http://protoster.blogspot.com/

রবিবার, ৩ মার্চ, ২০১৩

অন্যের মোবাইলে বা কম্পিউটারে ফেসবুক লগআউট করতে ভুলে গেলে যা করবেন !!!

কোন কোন সময় এমন হয় যে, কোন সাইবার ক্যাফের কম্পিউটার বা অন্য কার কম্পিউটারে ফেসবুক লগইন করেছেন কিন্তু আসার সময় বিদ্যুৎ চলে গেছে বা আপনি লগ আউট করতে ভুলে গেছেন বা কারো মোবাইল থেকে ফেসবুক লগইন করেছেন লগ আউট করতে ভুলে গেছেন। এটা একটি বিশাল বিপদ। এখন যে কেউ ওই কম্পিউটার বা মোবাইল দিয়ে আপনার ফেসবুক আক্সেস করতে পারবে । এখন আপনি কি করবেন ? আবার ওই কম্পিউটার বা মোবাইল এ গিয়ে লগ আউট করে আসবেন !! নাহ, ফেসবুক সিকিউরিটি এর দউলতে এটা আপনাকে করতে হবে না । আপনি আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেই ঐ কম্পিউটার বা মোবাইল এর ফেসবুক লগ আউট করতে পারবেন।
এজন্য যা করতে হবে দেখে নিন ……
১. প্রথমে আপানার PC থেকে ফেসবুক এ লগইন করুন।
২. এবার Account Setting এ যান।
৩. তারপর Security অপশনে Active Sessions এ ক্লিক করুন
৪. এখন Current Session   এ আপনার চলতি PC এর তথ্য দেখাবে আর Also Active এ শিরোনামে লগইন সক্রিয় আছে এমন কম্পিউটারের সময়, ডিভাইসের নাম, কোন শহর, আইপি কত, কোন ব্রাউজার, কোন অপারেটিং সিস্টেম তা দেখাবে।
৫. এবার ঐ আগের কম্পিউটার লগ আউট করতে End Activity ক্লিক করুন তাহলেই Computer থেকে লগ আউট হয়ে যাবে।
বিঃদ্রঃ অন্যের মোবাইল বা কম্পিউটার দিয়ে ফেসবুক এ লগইন করার সময় কখনই “Keep me login” এ ক্লিক করবেন না । আর , পাসওয়ার্ড ও সেভ করবেন না ।
আশা করি উপকারে আসবে ।

মাত্র ১ মিনিটে আপনার ব্লগে যুক্ত করুন Facebook Comment Box

আসসালামু-আলাইকুমঃ কেমন আছেন সবাই , আশা করি সবাই ভাল আছ, ভাল থাক, সুন্দর থাক, স্বুস্থ থাক , নিরাপদে থাক এটাই আমি সব সময় প্রত্যাশা করি, আপনাদের সর্ব সাফল্য আমি একান্ত ভাবেই কামনা করি।আজ আপনাদের দেখাবো কিভেবে মাত্র ১ মিনিটের মধ্যেই আপনার ব্লগস্পট ব্লগে ফেসবুক কমেন্ট বক্স যোগ করতে হয়।কমেন্ট বক্স যোগ করলে ফেসবুকেও একটু বিজ্ঞাপন হয়ে যায়। এতে ভিসিটর ও বারবে। আর কমেন্ট বক্স যোগ না করলে পোস্ট এ কমেন্ট পাওয়া যায় না।
Go to your blogger blog> Design > Edit Html > tick expand widget template.
Now Find this code in your html press ctrl+F .

এখন নিচের কোড টি ঠিকএর নীচে Paste করুন।
<h3>Post Comment</h3>
<div id=’fb-root’/><script src=’http://connect.facebook.net/en_US/all.js#xfbml=1′/><fb:comments expr:href=’data:post.url’ num_posts=’5′ width=’500′/>

বাড়িয়ে নিন আপনার পেনড্রাইভ এর স্পিড ……এক নিমিষেই

পেনড্রাইভ এর স্পিড কম হলে কার ভাল লাগে বলুন ??
সবাই ই চাই বেশী স্পীড।
তাই আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম এমন একটি ছোট ট্রিক্স যা আপনার পেনড্রাইভ এর স্পীড বারাবে ১০০% গ্য্যারান্টি  ;)
স্পীড লিমিট ৫০-৮০ mb/sec :D
আসুন তাহলে শুরু করা যাক……
প্রথমে আপনার পেন ড্রাইভ টিকে usb দিয়ে পিসি এর সাথে কানেক্ট করুন ………
ফরম্যাট অপশণ এ যান
ফাইল সিসেট্ম থেকে   FAT32 থেকে NTFS করুন……।।
এবার পেনড্রাইভ ফরম্যাট দিন……।।
ফরম্যাট দিতে একটু বেশী সময় লাগবে………।
ফরম্যাট হয়ে গেলে আপনার কাজ শেষ
এবার ২০০-২০০০mb এর যে কোন ফাইল সেন্ড করুন আপনার পেনড্রাইভ এ ।
আর দেখুন মজা…… :D
নোটঃ শুধু মাত্র windows 7 এ কাজ করবে এই ট্রিক্স
এমন মজার মজার টিপস এবং সফটওয়াড় এর গোপন ব্যবহার গুলো জানতে এখানে ক্লিক করুন
আরো জানতে পারেন এখান থেকে

ছোট খাটো চিকিৎসা যে গুলো বই থেকে নেওয়া নয় গুরুজনদের কাছ থেকে আমরা পেয়েছি আর সাথে পান একটি কাজের জিনিস

আমাদের ছোট খাটো অসুখে প্রায় পরতে হয় যার ফলে ডাক্তার খানা যেতে হয় হ্যাঁ বেশি কিছু হলে অবশ্যই যেতে হবে কিন্তু ছোট খাটো অসুখে আমরা গুরুজনদের টোটকা তে সুস্থ হতে পারি।যেমন – দাঁত ব্যথা বা যন্ত্রনাundefined -পিটুলি বা ভেটুল পাতা ৮-১০ নিন ছোট কাপের ২ কাপ পানি তে কিছুক্ষন সেদ্ধকরে ঐ পানিটা ঠান্ডা করে ছেঁকে নিয়ে একটু একটু করে নিয়ে ১ঘন্টা অন্তর ভালো করে কুলকুচি করুন। আমশা-পাঁকা দেশী মানে ঠুটে কলা আর পুরোনো পাঁকা তেতুল ও টক দই এক সাথে ভালো করে মেশান ঐ মিশ্রন টা দিনে বেশ কয়বার খান। কাশি হলে বা শ্লেষা জমলে -বাসক পাতা ৩ -৫ নিন ছোট কাপের ২ কাপ পানি তে কিছুক্ষন সেদ্ধকরে ঐ পানিটা ঠান্ডা করে ছেঁকে নিয়ে একটু একটু করে নিয়ে পান করুন। আগুনে অল্প পুরে গেলে undefined-ঠান্ডা কাঁচা দুধ দিন ।হালকা মাথা যন্ত্রনাundefined-রসুনের কোয়া থেকে রস বার করে নাকে টানুন।গ্যাস অম্বলundefined-কয়েকটা আদার কুচি সাথে অল্প একটু লবন মিশিয়ে চিবিয়ে খেয়ে ১গ্লাস পানি খান।কাঁচা জোয়ান ও এই ভাবে খেতে পারেন।প্রতিদিন সকালে খালি পেটে অল্প খানিকটা কালো জিরা ভিজানো পানি ছেঁকে খেতে পারলে উপকার পাবেন।কিন্তু বেশি কিছু হলে সময় নষ্ট না করে অবশ্যই ভালো ডাক্তার দেখাবেন ।আর কাজের জিনিস টা নিন -Advanced SystemCare এর নতূন ভারসনের চাবি- CC52B-28CB1-DAF12-A96D6

উইন্ডোজ কে হ্যাক করে দ্রুত ফাইল কপি-পেস্ট করুন

সাধারনত আমরা যখন কোন ফাইল বা ফোল্ডার কম্পিউটার থেকে কপি করে পেন্ড্রাইভ
বা অন্য কিছুতে নিতে চাই তখন ওই ফাইল বা ফোল্ডারটির উপর মাউস রেখে ডান বাটন এ
ক্লিক করে Send To Pendrive এ ক্লিক করলেই হয়। কিন্তু আমরা যখন পেন্ড্রাইভ থেকে কোন
কিছু কপি করে কম্পিঊটার এ রাখতে চাই বা হার্ডডিস্কের এক ড্রাইভ থেকে আরেক ড্রাইভ এ
তখন সেই ড্রাইভ এ গিয়ে পেস্ট করতে হয়। এভাবে কপি-পেস্ট  করলে অনেক সময় লাগে এবং কোন ্ড্রাইভে ভাইরাস থাকলে তা অনান্য ড্রাইভেও ছড়ায়। অথচ এই কপি-পেস্ট এর কাজ গুলো আমরা ইচ্ছা করলে অন্যান্য ড্রাইভে না গিয়েও খুব সহজে করতে পারি। এর জন্য প্রথমে Start  থেকে Run এ গিয়ে regedit লিখে OK করুন।
HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesSystemObjects\shellex ঠিকানায় গিয়ে ContextMenuHandlers এর উপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে ২টা নতুন key বানাতে হবে যেগুলোর নাম হবে Copy To এবং Move To.
এখন Copy To সিলেক্ট করে ডানপাশ থেকে default এ ডাবল ক্লিক করে Value Data তে {C2FBB630-297111d1-A18C-00C04FD75D13} লিখে ওকে করুন। এবং Move To সিলেক্ট করে
ডান পাশ থেকে default এ ডাবল ক্লিক করে Value Data তে {C2FBB631-2971-11d1-A18C-00C04FD75D13}  লিখে ওকে করে বেরিয়ে আসতে হবে। এখন যে ফাইল বা ফোল্ডারটি কপ-পেস্ট
বা কাট-পেস্ট করতে চান সেটির উপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Copy To Move To Folder (কাট করার জন্য) ক্লিক করে যে লোকেশানে পেস্ট করতে চান তা নির্বাচন করে Copy বা Move এ ক্লিক করুন।

কম্পিউটার হ্যাং ছাড়ান এক ক্লিকে (কোন সফটওয়ার ছাড়া)

