http://protoster.blogspot.com/

Information লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Information লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭

চালু হলো স্বাস্থ্যসেবার নতুন অ্যাপ





ঘরে বসে চিকিৎসকদের পরামর্শ, সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ, স্বাস্থ্যপরীক্ষার প্রতিবেদনসহ নানা সুবিধা নিয়ে চালু হয়েছে ‘বিডিইএমআর’ নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন। ১ মার্চ বুধবার ঢাকা ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে অ্যাপটির উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
‘বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড’ বা সংক্ষেপে ‘বিডিইএমআর’ অ্যাপটির নির্মাতা চিকিৎসক অসিত বর্ধন।
অ্যাপ নির্মাতার ভাষ্য, অ্যাপটির মাধ্যমে সহজে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসাসংক্রান্ত ভোগান্তি কমবে। গুগল প্লেস্টোর থেকে অ্যাপটি বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা যাবে। অ্যাপে রোগীর চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যায়। এ ছাড়া রক্তচাপ, রক্তে চিনিসহ বিভিন্ন পরীক্ষার ফল এতে সংরক্ষণ করা যায়।

ইন্টারনেটে এখন প্রায় ৩৩ কোটি ডোমেইন নাম



২০১৬ সালের শেষ তিন মাসে ইন্টারনেটে ২৩ লাখ ডোমেইন নাম যুক্ত হয়েছে। এতে ২০১৬ সালের শেষ পর্যন্ত ইন্টারনেটের দুনিয়ায় মোট নিবন্ধিত ডোমেইন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ৯৩ লাখ। গত বুধবার ডোমেইন নাম ও ইন্টারনেট নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভেরিসাইন এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
‘ডোমেইন নেম ইন্ডাস্ট্রি ব্রিফ’ নামের প্রতিবেদনে ভেরিসাইন বলেছে, ২০১৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের চেয়ে পরের প্রান্তিকে ডোমেইন নাম নিবন্ধনের হার ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। অবশ্য বা​র্ষিক তুলনা করলে ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে।
২০১৬ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে ডটকম ও ডটনেট মিলে টপ লেভেল ডোমেইনস (টিএলডিএস) নিবন্ধন দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ২২ লাখ। বার্ষিক ডোমেইন নিবন্ধন বৃদ্ধির হার বেড়েছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ।
২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসেবে ডটকম ডোমেইন নিবন্ধন হয়েছে ১২ কোটি ৬৯ লাখ আর ডটনেট নিবন্ধন হয়েছে ১ কোটি ৫৩ লাখ।



তথ্যসূত্র: আইএএনএস।

যে দশ ভাষায় সবচেয়ে বেশি মানুষ কথা বলে



গোটা বিশ্বে কয়েক হাজার ভাসা প্রচলিত আছে। ২০০৯ সালে ৬ হাজার ৯০৯টি ভাষার তালিকা প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল। বিভিন্ন প্রয়োজনে এক ভাষাভাষী মানুষকে রপ্ত করতে হচ্ছে দ্বিতীয় কোনো ভাষা।
তবে পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়লেও কমছে ভাষার সংখ্যা। কত ভাষা যে এরই মধ্যে হারিয়ে গেছে তার কোনো লেখাজোকা নেই। ২০১৪ সালে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১০টি ভাষার তালিকা প্রকাশ করেছে ডেইলি নিউজ ডিগ নামে একটি ওয়েবসাইট। এ ভাষাগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো।
মান্দারিন : ২০১৪ সালে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষা মান্দারিন। চীনের জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় এ ভাষাভাষীর সংখ্যা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি। খুব কঠিন হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বের প্রায় ১০০ কোটি মানুষ এ ভাষায় কথা বলে। চীন ছাড়াও তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশে এ ভাষার প্রচলন রয়েছে।
ইংরেজি : আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজি। ভালো চাকরি, ব্যবসার প্রয়োজনে অনেককেই এ ভাষা শিখতে হয়। অনেক দেশের রাষ্ট্রভাষাও এটি। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৫০ কোটি ৮০ লাখ মানুষ ইংরেজিতে কথা বলে। ২০১৪ সালে সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষার তালিকায় এটি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
হিন্দি : ভারতের এক একটি প্রদেশের মানুষ এক এক ভাষায় কথা বলে। তবে দেশটির জাতীয় ভাষা হিন্দি। বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ৪৯ কোটি ৭০ লাখ মানুষ এ ভাষায় কথা বলে।
স্প্যানিশ : স্পেন, ব্রাজিল ছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় ভাষা স্প্যানিশ। ২০১৪ সালে বিশ্বে স্প্যানিশ ভাষাভাষীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৯ কোটি ২০ লাখ।
রাশিয়ান : রাশিয়ান ভাষায় কথা বলে বিশ্বের ২৭ কোটি ৭০ লাখ মানুষ। রাশিয়ার বাইরে আরো কয়েকটি দেশে এ ভাষা ব্যবহৃত হয়।
আরবি : মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সবগুলো দেশের ভাষা আরবি। বর্তমানে প্রায় ২৪ কোটি ৬০ লাখ মানুষ আরবিতে কথা বলে। এছাড়া, মুসলমানদের ধর্মীয় ভাষা হওয়ার কারণে এ ভাষার সঙ্গে পরিচয় আছে শতকোটিরও বেশি মানুষের।
বাংলা : ২০১৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষার তালিকায় ৭ম স্থানে রয়েছে বাংলার নাম। এ ভাষাভাষী ২১ কোটি ১০ লাখ মানুষের অধিকাংশই বাংলাদেশি। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন স্থানের বাসিন্দারা বাংলায় কথা বলে। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে বাংলাভাষী মানুষ।
পর্তুগিজ : বিশ্বের প্রায় ১৯ কোটি ১০ লাখ মানুষ পর্তুগিজ ভাষায় কথা বলে। ইউরোপের দেশগুলোতে ভাষাটি বেশ জনপ্রিয়।
মালয়-ইন্দোনেশিয়ান : ২০১৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষার তালিকায় ৯ম স্থানে রয়েছে এ ভাষার নাম। মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুরে ব্যবহৃত ভাষাটিতে কথা বলে প্রায় ১৫ কোটি ৯০ লাখ মানুষ।
ফ্রেঞ্চ : ফ্রেঞ্চ ভাষায় কথা বলে ১২ কোটি ৯০ লাখ মানুষ। ফ্রান্স ছাড়াও বিশ্বের আরও অনেক দেশে এ ভাষাটি ব্যবহৃত হয়।

