার টিভি, স্যামসাং স্মার্ট টিভি ও অন্যান্য সেট-টপ বক্স ভিত্তিক টিভি সেটে চলবে।
ফেসবুকের এই টেলিভিশন অ্যাপ ব্যবহার করে বাসার টিভিতে আপনি ফেসবুকের বিভিন্ন ভিডিও দেখতে পারবেন। প্রতিদিন ফেসবুকে যেসব ভিডিও ক্লিপ আপলোড হচ্ছে সেগুলো সহ ফেসবুক লাইভ ভিডিওগুলোও দেখা যাবে এই টিভি অ্যাপের মাধ্যমে। অর্থাৎ ফেসবুকের ভিডিও এবার টিভি স্ক্রিনে চলে আসবে।
ফেসবুক সিইও মার্ক জাকারবার্গের মতে, বর্তমান যুগ হচ্ছে ভিডিওর জন্য নব্য স্বর্ণ যুগ। আর ভিডিও কনটেন্ট থেকে আরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী তৈরির জন্য ফেসবুকে ইতোমধ্যেই ভিডিও পোস্টগুলোকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। কোনো কোনো সংবাদপত্র ফেসবুক লাইভ ভিডিও তৈরির জন্য ফেসবুকের কাছ থেকে অর্থও পেয়ে থাকে।
ফেসবুকের এই টিভি অ্যাপ ঠিক কবে রিলিজ হবে তা এখনও জানা যায়নি, তবে কোম্পানিটি বলছে ‘খুব শীঘ্রই’ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করার জন্য উপলভ্য হবে।

ব্লগ থেকে আয় করার কিছু কৌশল



এইতো কিছুদিন আগের কথা যখন নিজের লেখা উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া ছিল বেশ কঠিন থেকে কঠিনতর, বড় পত্রিকায় ছাপার সুযোগ পান খুবই কমসংখ্যক লেখক। আর এখন এসেছে ইন্টারনেটের যুগ। মুহূর্তের মধ্যে আপনার কোন লেখা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন সহজেই। আর এই লেখা থেকে আয়? সে সুযোগ তো মেলে ভাগ্যবানদের। তবে অবস্থাটা দ্রুতই বদলেছে, ঘরে ঘরে ইন্টারনেট আসার হাত ধরেই এসেছে ব্লগিং। নিজের মতামত, লেখা, ছবি সবকিছুই মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সহজ উপায় ব্লগ বা নিজের কোন ওয়েবসাইট। নিয়মিত লিখতে লিখতে তৈরি হয়ে যায় পাঠককূলও। আর হ্যাঁ এই ব্লগই হয়ে উঠতে পারে আপনার আয়ের উত্সও। নিচে কিছু আয়ের কৌশল দেওয়া হলঃ-

বিজ্ঞাপন প্রকাশ

বিজ্ঞাপন প্রকাশ সবথেকে সহজ ও প্রচলিত উপায়। যদি আপনি প্রথমবার আপনার ব্লগ থেকে আয়ের কথা ভাবেন তাহলে বেছে নিন যেকোন এড কোম্পানির বিজ্ঞাপন। সারা পৃথিবীতেই ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে তা থেকে আয় একটি চালু উপায়, আর আমাদের দেশেও তা সমান জনপ্রিয়।


কিভাবে কাজ করে -আপনার ব্লগের যেকোন জায়গায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করুন, পাঠক যদি সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেন তাহলেই আপনি টাকা পাবেন।

আপনার ব্লগে কীভাবে এটি ব্যবহার করবেন-
প্রথমেই বেছে নিন একটি বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। ব্লগার এবং বিজ্ঞাপনদাতা উভয়ের মধ্যেই সবচেয়ে জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কটি হল গুগলের AdSense। আরো রয়েছে popsup.net ( আমি এটা ব্যাবহার করি)BidVertiser, Infolinks এর মতো অন্য নেটওয়ার্কও।
প্রথমে যে সাইট পছন্দ হবে সেখানে সাইন আপ করে সব কাজ সম্পাদন করুন। আপনার ইমেলে একটা এক্টিভেশন মেইল যাবে সেখানে ক্লিক করে এক্টিভ করুন। এবার সাইট থেকে বিজ্ঞাপন কোড নিয়ে আপনার ব্লগে প্রকাশ করবেন। আপনি আপনার পছন্দ মতো জায়গায় এটি প্রকাশ করতে পারেন, যেমন আপনি এটিকে লেখার মাঝে বা লেখার পাশের বারে রাখতে পারেন।আপনি বিজ্ঞাপন কোডটি ঠিক স্থানে রাখার দু’ঘন্টার মধ্যেই বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে তা আপনার ব্লগে প্রকাশ করা হবে এবং বিজ্ঞাপনটি আপনার ব্লগে দেখাবে।