১/ প্রথমে আপনি Task Manager এ ক্লিক করেন ।
২/ এবার Task Manager গিয়ে More Details এ ক্লিক করুন ।
৩/ Task Manager এর ওপরের দিকে দেখুন (File Options View) এ্ই ৩টি অপশন পাবেন ।
৪/ ওখান থেকে Options এ ক্লিক করে ওখান থেকে Always On Top এ ক্লিক করুন ।
আপনার কাজ শেষ ।
এবার কম্পিউটার হ্যাং করুন বা হ্যাং হলে Task Manager অপেন করুন এবং অনাকাংখিত Application গুলো Close করুন । এখন প্রশ্ন হচ্ছে কম্পিউটার হ্যাং হলে Task Manager Hang Application এর নিচে থাকে বলে কাজ করা যায় না । কিন্তু আপনি যখন ওপরের কাজগুলো করে আসবেন তখন Task Manager সব Application এর ওপরে পাবেন এবং আপনার কাজ করতে পারবেন ।
হ্যাং হলে Task Manager এ যাওয়ার নিয়ম হলো :- Ctrl + Shift + Esc Key এক সাথে চেপে ধরুন ।

ফেসবুক থেকে আপনার দুষ্ট বন্ধুদের নোংরা পোষ্ট থেকে দুরে থাকতে চাইলে এখানে দেখুন

বিসমিল্লাহির রাহমানুররাহিম
‍‌‌‍“পরম করুনাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি‌‍‍‌‌‌”
অনেক দিন পর লিখতে বসলাম।আমার লেখার মধ্যে ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।আসলে মানুষ সমস্যায় পরলে তখনই মুক্তির পথ খোজে। যা হোক আসল কথায় আসাযাক।
আমি আজ যে বিষয়টি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি, সেটা খুবই সাধারন হতে পারে তবে অনেই এই বিষয়টি জানে না, তাদের জন্য এই পোষ্ট।
Untitl-1
অনেকেই ভুলবসত আননোয়ন ব্যক্তিকে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠিয়ে দেয় কিন্তু দেখা যায় এর বেশিরভাগ থাকে ফেক আইডি। কিছু অসাধু লোক তাদের ফায়দা লুটবার জন্য এটা করে থাকে।ফেসবুক কোন নোংরামি করার জায়গা নয়।এটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ফেসবুক যখন আপনারা ওপেন করেন তখন একটি বাজে ছবির পোষ্ট চোখের সামনে এসে পরলো, তখন সব সময় ভালো লাগতে নাও পারে।
তাই এই বন্ধুদের আপনার সরিয়ে দেয়াই ভালো।
এর জন্য আপনাকে নিচের ছবির মত
Untitled-1
প্রথমে ঐ ফ্রেন্ডের টাইম লাইন ওপেন করুন। তারপর একটু নিচে ছবির মত সেটিং এ যান এবং আনফ্রেন্ড করে দিন।এখানে একটি কথা সে যদি আপনার ফ্রেন্ড নাও হয় আর্থাত আপনি ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু সে একসেপ্ট করেনি। তারপরো তার সব পোষ্ট আপনার টাইমলাইনে দেখাবে। এক্ষেত্রে সেম ভাবে তার টাইমলাইনে ঢুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট ক্যানসেল করতে হবে।তারপর হোম ক্লিক করুন। দেখুন সব চলে গেছে।অর্থাত আপনার ফ্রেন্ড লিষ্ট থেকে রিমুভ হয়ে গেছে।আবার পুনুরায় ফ্রেন্ড বানাতে হলে আবার ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠাতে হবে। আজ এ পর্যন্তই। কোন পর্বলেম কিম্বা ভালো লাগলে কমেন্টস করতে ভুলবেন না।
*আল্লাহ হাফেজ*

পৃথিবী বিখ্যাত ২ শতাধিক বাংলা ইসলামী বই ডাউনলোড ফ্রিপৃথিবী বিখ্যাত ২ শতাধিক বাংলা ইসলামী বই ডাউনলোড ফ্রি