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ইন্টারনেটে সব অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার উপায়



যদি আপনার মনে হয় যে, অনলাইন জীবন যথেষ্ট হয়েছে, আর নয়, তাহলে আপনার এ সিদ্ধান্তের পক্ষে দারুন সমাধান রয়েছে।
সুইডেনের একটি ওয়েবসাইট বিশ্বের যে কাউকে সুযোগ দিচ্ছে, একটি বাটনে ক্লিক করেই ইন্টারনেটের সব কর্মকাণ্ড মুছে ফেলার। আপনি কেবল আপনার ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিলেই, আপনার ওই মেইল সংশ্লিষ্ট সকল অ্যকাউন্ট মুছে যাবে।
সুইডিশ প্রোগ্রামার উইল ডালবো এবং লিনাস আনব্যাক তৈরি করেছেন অভিনব সেবার Deseat.me নামক এই ওয়েবসাইট। গুগলে আপনার যত অ্যাকাউন্ট রয়েছে সব ইন্টারনেট থেকে মুছে যাবে সাইটটির মাধ্যমে। ব্যবহারকারীর তথ্য অ্যাকসেস করতে গুগল অ্যালফ প্রটোকল ব্যবহার করে এ সেবা দেয়া সাইটটি।
জিমেইল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত ফেসবুক, এভারনোট এবং ড্রিবল থেকে শুরু করে ইউটিউব, লিংকডইন সব ধরনের অ্যাকাউন্ট ইন্টারনেট থেকে মুছে ফেলতে পারবেন।
সাইটটি দাবী করেছে, ‘আপনি একটি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ইন্টারনেটে যতগুলো সাইট ও সেবায় অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন তার পুরো লিস্ট হাজির করা হবে। সবগুলো অ্যাকাউন্ট একসঙ্গে মুছে ফেলার সুবিধা ছাড়াও চাইলে কোন অ্যাকাউন্ট রাখবেন আর কোনটা রাখবেন না, সেটাও নির্ধারণ করে দেওয়ার সুবিধা রয়েছে।’
‘আর যেহেতু গুগলের অ্যালফ প্রটোকল ব্যবহার করে এ সেবা দেওয়া হচ্ছে, তাই ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রবেশের কোনো সুযোগ আমাদের নেই।’
যা হোক, আপনার যদি ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইটে অনেক বেশি অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে, তাহলে এ সাইটের মাধ্যমে লিস্ট দেখে অপ্রয়োজনীয় অ্যাকাউন্ট চাইলে মুছে দিতে পারেন।
ইন্টারনেট থেকে কি আসলেই উপস্থিতি মুছে ফেলা সম্ভব?
ইন্টারনেট থেকে অ্যাকাউন্ট বাদ দেওয়ার মানে এই নয় যে, আপনি সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে গেছেন।
উদাহরণস্বরুপ, সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রোফাইল ডিলিট করে ফেলার পরও, অন্য প্রোফাইলে আপনার রেকর্ড থেকে যায়, যেমন অন্যের কোনো পোস্টে লাইক, শেয়ার প্রভৃতি।
এছাড়া অ্যাকাউন্ট মুছে ফেললেও গুগল সহ অন্যান্য অনেক সেবাদাতা একটি অন্তবর্তী সময়কাল প্রদান করে থাকে, যাতে ব্যবহারকারী তার মত পরিবর্তন করলে যেন পুণরায় অ্যাকাউন্ট অ্যাকটিভেট করতে পারে।
তথ্যসূত্র : ডেইলি মেইল