বেশি আয় করবেন কীভাবে-
কিভাবে বেশি আয় করবেন তা আপনারা ভাল করেই জানেন। ব্লগে যত ভিজিটর হবে এবং তারা যত এড এ ক্লিক করবে তার উপর আপনি টাকা পাবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়ঃ

বলা সহজ করা খুব কঠিন। এফিলিএট মার্কেটিং করে আয় করা এতো সহজ না। তবে একটু পরিশ্রমী এবং কৌশলী হলে ভাল ইনকাম আশা করা যায়। ব্লগে লেখার মাধ্যমে কোনও একটি পণ্য বা পরিষেবার প্রচার করতে হবে আপনাকে। পণ্য বা পরিষেবাটি বাছার বিষয় সতর্ক হোন। আপনার পাঠকরা কী কিনতে চাইতে পারে সেটি বুঝে নিতে হবে আপনাকে। এরজন্য প্রয়োজন গবেষণা ও বিশ্লেষণ। প্রচার করার সময়ও হতে হবে সাবধানী, পাঠক আপনার লেখা পড়তে আপনার ব্লগে আসেন, সারাক্ষণ পণ্য বা পরিষেবার প্রচার দেখলে তিনি বিরক্ত হতে পারেন।

কীভাবে কাজ করেঃ- লেখার সঙ্গে পণ্য বা পরিষেবাটির লিঙ্ক আপনার ব্লগে প্রকাশ করতে হবে। যখন পাঠক সেই লিঙ্কে ক্লিক করবেন বা কিনবেন আপনি কমিশন পাবেন।
আপনার ব্লগে ব্যবহার করার উপায় জেনে নিন
নিচে কয়েকটি প্রচলিত অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক Clickbank, OMG India, Trootrac media এগুলো ছাড়াও অনেক আছে । এখন মনে পড়ছেনা। এছাড়াও ফ্লিপকার্ট বা আমাজনের মতো কোম্পানিতে মার্কেটিং অ্যাফিলিয়েট হিসেবে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।এখানেও কাজ করে অনেক আয় করতে পারেন।
সাইন আপ শেষ হলে সাইন করে উপযুক্ত লিঙ্ক বা বিজ্ঞাপনটি আপনার ব্লগে যোগ করুন।


কত টাকা পেতে পারেন- কোন ভিজিটর যদি সেই লিংকে ক্লিক করে ঐ সাইটে গিয়ে পণ্যটি কিনে তাহলে আপনি টাকা পাবেন। এখানে নির্দিষ্ট হারে কমিশন পেতে পারেন।।

কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন প্রকাশ

কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন প্রকাশ মানে হল কোনও কোম্পানির সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাদের বিজ্ঞাপন ব্লগে প্রচার করা। এরফলে অ্যাডনেটওয়ার্ককে বাদ দিয়েই বিজ্ঞাপন দিতে পারছেন আপনি, বাড়ছে আয়। এছাড়াও আপনিই ঠিক করছেন কোন বিজ্ঞাপন দেবেন ও তার জন্য কতটাকা ধার্য্য করবেন, ফলে নিয়ন্ত্রণ থাকছে আপনার হাতে। তবে কোনও কোনও ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি খুবই ভাল কাজ করলেও অনেকক্ষেত্রে একেবারেই কার্যকরী হয়না।


কীভাবে কাজ করে
আপনি ব্লগে বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ করবেন, যখনই কেউ সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে আপনি টাকা পাবেন।

আপনি কি ইউটিউবকে কেন্দ্র করে আয় করতে চান?