”কুরআন হাদিসের আলোকে ধর্মিয় জ্ঞান অর্জনের গুরত্ব”
বই ডাউনলোড করার পূর্বে উপলদ্ধি করা প্রয়োজন কেন আমরা ইসলামী জ্ঞান অর্জন করব। হয়ত সকলেই অবহিত যে, ইসলামী জ্ঞান অর্জন প্রত্যেক মুসলিম নর নারীর উপর ফরজ করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ইসলামী জ্ঞান অর্জন মুসলিম জাতীর জন্য কতটুকো ফরজ ? অধিকাংশ লোকের ধারণা সুরা কেরাত এবং নামাজ আদায় করার জন্য কিছু মাসয়ালা মাসায়েল শিক্ষা লাভ করাই যথেষ্ট ! বস্তুত এই ধারণা কুরআন হাদিসের সঙ্গে সম্পূর্নই সাংঘর্ষিক। হয়ত বিষয়টি অনেকের নিকট সন্দেহের পর্যায়ভুক্ত মনে হতে পারে তাই এর স্বপক্ষে কিছু প্রমান পেশ না করলেই নয়। পবিত্র কুরআনে বিশ্বস্রষ্টা আল্লাহপাক এরশাদ করেন ”যারা জানে না আর যারা জানে তাদের উভয়ের মর্যাদা কি কখনো সমান হতে পারে” সমস্ত মুফাসসিরগন একমত এখানে পূনর্াঙ্গভাবে এলেম শিক্ষা অর্জনের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। অনত্র এরশাদ হয়েছে ”যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে এলেম দান করা হয়েছে তাদেরকেই আল্লাহ উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্টিত করবেন” উক্ত আয়াতে শুধুমাত্র এলমে দ্বীন শিক্ষা অর্জন কারীদের মযর্াদাই স্রষ্টার নিকট সংরক্ষিত, ইহারা ব্যতিত অন্য কেহ নন ! অনত্র আবার এরশাদ হয়েছে ”তোমরা কি কুরআনের শিক্ষামালার উপর দৃষ্টিপাত করবে না, নাকি তোমাদের অন্তর তালাবদ্ধ” কুরআনের শিক্ষামালার প্রতি যারা দৃষ্টি দেয়না তাদের অন্তর তালাবদ্ধ অভিহিত করা হয়েছে এর চেয়ে ভয়ংকর বিষয় আর কি হতে পারে। আল্লাহ যদি সত্যি সত্যি হৃদয় মোহর মেরে দেন তাহলে কে আছে তাকে মুক্তির সন্ধান দিতে পারে ? উক্ত তিনটি আয়াত ছাড়াও পবিত্র কুরআনে আরও কিছু আয়াত আছে যেখানে ইসলামী জ্ঞান অর্জনের উপর জোর তাগিদ করা হয়েছে। হয়ত শুনে অবাক হবেন বুখারী শরীফের এলেম অধ্যায়ে সত্তরটিরও অধিক হাদিস রয়েছে যেখানে এলমে দ্বীন সংক্রান্ত আলোচনা এবং এর গুরত্বের প্রতি জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। মুসলিম শরিফের বিদ্যা অধ্যায়ে প্রায় ১০ টিরও অধিক হাদিসে বলা হয়েছে ”কেয়ামতের নিদর্শনের মধ্যে অন্যতম হল মানুষের ধর্মিয় জ্ঞান কমে যাওয়া” (নাউযুবিল্লাহ) সমস্ত সাহাবী, তাবেয়ী এবং মাযহাবের চার ইমাম সহ সকলেই একমত যে, এলমে দ্বীন পূর্নাঙ্গভাবে শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলিম নরনারীর উপর ফরজ। আর ফরজ অভিহিত করা হয় এমন কাজকে যে কাজ না করলে স্রষ্টার পক্ষ থেকে ইহকাল ও পরকালে শাস্তী আসন্ন। খুব সংক্ষেপে এই শিক্ষার পরিধি কতটুকো বলে দিচ্ছি ১। স্রষ্টা সম্পর্কে পূর্নাঙ্গ ধারণা অর্জন করা। বস্তুত স্রষ্টা সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকার ফলেই আজ মুসলিম জাতীর একটি বিরাট অংশ কবর পূজা, পীর পূজা এবং বিভিন্ন জড় দর্শন সমুহের পূজায় লিপ্ত হয়ে ঈমান বিপর্যস্ত করে ফেলেছে অথচ এরা হয়ত সুরা কেরাত বা নামাজের মাসয়ালা মাসায়েল সবই জানে, কুরআন সুন্নাহের পূর্ন জ্ঞান না থাকায় বিভ্রান্ত লোকদের নৈতিবাচক প্ররোচনায় তারা নিজেদের ঈমানটুকো পর্যন্ত ধরে রাখতে পারেনি। এহেন গর্হিত কর্মনীতির ফলে তারা নিজেরা যেমন নরকের উপযুক্ত হয়ে হয়েছে ঠিক তেমনিভাবে তাদের মাধ্যমে তাদের পরিবারও বিভ্রান্ত হচ্ছে কারন তারা তাদের পরিবারকে সেই পথেই অনুপ্রানিত করে থাকে। তবে আত্বসচেতনতার ফলে যারা অভিবাবকদের এই নৈতিবাচক আদর্শ উপেক্ষা করে কুরআন সুন্নাহ আকড়ে ধরবে তারাই হবে সফলকাম। পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে ”কিছু লোক এমন আছে যারা ঈমান আনা সত্বেও মুশরিক” এই ভয়ংকর পথ চেনার অন্যতম উপায় হল স্রষ্টা সম্পর্কে সঠিক ধারনা অর্জন করা, মানুসিক রাজ্যে যদি মহান স্রষ্টার সঠিক পরিচয় এবং তার যথার্থ বিশ্বাস বিরাজমান থাকে তাহলে সেই অদৃশ্য সত্বায় ভুল প্ররোচনা কার্যকর হবার নয়। ২। রিসালাতের তাৎপর্য অনুধাবন করা। ইহজগতে রাসুলদের আগমনের উদ্দেশ্য এবং তাদের অনুসরনের আবশ্যকতা কতটুকো ও ইহলোকে রাসুল আগমনের তাৎপর্যইবা কি ইহাই যদি মানুষ না জানে তাহলে কিভাবে রাসুলদের পূর্নাঙ্গ অনুসরন সম্ভব ? অথচ পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে ”যারা ইহজগতে রাসুলের আদেশ অমান্য করে চলে তাদের জেনে রাখা প্রয়োজন এই জন্য তাদের উপর কোন বিপদ নেমে আসতে পারে এবং যন্ত্রনাদায়ক শাস্তী এসে তাদেরকে গ্রাস করবে। এই আয়াতে সুষ্পষ্টভাবে বলা হচ্ছে রাসুলের আদেশ সমুহ অনুসরন না করলে পরলোকে নয় শুধু ! ইহলোকেই বিভিন্নভাবে শাস্তী দেওয়া হবে এমনকি যন্ত্রনাদায়ক শাস্তী এসে সবাইকে গ্রাস করবে। যদি রাসুলের পূর্নাঙ্গ আনুগত্যে না করে ইহলোকেই নিরাপদ না থাকা যায় তাহলে সেই রাসুলের সমস্ত আদেশ নিষেধ সমুহ না জেনে তার আনুগত্যে কিভাবে সম্ভব ? ৩। আখেরাতের উপর দৃয় বিশ্বাস রাখা, আমপারা সহ কুরআনের বহু জায়াগায় মুসলিম জাতীকে সতর্ক করার জন্য আখেরাতের ভয়াবহ চিত্র সমুহ তুলে ধরা হয়েছে, মুলত আখেরাত হল নিজের কৃতকর্মের জন্য জবাবদীহি করার একটি জায়গা মাত্র, এই অনুভুতি সমস্ত নৈতিবাচক কার্যবলী বর্জন করার জন্য এক বিরাট শক্তি ছাড়া আর কিছুই নয়, মানুসিক রাজ্যে থেকে যখনই জবাবদীহিতার অনুভুতি উড়ে যায় তখনই মানুষ মন্দ কর্মের দিকে ধাবিত হয় ইহা এমন এক সত্যে যে সত্যেকে মনোবিজ্ঞানীগন পর্যন্ত অস্বীকার করতে পারেনি। পবিত্র কুরআনে শত শত জায়গায় আল্লাহপাক মানুষকে আখেরাতের কথা স্বরণ করিয়ে দিয়েছেন যেন মানুষ সেই দিনটির কথা ভুলে গিয়ে ইহজগতে ভোগ বিলাস এবং নিষিদ্ধ কর্মে লিপ্ত না হয়। এখন এই আয়াতগুলো যদি মানুষ না দেখে তাহলে কিভাবে আখেরাত বিশ্বাস হৃদয়জগতে বদ্ধমুল করা সম্ভব ? এরশাদ হচ্ছে ”অতপর যখন কান ফাটানো সেই (ভয়ংকর) আওয়াজ (পৃথিবীর দিকে) আসতে থাকবে তখন মানুষ ভয়ে পালাতে থাকবে নিজের আপন ভাই, তার মাতাপিতা এবং তার স্ত্রী সন্তানদের কাছ থেকে ! সম্মানিত পাঠক লক্ষ্য করে দেখুন উক্ত আয়াত কেমন এক ভয়ংকর দৃশ্য উপস্থাপন করছে অথচ উক্ত আয়াতে শুধু কিয়ামতের সূচনা কিভাবে হবে সেই কথা বলা হয়েছে, আর যখন কেয়ামত সংঘটিত হয়ে বিচার দিবষ কায়েম হবে সেই অবস্থা কত ভয়ংকর হবে সেটা চিন্তা করতেও যেন গা শিওড়ে উঠে। এই তিনটি বিশ্বাস (তাওহিদ রিসালাত আখেরাত) ঈমানের প্রানশক্তি, নবী রাসুলগন এই তিনটি মূলনীতিকে সামনে রেখেই স্বজাতীকে দ্বীন ইসলামের দাওয়াত পেশ করেছিলেন যেন মানবজাতী স্রষ্টার পথে তার অনুগ্রহ অনুসন্ধান করতে পারে। পূনর্াঙ্গভাবে এই তিনটি বিষয়বস্তুর উপর ধারণা অর্জন করে অতপর প্রয়োজন পবিত্র কুরআনের সমগ্র শিক্ষামালার প্রতি দৃষ্টিপাত করা এবং সেই সঙ্গে সাহায্যকারী হিসাবে প্রয়োজন সহী বুখারীর ও মুসলিম এর উপর তুলনামুলক অধ্যায়ন। বস্তুত পবিত্র কুরআনের মর্মবানী অনুধাবন করার জন্য সহী হাদিসের বিকল্প নেই। পবিত্র কুরআনে এমন খুব কম সংখ্যক আয়াতই আছে সহী বুখারী বা সহী মুসলিম যেগুলোর ব্যক্ষা প্রদান করে না ! কুরআন এবং সহী হাদিস গবেষনার পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য ইসলামী সাহিত্য সমুহ অধ্যায়ন করার প্রয়োজন রয়েছে এবং সেই সঙ্গে অধ্যায়ন করা প্রয়োজন মাসয়ালা মাসায়েল জানার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ফেকাহের গ্রন্থ। এছাড়া পবিত্র কুরআন শুদ্ধ ভাবে শিক্ষা করাও ফেকাহের ঈমামগন ফরজে আইন ঘোষনা করেছেন কারন যদি কাহারো কুরআন তেলাওয়াত শুদ্ধ না থাকে তাহলে অশুদ্ধ তেলাওয়াত দিয়ে যে নামাজ আদায় করা হয় সেই নামাজ অসম্পূর্ন অনেকের মতে বাতিল। যে কুরআন শুদ্ধভাবে শিক্ষা করা ফরজে আঈন সেই কুরআন শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত করতে পারে শতকরা ২ থেকে ৫% মুসলিম এর চেয়ে দূর্ভাগ্যের বিষয় আর কি হতে পারে। অবশেষে যাহা না বললেই নয় যদি সুরাকেরাত শুদ্ধকরন ও নামাজের জন্য কিছু মাসয়ালা জানাই একজন মুসলিমের জন্য যথেষ্ট হত (যদিও শতকরা ৯৫% লোক ইহাও জানেনা) তাহলে নবীজী সাহাবীদের মক্কী জীন্দেগীতে ১৩ বৎসর ঈমানী চেতনা বা অত্বশুদ্ধির প্রশিক্ষন কেন দিলেন ? কেন মাদানী জিন্দেগীতে ১০ বৎসর সময় ব্যয় করে সাহাবীদের ইলমে শরিয়ত শিক্ষা দিলেন ? ইতিহাস থেকে জানা যায় প্রত্যেহ নবীজী সাহাবীদের নিকট কুরআনের ব্যক্ষা দিতেন, আত্বউন্নয়ন মুলক প্রশিক্ষন দিতে গিয়ে কুরআনের বাহিরে তিনি যে সমস্ত কাজের আদেশ করতেন এবং যেগুলো থেকে নিষেধ করতেন মুলত সেগুলোই ছিল হাদিস। হাদিসগুলো যাচাই বাছাই এবং সংরক্ষন করতে গিয়ে তাদের সমগ্র জীবন শেষ করে দিয়েছেন এরই পিছনে ইতিহাসে রয়েছে এমন কয়েক হাজার মোহাদ্দিস। তাদের মধ্যে সাতজন রয়েছে উজ্জল নক্ষত্ররূপে যারা মুসলিম জাতীকে সাতটি সহীহ হাদিসগ্রন্থ (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, আবু দাউদ, ইবনে মাযাহ, নাসায়ী, মুয়াত্তা ইমাম মালেক) উপহার দিয়েছেন, কতজনই বা তাদেরকে স্বরণ করে থাকি। হাদিস গ্রন্থের মধ্যে এই সাতটি এমন নির্ভরযোগ্য যেখানে পূনর্াঙ্গ ইসলামী জীবন ব্যবস্থার চিত্র অংকিত ! ইলমে দ্বীন পূর্নাঙ্গভাবে শিক্ষা লাভ করার জন্য এই সাতটি কিতাবের এখন বিকল্প নেই। হাদিসের পাশাপাশি কুরআনের জ্ঞান আহরনের জন্য মুফাসসিরগন অসংখ্য তাফসীর লিখেছেন, নির্ভরযোগ্য তাফসীরগুলোর মধ্যে অন্যতম হল ফী যিলালিল কুরআন, নুরুল কুরআন, ইবনে আব্বাস, ইবনে কাছীর, তাফসীরে উসমানী এবং তাফহীমুল কুরআন (তাফহীম নিয়ে কিছুটা বিতর্ক আছে) ইত্যাদি। এছাড়াও বিগত চৌদ্দশত বৎসরে ইসলামী চিন্তাবিদগন প্রায় ২ কোটিরও বেশি ইসলামী সাহিত্য রচনা করেছেন যেন মুসলিম উম্মাহ ইসলামী জীবন দর্শনের তাৎপর্য অনুধাবন করতে পারে। যদি সুরা কেরাত শুদ্ধকরন ও কিছু মাসয়ালা জানাই যথেষ্ট ছিল তাহলে এত কিছু কেন ? সুতরাং পূর্নাঙ্গভাবে দ্বীন ইসলামকে জানা যে ফরজ ইহা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। সন্দেহ নিরসনের জন্য আরও দুইটি প্রমান পেশ করতে চাই, পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে ”তোমরা কি কুরআনের শিক্ষামালার উপর দৃষ্টিপাত করবে না, নাকি তোমাদের অন্তর (অবিশ্বাসীদের মত) তালাবদ্ধ” চিন্তা করে দেখুন মহান আল্লাহ যারা কুরআনের সমগ্র শিক্ষামালার দিকে দৃষ্টিপাত করতে চায় না তাদের ক্ষেত্রে কত ভয়ংকর কথাই না বলেছেন বস্তুত অন্তর তালাবদ্ধ শব্দটি কাফেরদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে যেমন বলা হয়েছে ”তাদের হৃদয়ে কানে সীল মেরে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের দৃষ্টির উপর আছে আবরন আর তাদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে কঠিন শাস্তী” যারা কুরআনের বর্ননা ভঙ্গির উপর কিছুটাও জ্ঞান রাখেন তারা হয়ত জানেন তালাবদ্ধ এবং সীল মোহর একই বস্তু। আল্লাহ যেন বুঝাতে চেয়েছেন যারা কুরআনের শিক্ষামালার প্রতি মনোনিবেশ করে না তাদের অন্তরজগত কাফেরদের মতই তালাবদ্ধ ! ইতিহাসে দেখতে পাই একজন সাহাবী যখন শুনতে পেতেন অমুক দেশের অমুক ব্যক্তি নবীজী থেকে একটি হাদিস শুনেছিলেন তখন ঐ সাহাবী একটি হাদিস শুনার জন্য নিজের দেশ, ব্যবসা বানিজ্যে, স্ত্রী সন্তান ছেড়ে দিয়ে ঐ ব্যক্তির নিকট চলে যেতেন ! এমনও হয়েছে যখন কোন সাহাবী কোন লোকের কাছে গিয়ে দেখতে পেতেন সেই ব্যক্তি দরজা বন্ধ করে ঘুমাচ্ছে তখন সেই ব্যক্তিকে বিরক্ত না করে ফজর পর্যন্ত সাড়ারাত উঠানে বসে থাকতেন একটি হাদিস শ্রবন করার জন্য ! ইতিহাসে এমন অসংখ্য তাবেয়ী এবং তাবে তাবেয়ীন রয়েছে যারা একটি হাদিস শুনার জন্য শত শত এমনকি হাজার মাইল পর্যন্ত পাড়ি দিয়েছেন অথচ তখন ভাল কোন যানবহন ছিলনা। কি কষ্টই না করেছেন তারা দ্বীন ইসলামকে জানার জন্য। ”বিদায় হজ্জের ভাষনে নবীজী বলেছেন যারা উপস্থিত তারা আমার কথাগুলো তাদের কাছে পৌছে দাও যারা এখানে অনুপস্থিত” এই মুলনীতিকে সামনে রেখেই সাহাবীগন চতুর্দিকে ছড়িয়ে পরেছিলেন এবং দেশ বিদেশ ঘুরে মানুষকে দ্বীন ইসলামের দিকে আহবান জানিয়েছেন, কোন সাহাবী এমন নেই যিনি হাজার হাজার মানুষের নিকট কুরআন সুন্নাহের বানী নিয়ে যাননি ! সাহাবীগন যদি দ্বীন ইসলামের দাওয়াত নিয়ে ব্যবসা বানিজ্যে ছেড়ে নিজেদের ভবিষ্যত চিন্তা না করে পৃথিবীতে ছড়িয়ে না পরতেন তাহলে কোন অবস্থাতেই আমরা আজ মুসলিম হতাম না ! হয়ত কেহ থেকে যেতাম হিন্দু কেহ বৌদ্ধ বা কেহ খ্রষ্টান। তারা দ্বীন ইসলাম নিয়ে পৃথিবীতে ছড়িয়ে পরেছিল বিধায় আমাদের পূর্ব পুরুষগন কোন না কোনভাবে ইসলামে দিক্ষিত হয়েছিল যার ফলে আমরা আজ মুসলিম। কুরআন সুন্নাহ এবং সাহাবীদের জীবন দর্শন দ্ধারা যদি আমরা নিজেদেরকে একটু যাচাই করি তাহলে আমরা উপলদ্ধি করতে পারব কত বিরাট শুন্যতা আমাদের মধ্যে বিরাজ করছে। আমরা না নিজেদেরকে আগুন থেকে বাচাই, না পরিবারকে বাচাই, না বন্ধুমহলকে বাচাই, না সমাজের লোকদেরকে বাচানোর চেষ্টা করি ! অথচ পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে ”তোমরা নিজেদের এবং পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাচাও” এই শুন্যতা থেকে উত্তরনের জন্য প্রয়োজন কুরআন সুন্নাহের পরিপূর্ন জ্ঞান এবং এর পূর্নাঙ্গ অনুসরন তাহলেই মুসলিম উম্মাহ তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে। ইসলামী জ্ঞান অর্জনের এই গুরত্বকে সামনে রেখে আজ এমন একটি ইসলামী লাইব্রেরী নিয়ে উপস্থিত হয়েছি যেখানে কুরআনের নির্ভরযোগ্য তিনটি তাফসীর, ছয়টি সহী হাদিস গ্রন্থ, ইসলামের ইতিহাস গ্রন্থ, সাহাবীদের ইতিহাস গ্রন্থ, এবং পৃথিবীর সেরা সেরা ইসলামী চিন্তাবিদদের লেখা প্রায় দুই শতাধিক নির্ভরযোগ্য ইসলামী সাহিত্য রয়েছে ! কোথায় পেতেন এই অমুল্য রতন ? হিসাব করে দেখেছি প্রায় ৪১০০০ হাজার টাকার ইসলামী বই রয়েছে এই সাইটটিতে ! বৃহত্তম এই জ্ঞানের ভান্ডার সংগ্রহ করতে হলে সময় কুরবানী করে ৪১০০০ টাকা যোগার করে বিভিন্ন মার্কেটে আপনাকে দিনের পর দিন ঘুরতে হত বইগুলো ক্রয় করার জন্য তবুও কি সমস্ত বই খুজে বের করা সম্ভব ছিল ? এক সময় বই দেখে দেখে চোখের তৃষ্ণা মেটাতাম কিন্তু বই ক্রয় করার সামর্থ ছিলনা আর এখন ইন্টারনেটের কল্যানে পৃথিবীর সেরা সেরা ইসলামী চিন্তাবিদদের প্রায় সমস্ত বই পেয়ে গেলাম সম্পূর্ন ফ্রি এর চেয়ে আনন্দের বিষয় আর কি হতে পারে বলুনত ? সাইটটি গুগল থেকে সার্চ দিয়ে পেয়েছিলাম তাই আপনাদের না জানিয়ে পারলাম না।
আমার অনেক মুসলিম ভাই হয়ত ভাবতে পারেন কৌশল অবলম্বন করে আমি লিংক প্রচার করছি বস্তুত লিংক প্রচারের সঙ্গে এই পোষ্টের কোনই সম্পর্ক নেই। যে মহান রবের কুদরতি হাতে আমার প্রান আমি সেই মহান সত্বার শপথ করে বলছি এই পোষ্ট শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। সুতরাং নৈতিবাচক ধারণা করা অনুচিত। পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে ”তোমরা অপর ভাইয়ের প্রতি ধারণা করা হইতে বিরত থাক কারন তোমাদের অনেক ধারনাই মিথ্যা হয়ে থাকে” সকলের নিকট প্রত্যাসা এই আয়াতের প্রতি ঈমানী শ্রদ্ধা রেখে ধারণা অনুমানের ভিত্তিতে কথা বলা হইতে বিরত থাকবেন তাহলেই আমাদের মধ্যে সোহার্দ সমপ্রিতি বজায় থাকবে এবং ঈমান নিরাপদ থাকবে। আর যারা মানব সমাজে ইসলামের বানী প্রচার করে তাদের ক্ষেত্রে কি নীতি অবলম্বন করতে হবে সেই কথাও আল্লাহপাক বলে দিয়েছেন। এরশাদ হয়েছে ”যারা দ্বীন প্রচার প্রসারের কাজে সম্পৃক্ত থাকার ফলে কোন কাজ করার সময় পায়না তাদেরকে তোমরা সাহায্য কর” উক্ত আয়াতের শিক্ষা হল যারা দ্বীন প্রচারের কাজ করে তাদের বিরোধিতা করাত যাবেই না বরং তাদেরকে অর্থ দিয়ে সেটা না পারলে অন্ততপক্ষে প্রেরণা বা পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করা ঈমানী দায়িত্ব। আল্লাহ সবাইকে সঠিক বিষয়টি বুঝার তওফিক দান করুন। আপনি যদি সাড়া জীবন আনলিমিটেড নেকী বাসায় বসে ফ্রি পেতে চান তাহলে এই প্রবন্ধটি আপনার পরিচিতি মহলে শেয়ার করুন তারা আপনার প্রচার থেকে যত বই ডাউনলোড করে পড়বে এবং নেক আমল করবে এবং কেয়ামত পর্যন্ত তাদের ভবিষ্যত বংশধর তাদের প্রেরনায় যত নেক আমল করবে তার একটি অংশ আপনার আমলনামায় অটো আসতে থাকবে ! এই বিষয়টি কুরআন হাদিস দ্ধারা অত্যান্ত সুষ্পষ্টভাবে প্রমানিত সত্য। অসম্ভব নয় যে, কেয়ামতের ময়দানে এটাই আপনার এবং আপনার পরিবারের সকলের জন্য নাজাতের উসিলা হয়ে যেতে পারে। অবশেষে আমার সকল মুসলিম ভাইদের বিশ্বস্রষ্টার আরেকটি বানী স্বরণ করিয়ে দিতে চাই, এরশাদ হয়েছে, তোমরা যদি আমার ধর্মের সাহায্যকারী হও তাহলে আমিও তোমাদের সাহায্য করব। এই আয়াতের মৌলিক শিক্ষা হল আমরা যদি নিজের আত্বা পরিশুদ্ধ করে অতপর পরিবারে, সমাজে, রাষ্টে, আন্তর্জাতিক অংগনে ইসলামী শিক্ষার প্রচার প্রসার করে আল্লাহর ধর্মের সাহায্যকারী হই তাহলে তিনি আমাদের সকল ভাল কাজে সাহায্য করবেন এটা তার ওয়াদা ! সুতরাং এই আয়াতের আলোকে একজন মুসলিমের মূল লক্ষ্যই হবে মহান রবের এবাদত এবং তার ধর্মের প্রচার প্রসারের দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে একজন সত্যের সাক্ষ্যদাতা হওয়া। আমরা হয়ত মহান আল্লাহকে ভুলে নিজের ক্যরিয়ার ও লেখাপড়া নিয়ে বেশি ব্যস্ত অথচ পবিত্র কুরআনের আমপাড়ায় এরশাদ হয়েছে ”তোমাদের চাওয়াতে কিছুই হয়না যদি আল্লাহ না চান” এই আয়াত প্রমান করে আমাদের সার্বিক উন্নতি মহান রবের করুনা রাশীর উপর নির্ভরশীল। ধৈর্য নিয়ে আমার মত একজন নগন্য লোকের আর্টিক্যলটি পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। মহান আল্লাহ সবাইকে সঠিক বিষয়টি হৃদয়ঙ্গম করার তওফিক দান করুন। আমিন। উক্ত প্রবন্ধে কোন ভুল হয়ে থাকলে বিচক্ষন দৃষ্টির কাছে আমার চিন্তা সত্বাকে সমর্পন করছি।
কেন ইসলামী জ্ঞান অর্জন করবেন ?