রোববার বলয়গ্রাস সূর্য গ্রহণ



রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বলয়গ্রাস সূর্য গ্রহণ ঘটবে। এদিন গ্রহণটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬টা ১০ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় গ্রহণ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৭ টা ১৬ মিনিট ০৬ সেকেন্ডে। সর্বোচ্চ গ্রহণ হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৫৩ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ শেষ হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ৩০ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে এবং গ্রহণ শেষ হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে ০০ সেকেন্ডে।
আইএসপিআর আরও জানায়, রোববার বাংলাদেশে গ্রহণটি দেখা যাবে না। তবে গ্রহণটির কেন্দ্রীয় গতিপথ হবে ঐদিন চিলির হুয়ান ফার্নান্ডেজ দ্বীপের পশ্চিমে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে।
গ্রহণ শুরু হবে স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫০ মিনিট ১৯ সেকেন্ডে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ শুরু হবে স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৪০ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডে চিলির ইস্টার দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে। সর্বোচ্চ গ্রহণ হবে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৪৮ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডে। যুক্তরাজ্যের ত্রিস্তান দ্য কুনহা দ্বীপের পশ্চিমে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে। যার সর্বোচ্চ মাত্রা হবে ০.৯৯২ এবং স্থায়িত্বকাল হবে ১ মিনিট ২২ সেকেন্ড।
কেন্দ্রীয় গ্রহণ শেষ হবে স্থানীয় সময় সন্ধা ৬টা ১৯ মিনিট ২২ সেকেন্ডে গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর মাওয়াদিঙ্গশু শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং গ্রহণটি শেষ হবে গ্যাবনের এনয়ুগা শহরের উত্তরে স্থানীয় সময় সন্ধা ৬টা ১৩ মিনিট ২১ সেকেন্ডে।

শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

আজ স্টিভ জবসের জন্মদিন


আজ যদি স্টিভ জবস বেঁচে থাকতেন তবে ৬২তম জন্মদিন পালন করতেন। তবে তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনে এমন কিছু চমৎকার ছাপ রেখে গেছেন, যা আজও প্রযুক্তিবিশ্ব শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।
১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে জন্ম স্টিভ জবসের। অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ছিলেন তিনি, মারা যান ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের চোখে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন স্টিভ জবস এই বিশ্বকে তাঁর জাদুর ছোঁয়ায় বদলে দিয়েছিলেন। তাঁর হাত ধরেই এসেছিল স্মার্টফোনের বিস্ময় ‘আইফোন’।
বিশ্বকে বদলে দেওয়া স্টিভ জবসের কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে জেনে নিন:
অ্যাপলকে বিশ্বসেরা করতে চেয়েছিলেন
একটি গ্যারেজে যাত্রা শুরু হয়েছিল অ্যাপলের। স্টিভ জবস চেয়েছিলেন সে সময়ের বিশ্বের প্রধান কম্পিউটার নির্মাতা আইবিএমের সঙ্গে টক্কর দিতে। এখন আইবিএম শুধু সফটওয়্যার ও সার্ভিস কোম্পানি আর অ্যাপল একাধারে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। স্টিভ জবসের অধীনে একাধারে দুটি ব্যবসা করতে পেরেছে অ্যাপল। বর্তমানে বাজার মূলধনের হিসেবে অন্যতম শীর্ষ কোম্পানি অ্যাপল।
আধুনিক ইন্টারনেট গড়তে রেখেছেন অবদান
করপোরেট সংস্কৃতির বলি হওয়াতে স্টিভ জবসকে তাঁর প্রতিষ্ঠিত অ্যাপল কোম্পানি থেকে বের হয়ে যেতে হয়েছিল। তবে দমে যাননি তিনি। অ্যাপল থেকে বের হয়ে প্রতিষ্ঠা করেন নেক্সট। ১৯৮৮ সালে আধুনিক প্রযুক্তির ওয়ার্কস্টেশন কম্পিউটার তৈরি করেন তিনি। তাঁর ওই কম্পিউটার ব্যবহার করে ওয়েব উদ্ভাবক টিম বার্নার্স-লি ও রবার্ট ক্যাডিলাক সার্নে বসে বিশ্বের প্রথম ওয়েব সার্ভার সার্ন এইচটিটিপিডি ও প্রথম ওয়েব ব্রাউজার ওয়ার্ল্ডওয়াইডওয়েব তৈরি করেন। স্টিভের নেক্সট কম্পিউটার সিস্টেম সার্নের কাছে গবেষণার জন্য ৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলারে বিক্রি করেছিলেন স্টিভ। ওই কম্পিউটার না পেলে আধুনিক ওয়েব হয়তো আরও দেরিতে আসত।
সংগীতজগতকে রক্ষা করেছিলেন
স্টিভ জবসের রূপকথার শুরু মূলত সংগীতজগতকে রক্ষার জন্য তাঁর আইপড তৈরির মধ্য দিয়ে। ইন্টারনেটকে যখন বিনোদন ও সংগীতজগতের জন্য বাধা মনে করা হচ্ছিল, তখন অনলাইন মিউজিক সুবিধা যুক্ত করে একাই এ শিল্পকে বাঁচিয়েছিলেন স্টিভ। আইপড ও আইটিউনস মিউজিক স্টোর তাঁর কাছ থেকে পেয়েছিল বিশ্ব।
আইফোন এসেছিল তাঁর হাত ধরে
আইপডের সফলতার গল্প ফুরাতে না ফুরাতে স্টিভ জবস দুনিয়াকে বদলে দিয়েছিলেন আইফোন বাজারে ছেড়ে। ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে আইফোনের যাত্রার মধ্য দিয়ে মূলত স্মার্টফোনের যুগ শুরু। আইফোন আসার আগে কোনো মোবাইল ফোনে ক্যাপাসিটিভি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লের ব্যবহার কেউ দেখেনি। এতে শুধু গান শোনাই নয়, এতে ইন্টারনেট ব্যবহার ও মোবাইল ফোনের সব সুবিধা ছিল। আর কী চাই? অ্যাপলের সাফল্যের ধারা আইফোন এখনো ধরে রেখেছে।
অ্যাপ ইকোসিস্টেমের পথপ্রদর্শক
স্টিভ জবসকে কোম্পানি থেকে তাড়িয়ে বিপদে পড়ে গিয়েছিল অ্যাপল। ১৯৯০ সালের দিকে আবার তিনি অ্যাপলে ফেরেন। এরপর তিনি অ্যাপলকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নেন। অ্যাপলের প্রতিদ্বন্দ্বীরা যখন নানা রকম পণ্য নিয়ে ক্রেতার পেছনে ছুটেছে, স্টিভ জবস তখন ইকোসিস্টেমের দিকে নজর দিয়েছেন। অ্যাপলের একটি পণ্য ব্যবহার করলে যাতে আরেকটি পণ্য ব্যবহারের দিকে ক্রেতার আগ্রহ তৈরি হয়, সে ধরনের পণ্য তৈরিতে কাজ শুরু করেন তিনি। আইম্যাক, আইপড, ম্যাকবুক, আইফোন, আইপ্যাড, অ্যাপল টিভি সবগুলোকে স্টিভ জবস একসূত্রে গেঁথে দিয়েছেন। ক্লাউড ও অ্যাপ স্টোরের ব্যবহারে অ্যাপলপ্রেমী তৈরি করেছেন বিশ্বজুড়ে।
নিখুঁত নকশা যাঁর ধ্যান-জ্ঞান
স্টিভ জবসের মুকুটে আরেক পালকের কথা বলা হয় তাঁর পণ্য ও সেবার মান নিয়ে। তিনি ডিজিটাল যুগের মানুষের নকশার সংবেদনশীলতাকে কাজে লাগিয়েছিলেন। অ্যাপলের পণ্যগুলোকে এমনভাবে তৈরি করেছেন, যা গ্রাহকের মনে দাগ কাটে।
প্রকৃতি ভালোবাসতেন যিনি
স্টিভ জবস ছিলেন পরিবেশবান্ধব। তাঁর সময়ে অ্যাপল পণ্যগুলোকে পরিবেশবান্ধব করার বিষয়টি নিশ্চিত করতেন তিনি। উদ্ভাবনী ও পরিবেশবান্ধব বৈশিষ্ট্য তাঁর কাছে বেশি পছন্দ ছিল। 
তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়াটাইমস