আমরা সকলেই জানি যে একটা ইউনিক আইডিয়া নিয়ে ভিডিও বানালে আপনি কি পরিমাণ আয় করতে পারেন তা ভাবতে পারবেন না। তাই আমরা স্বভাবতঃ ভিডিও তৈরির জন্য যে সব আইডিয়া নিয়ে ভিডিও বানাই তা হচ্ছে টিউটোরিয়াল(আমি এটা নিয়ে কাজ করি),প্রাঙ্ক ভিডিও অথবা অন্যের ভিডিওর ভেতরে সিমাবদ্ধ থাকে মানে কপিপোস্ট নিয়ে কাজ করে। আবার অন্যদিকে নতুনদের কথা যদি ভাবতে যাই তাহলে তারা  মনে করে ভিডিও বানানো হয়তো বেশ শ্রম এবং ব্যায়সাধ্য ব্যাপার।আসলে আপনি এখানে লাইফ টাইম আয় করতে এসেছেন তাই আপনাকে এটা মেনে নিয়েই কাজ করতে হবে যে আপনাকে কষ্ট করেই টাকা আয় করতে হবে

আপনি যদি একটু পরিশ্রমী হোন তাহলে ভাবুন আপনি কোন জিনিসটা ভালো পারেন। ছবি আঁকা শেখানো, নাচ, গান,  সাজগোজ, মাইক্রোকন্টোলিং, রান্নাবান্না, সাইকেল স্টান্ট, অথবা ডেইলি মুভি,নিউজ, খেলাধুলার আপডেট ইত্যাদি। এর মধ্যে আপনাকে বেছে নিতে হবে যে আপনি কোন কাজটি সবচেয়ে ভাল পারেন। এসবের ভেতর কোন না কোন একটা জিনিসে আপনার অবশ্যই আগ্রহ আছে।আপনি সেটিকে বেছে নিয়ে সেটির উপরে ভিডিও বানাতে পারেন।আর আপনি এমন একটি বিষয় নির্বাচন করবেন সেটার প্রতি মানুষের যেন চাহিদা থাকে। 
আপনি যদি আপনার আগ্রহের বিষয়টিকে আপনার চ্যানেলের নিশ করে নিন তাহলে নিঃসন্দেহে ভিডিও ক্রিয়েশনটা ভালো হবে। প্রতিদিন ভিডিও আপলোড করার দরকার নেই। সপ্তাহে একটা অথবা মাস দুইটা করে ভালো ভিডিও আপলোড করুন। আর ভিডিও সব জায়গায় ছড়িয়ে দিন। 

কি কি লাগবেঃ-

ইন্টারনেট সহ একটি কপিউটার বা মোবাইল ফোন। ভিডিও রেকর্ড এনাবেল একটি স্মার্ট ফোন এবং ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার ছাড়া কোন খরচই লাগবে না এই আইডিয়া গুলো নিয়ে কাজ করতে।

আসুন আইডিয়া গুলি জেনে নেইঃ-


ঘরোয়া কাজের উপর ভিডিও বানাতে পারেনঃ–
যেমন বই বাধাই করা, ঘোলা আয়না কি করে পরিষ্কার করা যায়,রান্নাবান্না, সেলাই, বাগান পরিচর্যা এসব টপিকের উপর ভিডিও বানাতে পারেন। এসব জিনিস অনেকেই খুজে ইউটিউবে। তার মানে বেশ ভালো অঙ্কের সাবস্ক্রাইবার পাবেন।
পেইন্টিং – পেন্টিং মানে ছবি আকা না। পেইন্টিং মানে বিশাল একটাবিষয়। আপনি যদি ভালো আঁকতে পারেন তাহলে আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলে থ্রিডি পেইন্ট, ইলিউসন পেইন্ট, ফর্মাল পেইন্ট,এসবের উপর নিজের বানানো ভিডিও আপলোড করতে পারেন। এই ভিডিও গুলো যদি ক্রিয়েটিভ এবং সহজ কিছু স্টেপের মাধ্যমেউপস্থাপন করেন তাহলে এটিই হতে পারে আপনার মুল কাজের এবং আয়ের ক্ষেত্র।

হয়ে যেতে পারেন শিক্ষক – 

আপনি হয়তো পিয়ানো, গীটার, তবলা বাজাতে পারেন। অথবা আপনি অনেক ভালো নাচতে পারেন। এখন আপনার মোবাইলফোনটি ব্যাবহার করুন। ইউটিউবএ আমাদের বাংলাদেশি এখনো কোন চ্যানেল নাই যেখানে পিয়ানো, গীটার, নাচ অথবা গান শিখানো হয়। আপনি পারলে আপনিও শুরু করতে পারেন। বেশ সাড়া পাবেন।
খেলাধুলার উপর কিছু ভিডিও করতে পারেন – হয়তো আপনি অনেক ভালো সাইকেল চালাতে পারেন অথবা ভালো ক্রিকেট, ফুটবল খেলতে পারেন। আপনি আপনার চ্যানেলে বিভিন্ন রকম ক্রিকেটের ভালো শর্ট খেলার কৌশল, ভালো ফুটবল খেলার কৌশল, সাইকেলের হরেক রকম স্টান্ট, শেয়ার করতে পারেন। 