স্রষ্টার আদেশ সমুহ জেনে সেগুলো ব্যক্তি জীবনে আমল করার জন্য।
স্রষ্টা কতর্ৃক নিষিদ্ধ কর্মসমুহ জেনে সেগুলো বর্জন করার জন্য।
পরিবারবর্গকে সতর্ক করার জন্য।
প্রতিবেশিকে সতর্ক করার জন্য।
বন্ধু মহলকে সতর্ক করার জন্য।
আত্বীয় স্বজনকে সতর্ক করার জন্য।
শাসক গোষ্টিকে সতর্ক করার জন্য।
অমুসলিম সমপ্রদায়কে সতর্ক করার জন্য।
ইসলামী জ্ঞানের রাজ্যে পরিভ্রমন করুন প্রশান্তচিত্রে

বাড়িয়ে ফেলুন আপনার ইন্টারনেট এর স্পীড খুব সহজে


আমাদের দেশে কম বেশি সবারই ইন্টারনেট স্পীড নিয়ে সমস্যা আছে। যাদের ইন্টারনেট এর স্পীড খুব কম তাদের জন্য আমার এই ছোট নিবেদন। আশা করি এই টিপস গুলো আপনাদের উপকারে আসবে। বেশি কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসি। এখানে ৩ টা ধাপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে । এই ধাপ ৩ টা শেষ করলে আশা করি উপকার পাবেন।





ধাপ ১

প্রথমে আপনার desktop এ অবস্থিত My Computer এর উপর right click করে Manage এ ক্লিক করুন।এবার Device Manager এ ক্লিক করুন, ডান দিকে অবস্থিত Ports (COM & LPT) Option এ যান, এটা বর্ধিত করুন এবং Communication Ports নির্বাচন করুন এবং এর উপর Right Click করুন এবং এর Properties এ যান, এরপর Port Settings এ যান, এখানে অবস্থিত Bits per second কে বর্ধিত করুন ৯৬০০ থেকে ১২৮০০০ পর্যন্ত এবং Flow control Option থেকে Hardware নির্বাচন করুন। OK click করে বেরিয়ে যান।
ধাপ ২
নিচের কোড গুলো Notepad এ নিয়ে something.reg নামে Save করুন। এবার something.reg ফাইল টা Double Click করে Execute করুন (Open করুন)। OK Click করুন।
কোডঃ
REGEDIT4
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Servic es\Tcpip\Parameters]
"SackOpts"=dword:00000001
"TcpWindowSize"=dword:0005ae4c
"Tcp1323Opts"=dword:00000003
"DefaultTTL"=dword:00000040
"EnablePMTUBHDetect"=dword:00000000
"EnablePMTUDiscovery"=dword:00000001
"GlobalMaxTcpWindowSize"=dword:0005ae4c
ধাপ ৩
উইন্ডোজ ২০% Bandwidth সংরক্ষন করে রাখে ।এই ২০% খালি করলে স্পীড আরও একটু বাড়বে।
এখন Start এ click করে Run এ লিখুন gpedit.msc এরপর ok দিন। এরপর Local Computer Policy এর Under এ অবস্থিত Computer Configuration এ যান এবং এরপর Administrative Templates এ যান। ডান দিক থেকে Network–>QOS Packet Scheduler এ জান,এখান থেকে Limit Reservable Bandwidth এর উপর double click করে open করুন, এরপর enable এ টিক দিয়ে ২০% থেকে ০% করে দিন। আর উপভোগ করুন আগের চেয়ে বেশি স্পীড।