অরিগামি টাইপের জিনিসের উপর ভিডিওঃ–

অরিগামি মানে কাগজকে টুকরা না করে শুধু মাত্র ভাজ করে সেটি দিয়ে পাখি, নৌকা, ফুল এই টাইপের জিনিস বানানো। এছাড়া ফেলনা জিনিসকে (প্লাস্টিকের বোতল, পুরাতন কলম, পন্য বহনকারি কার্টুন,ফেলে দেওয়া বাক্স) কাজে লাগিয়ে কি করে ব্যবহার যোগ্য জিনিস বানানো যায় তার উপরে অসংখ্য ক্রিয়েটিভ ভিডিও বানাতে পারেন।
মাইক্রোকন্টোলিং নিয়ে ভিডিও  –

জিনিসদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। রোবট, সার্কিট, ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে গ্রুপের এক জন একটা চ্যানেল করা উচিত। নিজের বানানো অথবা অন্যের আইডিয়া থেকে বানানো প্রজেক্ট গুলো নিয়ে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করে ভিডিও বানানো যেতে পারে (কেও সাবস্ক্রাইব না করলেও আমি করবো)। তাছাড়া আপনি চ্যানেলে আরো কিছু ভিডিও রাখতে পারেন যেমন নষ্ট রিমোট, টর্চ, ক্যালকুলেটর, প্রয়োজনিয় ইলেক্টনিক্স জিনিসপত্র কি করে ঠিক করা যায় তার উপর। এক বন্যাশেয়ার পেতেও পারেন।

নিজেকে ভালো করে উপস্থাপন 
আপনি বিশ্বাস করুন আপনার অনেক মেধা আছে। সুন্দর করে আপনি মোবাইলে ভিডিও রেকর্ড অন করে আপনি সাম্প্রতিক সময়ের কিছু ঘটনাকে মজার কিছু ভঙ্গিমাতে উপস্থাপন করতে পারেন।পারলে বন্ধুদের হেল্প নিতে পারেন। মনে রাখবেন মানুষ অধিকাংশ সময় বিনোদনের জন্যই ইউটিউবে যায়। আপনি যদি আপনার এইরকম বিনোদন মুলক চ্যানেলের মাধ্যমে যুক্তি-যুক্ত কিছু তুলে ধরতে পারেন তাহলে সাবস্ক্রাইবার তর তর করে বেড়ে যাবে।তাছাড়া আপনি যদি নিজেকে আর ভালো করে উপস্থাপন করতে পারেন তাহলে আপনি পাঠ্যবইয়ের কিছু বিশ্রী সমস্যার সহজ এবং সাবলীল সমাধান দিতে পারেন আপনার ভিডিওতে। যেমন পিথাগোরাসের সেইউপপাদ্য, নিউটনের দাঁতভাঙ্গা প্রস্তাবনার সমাধান, গাণিতিক বিখ্যাত সমস্যা গুলোর সমাধান। আর অবশ্যই ভিডিও আপলোড করার পরে এসইও করার কথা ভুলবেন না।

নতুন আপডেট হতে পারে একটি চ্যানেল আইডিয়া –

এই আইডিয়া কতটা কার্যকর জানি না। তবে আমি বিদেশি কিছু নামি চ্যানেলে দেখেছি এটা। ওদের কাজ হল ওরা তাদের চ্যানেলের মাধ্যমে সাম্প্রতিক হয়ে যাওয়া ঘটনা, দুর্ঘটনা, খেলার গুরুত্বপূর্ণ হাইলাইট,এসব উপস্থাপন করে। আপনিও কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন। তবে ভিডিও কপি করা থেকে দূরে থাকবেন। নিজে উপস্থাপন করবেন।লাগলে কিছু ছবি এড করতে পারেন। সরাসরি কপি করবেন না।
একটু আলাদা করে ভাবুন। দেখবেন ভিডিও ক্রিয়েশন আইডিয়ার অভাব পরবে না।