মনিটর নিয়ে সব সমস্যার সমাধান

উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় মনিটর যদি ঝাপসা দেখা যায় তবে বুঝতে হবে মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেট করা হয়েছে। যদি মনিটরে ছবি খুব বেশী কাঁপাকাঁপি করে বা ঝির ঝির কাঁপে, তবে মনিটরের রিফ্রেস রেট সঠিক আছে কি না তা দেখা দরকার। কম্পিউটারের রিফ্রেশ রেট বৃদ্ধি করে স্ক্রিনের ঝিরঝির কাঁপা দূর করা যায়। অনেক সময় মনিটরে কালো পর্দাও দেখা যেতে পারে। এজন্য-
কম্পিউটার চালু করুন অথবা কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় Start উইন্ডো বার্তা দেখানোর সংগে সংগে F8 চেপে Safe Mode-এ কম্পিউটার চালু করুন।
এবার Start মেনু থেকে Settings/Control Panel-এ ক্লিক করুন।
পর্দায় Control Panel উইন্ডো আসবে।
উক্ত উইন্ডো থেকে Display আইকনে ডাবল ক্লিক করুন। এবার Display Properties উইন্ডো আসবে।
এরপর Display Properties উইন্ডো থেকে Settings ট্যাবে ক্লিক করে Advanced বাটনে ক্লিক করুন।
এবার Plug and Play Monitor ডায়ালগ বক্স আসবে।
উক্ত ডায়ালগ বক্সের Monitor ট্যাবে ক্লিক করুন।
এবার Monitor Settings-এর Screen refresh rate: বক্সের ড্রপ ডাউন এ্যারোতে ক্লিক করে সঠিক refresh rate ঠিক করে OK করুন।
যেভাবে করবেন
  • উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় মনিটর যদি ঝাপসা দেখায় তবে বুঝতে হবে যে মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেট করা হয়েছে। এটি ঠিক করতে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় স্টার্টিং উইন্ডোজ(Starting Windows)মেসেজ দেখানোর সংগে সংগে F8 চেপে Safe Mode-এ কম্পিউটার স্টার্ট করুন এবং উপরের বর্ণিত নিয়মে Refresh Rate ঠিক করুন। পুরানো মনিটর হলে রিফ্রেশ রেট হিসাবে ৬০ Hz এবং নতুন মনিটর হলে ৭৫ Hz থেকে ৮০ Hz সিলেক্ট করুন। এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। ম্যানুয়াল দেখে সঠিক Refresh Rate নিশ্চিত হয়ে Screen refresh rate: বক্সের ড্রপ ডাউন এ্যারোতে ক্লিক করে সঠিক refresh rate নির্বাচন করুন।
  • এ ছাড়া মনিটরের Refresh Rate বাড়ানোর পর মনিটর ডিসপ্লের সঙ্গে সঙ্গে যদি অস্বাভাবিক কোনো শব্দও শুনতে পান তবে দেরি না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রিফ্রেশ রেট পরিবর্তন করুন বা মনিটর বন্ধ করে দিন এবং আপনার কম্পিউ টার বিক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
  • উইন্ডোজ চালু হচ্ছে না অথচ কম্পিউটার এবং মনিটরে সুইচ অন করার সঙ্গে সঙ্গে ডিসপ্লে ঝাপসা দেখাচ্ছে সে ক্ষেত্রে অন্য মনিটর ব্যবহার করে দেখতে পারেন। যদি তারপরেও সমস্যা থেকে যায় তাহলে গ্রাফিক্স কার্ড পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
  • কম্পিউটারের রিফ্রেশ রেট বৃদ্ধি করে স্ক্রিনের ঝির ঝির কাঁাপা দূর কনা যায়। রিফ্রেশ রেট ৭৫ হার্টস সিলেক্ট করে করার পর স্ক্রিন মুহুর্তের জন্য কালো হয়ে যেতে পারে যা পর মুহুর্তেই মনিটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠিক হয়ে যাবে। নতুন রিফ্রেশ রেট পছন্দ হলে OK করুন। তবে অত্যধিক মাত্রায় রিফ্রেশ রেট মনিটরের ক্ষতি করতে পারে। মনিটরের ম্যানুয়েল থেকে আপনার মনিটর সর্বোচ্চ কত রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে তা দেখে নিন।
  • যাদ মনিটরে ছবি বেশী কাঁাপা কাঁপি করে তবে মনিটরের রিফ্রেশ রেট সঠিক আছে কি না তা দেখুন। মনিটরের ম্যানুয়েল দেখে সঠিক Refresh Rate নিশ্চিত হয়ে সেটি বসান। যদি ম্যানুয়েল হারিয়ে ফেলে থাকেন তবে Refresh Rate ৬০ মেগা হার্টজে রাখুন।
  • এ ভাবে সমস্যার সমাধান না হলে মনিটরের কাছাকাছি কোন চৌম্বকীয় তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কোন যন্ত্র যেমন- স্পিকার, মোবাইল ফোন ইত্যাদি আছে কি না তা পরীক্ষা করুন এবং থাকলে সেগুলো সরিয়ে দেখুন সমাধান হয় কিনা।
  • অনেক সময় দেখা যায় কারো কারো কম্পিউটার স্ক্রিন খুব বেশী কাঁপতে থাকে যা চোখের জন্য বেশ যন্ত্রণাদায়ক এবং ক্ষতিকারকও। রিফ্রেশ রেট ৭৫ থেকে ৮৫-র মধ্যে নিয়ে এসে আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তবে রিফ্রেশ রেট পরিবর্তেনের আগে আপনার মনিটর ঐ রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে কিনা ম্যানুয়েল থেকে দেখে নিন।
  • সুইচ টিপে কম্পিউটার চালু করার পর মনিটরে কিছুই না এসে কেবল কালো পর্দা দেখা যেতে পারে। অনেক কারণেই ব্যবহারকারী এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তবে আগে কাজ করে সঠিক নিয়মে কম্পিউটার বন্ধ করেছেন এমন ক্ষেত্রে এ সমস্যা দেখা দিলে মনে করা যেতে পারে যে, কম্পিউটারের মেমোরি অর্থাৎ র‌্যাম কাজ করছে না। এ ক্ষেত্রে শুরুতে ব্যবহারকারীকে র‌্যামের স্লট পরিব- র্তন করে দেখতে হবে। অর্থাৎ কেসিং খুলে র‌্যামটিকে তার স্লট থেকে খুলে নিয়ে পাশের স্লটটিতে লাগিয়ে দেখতে হবে।
মনিটরে রঙের ছোপছোপ দাগ
যদি আপনার মনিটরে রঙের ছোপ ছোপ দাগ পড়ে কিংবা ছোট ছোট ফোটা পড়ে, তবে-
১. মনিটরের মেনু বা মনিটরের কন্টোলার সফটওয়্যার থেকে Degauss অপশন সিলেক্ট করে ঠিক করার চেষ্টা চালাতে পারেন।
২. অনেক সময়ই এই সমস্যা হয় মূলত Stray magnetic interference এর কারনে।
৩. এই সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় হলো Degauss ফাংশন।
৪. এরপরও যদি সমস্যা থেকে যায় তবে ভালো কোন সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করুন।
মনিটরের রেজুলেশন ঠিক করা
মনিটর কোন রেজুলেশনে ছবি দেখাবে সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। উইন্ডোজের ডিসপ্লে প্রোপার্টিজের সেটিংস ট্যাব থেকে রেজুলেশন ও রঙ (যেমন-৬৪০ х ৪৮০ , ৮০০ х ৬০০, ১০২৪ х ৭৬৮ এবং ১৬ bit বা ৩২ bit কালার) সিলেক্ট করা যায়। এখান থেকে শুধু সীমিত সংখ্যক রেজুলেশন সিলেক্ট করা যায়। তবে আপনি চাইলে এখানে তালিকাবদ্ধ বিভিন্ন রকম রেজুলেশনের বাহিরেও বিভিন্ন রকম রেজুলেশন ও কালার ডেপথ সিলেক্ট করতে পারেন। কম্পিউটার যত বেশী উচ্চ রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করবে, ডিসপ্লেও তত বেশী ফ্লিকার মুক্ত হবে। আপনি যদি রিফ্রেশ রেট কনফিগার করতে চান তাহলে-
১. প্রথমেই Start>Settings/Control Panel-এ ক্লিক করুন। পর্দায় Control Panel উইন্ডো আসবে।
২. উক্ত উইন্ডোর Display আইকনে ক্লিক করুন। এবার Display Properties উইন্ডো আসবে।
৩. উক্ত উইন্ডোর Settings ট্যাবে ক্লিক করে Advanced বাটনে ক্লিক করুন।
৪. এবার Plug and Play Monitor উইন্ডো আসবে। উক্ত উইন্ডোর Adapter ট্যাবে ক্লিক করে List All Modes বাটনে ক্লিক করুন।
৫. এবার List All Modes উইন্ডো আসবে।
৬. উক্ত উইন্ডোর List of valid modes এর বক্সে গ্রাফিক্স কার্ড ও মনিটরের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রেজুলেশন ও কালার ডেপথ রিফ্রেশ রেটসহ কিছু অপশন দেওয়া আছে।
৭. উক্ত অপশন থেকে পছন্দমতো সঠিক রিফ্রেশ রেট সিলেক্ট করে OK করুন।
৮. অত:পর Apply এবং OK করুন।
সমস্যা যখন দেখাদেখির
কম্পিউটারে কাজ করার সময় মনিটরে দেখাদেখি অর্থাৎ ডিসপ্লের সমস্যা হলে বিভিন্ন রকমের বার্তা আসে। যেমন Displayproblem,This program cannot continue. এ অবস্থায়-
উইন্ডোজ এক্সপির ক্ষেত্রে Alt কি চেপে My Computer-এ ডাবল ক্লিক করুন।
এবার System Properties ডায়ালগ বক্স আসবে।
উক্ত ডায়ালগ বক্সের Hardware ট্যাবে ক্লিক করে Device Mana-
ger বাটনে ক্লিক করুন।
এবার Device Manager ডায়ালগ বক্স আসবে।
উক্ত ডায়ালগ বক্সের Display Adaptors-এ ডাবল ক্লিক করে AGP কার্ডের নামের উপর আবার ডাবল ক্লিক করুন।
এবার প্রদর্শিত উইন্ডোর General ট্যাবে ক্লিক করলে Device status তালিকা উইন্ডোজের সমস্যা চিহ্নিত করবে।
এবার Resources ট্যাবে ক্লিক করে Use automatic settings বক্স
সিলেক্ট করুন।
কম্পিউটার পুনরায় চালু (রিস্টার্ট) করার পরও সমস্যাটি ঠিক না হলে Properties-এর Settings ট্যাবের Troubleshooting বাটনে ক্লিক করে update Drivers-এ ক্লিক করুন।
এবারে এজিপি বা গ্রাফিক্স কার্ডের ড্রাইভার সফটওয়্যার আবার ইনস্টল করে নিন।
স্ক্রিনের মান উন্নত করা
যারা ফ্ল্যাট স্ক্রিন মনিটর ব্যবহার করেন তাদের জন্য এই ক্লিয়ার টাইপ ফাংশনটি অত্যন্ত উপকারী হবে।
১. Start>Run অপশনে গিয়ে Regedit.exe টাইপ করে রেজিস্ট্রি এডিটর উইন্ডোটি খুলুন। HKEY_USERS>Control Panel>
Desktop ফোল্ডারটি খুলুন।
২. Font Smoothing অপশনটিতে ডাবল ক্লিক করুন এবং Value data-এর জায়গায় ২ টাইপ করুন।
৩. Font Smoothing Type অপশনটির জন্য একই কাজ করুন।
৪. এবার পরিবর্তনটি নিজেই যাচাই করুন এবং রিফ্রেশ রেট ঠিক করুন ।
যদি এতে কাজ না হয় তবে র‌্যামটিকে পরিবর্তন করতে হবে।
মনিটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ না হওয়া
পাওয়ার সেভিং নামে বিদুৎ সাশ্রয়ী একটি বৈশিষ্ট্য কম্পিউটার মনিটরে থাকে। যা অনেক সময়ই বিরক্তির কারন হয়ে দাড়ায়, যদি তা সক্রিয় করা থাকে। অনেক সময় দেখা যায়, কোনো সিনেমা / ভিডিও দেখছেন, হঠাৎ কম্পিউটার মনিটর বন্ধ হয়ে গেল। তখন মাউস বা কী-বোর্ড নাড়াচাড়া করলে তা পুনরায় চালু হয়ে যায়। এর কারণ হলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে মনিটর বন্ধ করে দেওয়ার অপশনটি সক্রিয় অবস্থায় আছে। এটি বন্ধ করতে-
ডেস্কটপে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties ক্লিক করুন। পর্দায় Display Properties ডায়ালগ বক্স আসবে।
উক্ত ডায়ালগ বক্সের Screen Saver ট্যাবে ক্লিক করে Monitor Power-এর নিচে Power.... বাটনে ক্লিক করুন। পর্দায় Power Options Properties উইন্ডো আসবে।
অথবা
প্রথমেই Start মেনু থেকে Settings/Control Panel-এ ক্লিক করুন। পর্দায় Control Panel উইন্ডো আসবে।
এবার উক্ত উইন্ডোর Power Option আইকনে ডাবল ক্লিক করুন। পর্দায় Power Option Properties উইন্ডো আসবে।
এরপর উক্ত উইন্ডোর Turn off Monitor: বক্সের ড্রপ ডাউন এ্যারো তে ক্লি করে Never সিলেক্ট করুন।
এবার Apply এবং OK করুন।
নোট: যদি অপশনটি সক্রিয় রাখতে চান তাহলে Turn off Monitor: বক্সের ড্রপ ডাউন এ্যারোতে ক্লিক করে সময় নির্ধারণ করে দিন। এবার Apply এবং OK করুন। এরপর দেখুন, নির্ধারিত সময়ের পর মনিটর স্বযংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে গিয়াছে।
বিদ্যুৎ খরচ কমানো এবং পরিবেশ দূষণ রোধে নির্ধারিত সময়ের পর কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হওয়া
আমরা জানি কম্পিউটারের সিপিইউ, মনিটর, পিন্টার, স্ক্যানার ইত্যাদি বিদ্যুতের মাধ্যমে চলে যার মধ্যে সর্বক্ষণিক মনিটর ও সিপিইউতে বিদ্যুত রাখার প্রয়োজন হয়। এ দু’টির মধ্যে মনিটর সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। কিন্তু মনিটর যতক্ষণ চালু থাকে ততক্ষণ এর সার্কিটগুলো উত্তপ্ত হয়ে মৃদুগতিতে পরিবেশ দূষন করে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অনেক সময় কম্পিউটারে কাজ করতে করতে অফিসে বা বাসায় কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে যদি অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ি, হয়ত কিছুক্ষণের মধ্যে আবার কম্পিউটারের কাজ শুরু করবো। এতে দেখা যায় অযথা বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয় ও পরিবেশ দূষণ হয়। আর যদি কম্পিউটার চালু থাকার কথা মনে না থাকে, তবে তা চলতেই থাকে। এই সমস্যা দূর করার জন্য উইন্ডোজ এক্সপিতে একটি প্রোগ্রাম আছে, যা দিয়ে কাজ না করার সময় বিদ্যুৎ অপচয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়াসহ পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এটা করার জন্য-
My Computer-এ ডাবল ক্লিক করে পর্দার বাম পাশে প্রদর্শিত Control Panel-এ ক্লিক করুন অথবা Start হতে Settings/ Control Panel যান।
এবার Control Panel উইন্ডো আসবে।
উক্ত উইন্ডোর Power Options-এ ডাবল ক্লিক করুন। Power Options Properties ডায়ালগ বক্স আসবে।
উক্ত ডায়ালগ বক্সের Power Schemes ট্যাবে ক্লিক করে Power Schemes: বক্সের ড্রপ ডাউন এ্যারোতে ক্লিক করে Home/Office Desk সিলেক্ট করুন।
এবার Settings for Always on power scheme-এর নিচে Turn off Monitor এবং Turn off hard disk এর ড্রপ ডাউন এ্যারো ক্লিক করে যে সময়ের পর কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করতে চান সেই সময় নির্ধারন করে দিয়ে OK করুন। ।
উপরোক্ত সেটিংয়ের পরে পরীক্ষার জন্য কম্পিউটারে পূর্বের সিলেক্টকৃত সময় পর্যন্ত কাজ না করলে দেখা যাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মনিটর ও হার্ড ডিস্কের পাওয়ার বন্ধ হয়েছে।
এ রকম সেটিং করার ফলে মনিটর ও হার্ডডিস্কের পাওয়ার অফ হলে তা আবার কার্যকর করতে কী-বোর্ডের যে কোনো কী বা মাউস নাড়া দিলে পূর্বের কার্যরত স্থানে ফিরে আসবে।
উল্লেখ্য, Power Management সেটিং কার্যকর করার জন্য ও কমান্ড প্রয়োগের পূর্বে Control Panel-এর অধীনে Display-এ ক্লিক করে Display Properties-এ ক্লিক করে এর অধীনের Setting ট্যাবে ক্লিক করে Advanced এ ক্লিক করতে হবে।
পর্দায় Plug and Play Monitor উইন্ডো আসবে। উক্ত উইন্ডোর Monitor ট্যাবে ক্লিক করে monitor is Energy Start Compl- iant-এর বাম পাশের বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে দিতে হবে।
এবার Apply এবং OK ক্লিক করতে হবে।
কম্পিউটারের কালার সেটিংস
কম্পিউটারের কালার কম্পিউটার ভেদে বিভিন্ন রকম হয়। কোন কোন কম্পিউটা-রের ডেস্কটপে চমৎকার কালান থাকে আবার কতকগুলো ফ্যাকাশে কালার থাকে। উইন্ডোজ কিভাবে কালার প্রদর্শন করে তা নির্ভর করে কালার প্যালেট সেটিংসের ওপর ( অবশ্যই হার্ডওয়্যারও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ)।
১. ডেস্কটপে রাইট বাটন ক্লিক করুন। প্রোপাটি©র্জ গিয়ে সেটিংস ট্যাবে ক্লিক করুন।
২. কালারের অধীনে ড্রপডাউন অ্যারো ক্লিক করলে অনেকগুলো কালারের অপশন পাওয়া যাবে। এগুলো হচ্ছে ১৬ কালার, ২৫৬ কালার, হাই কালার ( ১৬ বিট ) এবং ট্রু কালার ( ৩২ বিট )।
৩. প্রতিটি কালারই একটি ভিন্ন কালার প্যালেট প্রদর্শন করে। সর্বোচ্চ কার্যদক্ষতার জন্য ১৬ কালারের অপশন রয়েছে।
৪. উইন্ডোজ যতকম কালার ব্যবহার করবে তত দ্রুতই ইমেজ স্ক্রীনে প্রদর্শিত হবে। ( যদি ড্রপডাউন বক্সে শুধুমাত্র ১৬ কালার থাকে তাহলে ইমেজগুলো দাগদাগ বা চিত্র বিচিত্র হবে)।
৫. ২৫৬ কালারে চমৎকার কার্য্যদক্ষতা এবং ভালো ইমেজ কোয়ালিটি পাওয়া যায়।
৬. খুব ভালো ইমেজ কোয়ালিটির জন্য হাই কোয়ালিটি কালার ব্যবহারের প্রয়োজন। তবে এ অপশনে বাস্তবিক কালার পাওয়া গেলেও কার্যদক্ষতা বা পারফরমেন্স হবে ধীর গতির।
৭. ট্রু কালার ১৬.৮ মিলিয়ন কালার প্রদর্শন করে থাকে। যেসব ব্যবহার- কারী গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করে থাকেন তাদের জন্য ট্রু কালার বেশ কার্যকর। এসমস্ত পার্থক্য মাথায় রেখে ব্যবহারকারীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী কালার সেট করতে পারেন।
৮. তবে পছন্দ করা কালার সেটিংয়ে যদি কোন ব্যবহারকারী সন্তুষ্ট না হন তাহলে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে ব্যবহারকারীরা পুনরায় উইন্ডোজের কালার সেটিংস প্যালেটে পরিবর্তন করতে পারবেন।

জেনেনিন কিভাবে ইউ.এস.বি ব্যাটারি চার্জার বানাবেন



ধৈর্য ধরে পরুন আর জেনেনিন কিভাবে ইউ.এস.বি ব্যাটারি চার্জার বানাবেন




ইউ.এস.বি ব্যাটারি চার্জার
আমাদের প্রায় সবার কাছেই এম.পি.থ্রী প্লেয়ার থাকে। তাছারা আমাদের দেশে মোবাইল তো সবার ই আছে। এসব যন্ত্র থাকলেই তো হয় না , নিয়মিত এদের খাদ্য দিতে হয় । আপনারা তো জানেন এদের খাদ্য কি? মাঝে মাঝে এদের অসময়ে খিদা পায় মানে চার্জ শেষ আরকি। এমন অসময়ে খুদা লাগে যে তখন এদের খাদ্য না ও থাকতে পারে ( বিদ্যুৎ থাকে না ) । তো কি করা যায় ? যারা ল্যাপটপ ব্যবহার করেন কিংবা যারা সর্বদা কম্পিউটার নিয়েই পড়ে থাকেন তাদের সব তো কম্পিউটার রিলেটেড হওয়া দরকার । তো একটু খেতে তৈরি করুন ইউ.এস.বি ব্যাটারি চার্জার । এই চার্জারটি বানাতে আপনাকে ইলেক্ট্রনিক্স এ তেমন দক্ষ হওয়ার দরকার নাই । 
যা যা লাগবে
১. ১ টি ইউ.এস.বি ক্যাবল ( নষ্ট মাউস থেকে নিতে পারেন )
২. ৬ টি IN 4148 ডায়োড বা যেকোনো সিলিকন ডায়োড
৩. ১ টি ব্যাটারি কেসিং
যেভাবে কাজ করে
কম্পিউটারের ইউ.এস.বি পোর্টের আউতপুট ভোল্টেজ ৫ ভোল্ট । কিন্তু একটা AAA (AAA ব্যাটারি চার্জার) হচ্ছে ১.২ ভোল্টের । আমরা জানি একটা ডায়োড ০.৬ ভোল্ট করে ড্রপ করে , তাহলে ৬ তা ডায়োড সিরিজে সংযুক্ত করলে ৩.৬ ভোল্ট ড্রপ করবে । তাহলে ৫ ভোল্ট থেকে ৩.৬ ভোল্ট বাদ দিলে আউতপুট পাবো ১.৪ ভোল্ট । একটু খেয়াল করে দেখুন এই সার্কিটকে সামান্য মডিফাই করে আপনারা মোবাইল চার্জার ও বানাতে পারবেন । সেক্ষেত্রে মবাইলের ব্যাটারি ভোল্টেজ কত তা দেখতে হবে এবং সে অনুপাতে ডায়োডকে সিরিজে লাগাতে হবে । 
যেভাবে তৈরি করবেন
এখন ইউ.এস.বি ক্যাবলের লাল ও কাল তার দুটি ছাড়া বাকি তারগুল ছেঁটে ফেলুন । ৬ টি ডায়োড কে সিরিজ সংযোগ দিন । সিরিজ ডায়োডের এনোড প্রান্তটি লাল তারের সাথে সংযোগ দিন । এবার সিরিজ ডায়োডের ক্যাথোড প্রান্তটি ব্যাটারি কেসিং এর (+) প্রান্তে এবং কাল তারটি ব্যাটারি কেসিং এর (-) প্রান্তে সংযোগ দিন । হয়ে গেল আপনার ইউ.এস.বি ব্যাটারি চার্জার ।

ফেসবুক থেকে টাকা আয়ের পৃথিবীর সবচেয়ে সহজতম উপায় ! মিস করবেন না।



যেভাবে ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করবেন 

1. প্রথমেই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এ লগইন করুন।
.
.
.
2. এবার ডান দিকে উপরে Account এ ক্লিক

করে ড্রপ ডাওন মেনু থেকে Account
Settings এ যান।
.
.
.
3. স্ক্রল করে নিচে দেখুন Deactivate
লেখা আছে, ওখানে ক্লিক করলে আর একটা পেজ
খুলবে, ঐ পেজ এর নিচের দিকে Confirm বাটন এ ক্লিক করলেই আপনার কাজ শেষ!
.
.
.
4. এবার পিসি অফ করে একটা চাকুরী/ ব্যবসা তে লেগে যান এবং যতো খুশী ইনকাম করুন।

মাউস কীবোর্ড ছাড়া কম্পিউটার বা ল্যাপটপ চালান।

                             



   
নিচের ডাউনলোড লিংক থেকে সফ্টওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
সফ্টওয়ারটি কিভাবে চালাবেন তা আস্তে আস্তে লিখে দিব। নিজেরাও পারবেন।
যেভাবে কাজ করবেন।
প্রথম ধাপ: কিছু না জানা থাকলে শুধু নেক্সট ক্লিক করুন। সর্বশেষ ফিনিশ।
দ্বিতীয় ধাপ (একটু লম্বা):
১. প্রথমে সফ্টওয়ারটি ইনস্টল করে নিন তারপর ডাবল ক্লিক করে সফ্টওয়ারটি চালু করুন।
২. এই লেখাটি Welcome to the eViacam Configuration Wizard
আসবে। নেক্সট ক্লিক করুন।
৩. এখন Camera Setup আসবে।আপনার ক্যামেরা চেক করবে। Camera Setting থেকে আপনার ক্যামেরার Brightness White Balance, Back light ঠিক করে নিন।যদি না বুঝেন তাহলে ক্যামেরা সেটিংয়ে ‍ঢুকার প্রয়োজন নেই। শুধু নেক্সট ক্লিক করুন।
৪. এবার Tracker Setup বক্সটি আসবে। ‍এখান থেকে Configure Motion Tracking Aria থেকে মোশন কন্ট্রোল করুন। আপনার চেহারা কম্পিউটার অটোম্যাটিক পেয়ে যাবে।আপনি যদি চান কিছুক্ষণ নড়াচড়া বন্ধ থাকলে যেন মোশন অটোম্যাটিক বন্ধ হয়ে যায় তাহলে নিচে Disable After .... Seconds দিয়ে দিন।
৫. Pointer Calibration, Setting Motion Parameters থেকে পরবর্তীতে যান তবে সাবধান। এখন থেকে মাউস কাজ করবে না।নড়াচড়া কাজ করবে।
৬. Pointer Calibration আসবে। পরবর্তী ক্লিক করুন।এবার কম্পিউটার আপনার মাথা ঘুরাবে। মাথাকে ডান বাম এবং উপর নিচ করতে বলবে, তাই করুন।
৭. এখন সমস্যা ক্লিক করবেন কিভাবে। মাথাকে ডান বাম এবং উপর নিচ করে যে অপশনে যাবেন সেখানে একটু থেমে থাকুন। দেখবেন ক্লিক হয়ে গেছে।
৮. Click Mode আসবে। এখন আপনি ইচ্ছা করলে ভাল পারফমেন্স পাওয়ার জন্য নিজে নিজে Click Here To Test এ ক্লিক করে আপনার পারফমেন্স যাচাই করতে পারবেন।
৯. এখন ফিনিশে ক্লিক করে মাথা ঘুড়ান।
১০. মনিটরের উপরের দিকে একটি বক্স আসবে। সেখান থেকে বাছায় করতে পারেন আপনি কি রকম ক্লিক করতে চান। ক্লিক না করতে চাইলে একদম বা দিকে ”নো ক্লিক” ডাবল ক্লিক করতে চাইলে ডান দিকে ”ডাবল ক্লিক”।

কম্পিউটারের বার বার রিস্টার্ট এর সমাধান

সমস্যা : কম্পিউটার বার বার রিস্টার্ট নিচ্ছে যদিও Power Supply ঠিকমত কাজ করছে।

কারণ-১ : CPU বা প্রসেসর কাজ করতে করতে গরম হয়ে যায় ফলে বার বার রিস্টার নেয়।


সমাধান : CPU Fan এ ময়লা জমলে কিংবা CPU Fan ঠিকমত না ঘুরলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। এক্ষেত্রে System Unit খুলে Processor এর উপর স্থাপিত Cooling Fan এর ময়লা পরিস্কার করে ঠিকমত Cooling Fan স্থাপন করতে হবে। 

  

কারণ-২ : Windows এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন সফটওয়ার Install করলে PC বার বার রিস্টার নিতে পারে। 
  

সমাধান : এক্ষেত্রে Start → Control Panel → Add remove handward → প্রয়োজনীয় Device Driver Software → Remove ┘ এর মাধ্যমে সফটওয়ারটি Uninstall করে দিতে হবে ।

কারণ-৩ : Power Supply Unit ভালো থাকলে ও এর সাথে সংযুক্ত কানেকটরসমূহ মাদারবোর্ড বা বিভিন্ন ডিভাইসের সাথে লুজ (Loose) কানেকটেড থাকতে পারে। 
  

সমাধান : Power Supply Unit এর সাথে সংযুক্ত কানেকটর সমূহ সঠিকভাবে Tight কনেকশন দিতে হবে। 
  

কারণ-৪ : Display বা অন্যান্য ব্যবহৃত কোন কার্ডের হিট সিংক খূলে গেলে।

সমাধান : Display (AGP/VGP) কার্ডের সাথে অথবা অন্য কোন কার্ডের সাথে লাগানো হিট সিংক কানেকশন পরীক্ষা করতে হবে। মাঝে মধ্যে অতিরিক্ত গরমে এগুলো খূলে গিয়ে থাকতে পারে।

কারণ-৫ : অপারেটিং সিস্টেম বা কোন সফটওয়ারে সমস্যা থাকলে।
  

সমাধান : অধিকাংশ সময় ইনকম্পেটিবল অপারেটিং সিস্টেমের কারণে এ জাতীয় সমস্যা দেখা দেয়। প্রয়োজনে অপারেটিং সিস্টেম পরিবর্তন করে দেখা যেতে পারে । সমস্যাকৃত সফটওয়্যার আন ইনস্টল করে দিতে হবে।






সমস্যা : কম্পিউটারে ব্যবহৃত পুরোনো RAM এর সাথে একটি নতুন RAM চিপ লাগিয়েছি কিন্তু সেটি Screen এ দেখাচ্ছে না এমনকি কোন Error Message ও দেখাচ্ছে না।
কারণ : RAM চিপটির Bus Speed মাদারবোর্ড এবং Processor এর সাথে কম্পের্টিবল নয়।
সমাধান : মাদারবোর্ড এর প্রসেসর সর্বোচ্ছ কত Bus Speed এর RAM Support করবে তা ম্যানুয়ালে দেখে নিতে হবে ।  
সমস্যা: Computer On করার সাথে সাথে Message আসে “Virtual Memory Low” ফলে System Slow হয়ে যায় এবং Computer বার বার হ্যাং করে ।

কারণ : RAM চিপ এর ক্ষমতা কমে গেছে ।
সমাধান : নতুন RAM লাগাতে হবে । কিংবা আরেকটি Slot এ RAM লাগিয়ে ক্ষমতা বাড়াতে হবে। 





সমস্যা: ম্যাসেজ দিচ্ছে Memory High Address Line at [xxx], Read [xxx] Expecting [xxx]
অথবা, Memory parity Failure at [xxx – xxx],
অথবা Memory Read/Write Failure at [xxx] Read [xxx] Expecting [-xxx]
কারণ ১ : RAM Chip বা SIMM বা DIMM সঠিকভাবে Slot এ লাগানো নেই। কারণ ২. RAM Chip বা SIMM বা DIMM Module খারাপ।

সমাধান : ১. RAM Chip সঠিকভাবে এর সকেটে বসাতে হবে। সমাধান : ২. পুরনো RAM Chip কে নতুন RAM Chip দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে হবে।





সমস্যা : Blue Screen Error
কারণ : Hard Disk এ Bad Sector পড়ছে।
সমাধান : Utility Software যেমন- NDD-Norton Disk Dector চালাতে হবে । 





সমস্যা : Boot Disk Failure Insert Disk And
কারণ : Windows Operating System এর System File করাপটেড হয়ে গেছে।

সমাধান : Windows Operating System (XP) Install করতে হবে। 





সমস্যা : Ntldr Missing
কারণ : System File Ntldr Curupted হয়ে গেছে।

সমাধান : Bootable CD থেকে Ntldr System File টি Copy করে নিতে হবে । 

একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ শেয়ার করা

আমরা যারা মোবাইল বা মডেম দ্বারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা চাইলে অনান্য লোকাল কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করে ব্যবহার করতে পারি। ধরি আপনার কম্পিউটারটি আরো দুটি কম্পিউটারের সাথে ল্যানের সাহায্যে সংযোগ স্থাপন করা আছে। আপনি আপনার কম্পিউটারে এডজ মডেম দ্বারা ইন্টারনেটের সংযোগ নিয়েছেন। এখন আপনি চাইলে অনান্য কম্পিউটার গুলোতেও ইন্টারনেটের সংযোগ দিতে পারেন শেয়ার করে। এতে অবশ্য গতি কিছুটা কমে যাবে।এজন্য আপনি আপনার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের আইপি এড্রেস দেখে নিন। ধরি আপনার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের আইপি এড্রেস হচ্ছে ১৯২.১৬৮.১.১২।

প্রথমে আপনি আপনার কম্পিউটারে এডজ মডেম দ্বারা ইন্টারনেটের সংযোগ স্থাপন করুন। এরপরে সিস্টেম ট্রেতে থাকা উক্ত সংযোগের আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Status এ ক্লিক করুন। অথবা Control Panel থেকে Network Connections এ গিয়ে উক্ত সংযোগের আইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Status এ ক্লিক করুন একটি স্টেটাস উইন্ডো আসবে। এবার General ট্যাবে থেকে Properties বাটনে ক্লিক করুন তাহলে প্রোপার্টিস উইন্ডো আসবে। এবার Advance ট্যাবে ক্লিক করে Internet Connection Sharing অংশে Allow other network users to connect through this computer’s internet connection চেক (যদি আপনার একাধিক লোকাল এরিয়ার সংযোগ থাকে তাহলে একটি ম্যাসেজ আসবে যে আপনি কোন লোকাল এরিয়াতে ইন্টারনেট শেয়ার দিবেন, আপনি আপনার পছন্দেরটি নির্বাচন করবেন।) করে Ok করুন। তাহলে Network Connections এর পরপর তিনটি ম্যাসেজ আসবে যেগুলোতে ধারাবাহিক ভাবে Ok Yes Ok করুন। এখন দেখুন আপনার কম্পিউটারের লোকাল আইপি পরিবর্তন হয়ে ১৯২.১৬৮.০.১ হয়েছে।


এখন আপনি লোকাল এরিয়ার Status এ গিয়ে Properties বাটনে ক্লিক করে General ট্যাবে থেকে This connection uses the following items অংশের Internet Protocol (TCP/IP) নির্বাচন করে Properties বাটনে ক্লিক করুন। এবার আইপি ১৯২.১৬৮.০.১ পরিবর্তন করে পূর্বের আইপি ১৯২.১৬৮.১.১২ দিন এবং Ok করুন।
এবার যে কম্পিউটারে আপনি ইন্টারনেট সংযোগ পেতে চান সেই কম্পিউটারের লোকাল এরিয়ার Status এ গিয়ে Properties বাটনে ক্লিক করে General ট্যাবে থেকে This connection uses the following items অংশের Internet Protocol (TCP/IP) নির্বাচন করে Properties বাটনে ক্লিক করুন। এবার Default gateway এর আইপি এড্রেস হিসাবে ১৯২.১৬৮.১.১২ লিখুন। এরপরে Use the flowing DNS server addresses অপশন বাটন চেক করে Preferred DNS server এর আইপি এড্রেস হিসাবেও ১৯২.১৬৮.১.১২ লিখে Ok Ok Ok করুন।
এবার দেখুন আপনার এই কম্পিউটারে ইন্টারনেটের সংযোগ এসেছে। এভাবে আপনি অন্য আরেকটি কম্পিউটারে সংযোগ নিতে পারনে। ব্রডব্যান্ডের সংযোগও এভাবে শেয়ার করে ব্যবহার করা যাবে।

কম্পিউটার বা ইন্টারনেটের ছোটখাটো সমস্যা এবং তার সমাধান

কম্পিউটার বা ইন্টারনেটের ছোটখাটো সমস্যা প্রায়ই ভোগায় আমাদের। এতে অনেকেই ঘাবড়ে যান। কেউ আবার ছোটেন সারাইখানায়। এসব ছোটখাটো সমস্যা কিন্তু নিজে থেকেই সমাধান করা সম্ভব। নিচে দেখুন এমন ১০টি সাধারণ সমস্যা এবং তার সমাধান ।
১. মাউস নষ্ট হলে!
জরুরি একটি 'পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন' আজ জমা দিতেই হবে। কিন্তু কম্পিউটারে বসতেই দেখা গেল, মাউসটি কাজ করছে না! তখনই ঠিকও করা যাচ্ছে না। এখন কী উপায়? উইন্ডোজে একটি সেটিংস পরিবর্তন করে বিকল্প ব্যবস্থায় চালাতে পারেন জরুরি মাউসের কাজ। এ জন্য কিবোর্ড থেকে একসঙ্গে Left ALT+ Left SHIFT এবং NUM Lock কি চাপুন। মনিটরে ছোট একটি পপ-আপ উইন্ডো আসবে। এই উইন্ডো থেকে ok বাটন প্রেস করুন। এবার NUM Lock বাটনটি স্বয়ংক্রিয় করুন। এরপর কিবোর্ডের কি দিয়ে মাউসের কার্সর নাড়াচাড়া করতে পারবেন। ১, ২, ৩, ৪, ৬, ৭, ৮, ৯ বাটনগুলো দিয়ে মাউস পয়েন্টার মুভ করানো যাবে। আর ৫ বাটন দিয়ে মাউসে লেফট ক্লিক এবং '+' বাটন দিয়ে মাউসে ডাবল ক্লিকের কাজ করা যাবে। আর ডানপাশের CTRL বাটনের বামের বাটনটি মাউসের রাইট ক্লিক বাটন হিসেবে কাজ করবে। কাজ শেষে NUM Lock অফ করলে মাউস কি সুবিধাটি ডিজ্যাবল হয়ে যাবে।
২. পেন ড্রাইভ বন্ধ-চালুর খেলা
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পেন ড্রাইভের মাধ্যমে কম্পিউটারে ভাইরাসের সংক্রমণ হয়ে থাকে। এ কারণে খুব বেশি প্রয়োজন না হলে সব সময় কম্পিউটারে পেন ড্রাইভের সমর্থন বন্ধ করে রাখতে পারেন। উইন্ডোজ সেভেন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরা যেকোনো সময় কম্পিউটারে পেন ড্রাইভ সমর্থন বন্ধ করে রাখতে পারেন। চাইলে সহজেই তা আবার চালু করা যাবে। পেন ড্রাইভ Disable করতে প্রথমে Start Menu থেকে run-এ গিয়ে regedit লিখে এন্টার চাপুন। এবার Registry Editor উইন্ডো খুলবে। HKEY^LOCAL^MACHINESYSTEM->CurrentControlSet-> services-> USBSUOR-এ যান। এবং Start নামের ফাইলের ওপর ডাবল ক্লিক করে এর ভ্যালু ৪ করে দিন। তাহলে আপনার পিসিতে আর কোনো পেন ড্রাইভ কাজ করবে না। আবারও পেন ড্রাইভ অপশন Enable করতে চাইলে ‘Start’-এ পূর্বের ভ্যালু অর্থাৎ ৩ সেট করুন। তাহলে আবার কম্পিউটারে যেকোনো পেন ড্রাইভেরই সমর্থন পাবে।
৩. জি-মেইল হ্যাক হলে
আপনার ভুলেই হয়তো হারিয়েছেন জি-মেইল অ্যাকাউন্টের অ্যাকসেস, অন্যের পাতা ফাঁদে পা দেওয়ার ফলেই আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে! লগ-ইন করতে গিয়ে দেখলেন, পাসওয়ার্ড ভুল! তাড়াতাড়ি ‘Can’t access your account?’ বাটনে ক্লিক করলেন, আপনার বিকল্প ই-মেইল অ্যাড্রেস দিয়ে পাসওয়ার্ড রিসেট করতেও চাইলেন। কিন্তু না। হ্যাকার আপনার বিকল্প মেইল ঠিকানা, নিরাপত্তা প্রশ্ন, ফোন নাম্বার ইত্যাদি সবকিছুই পরিবর্তন করে ফেলেছে! এখন অ্যাকাউন্টটি ফেরত পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো গুগলের সাপোর্ট সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করা। এ জন্য Click This Link যেতে হবে। এবার Did this work?-এর নিচে No সিলেক্ট করুন। এবার প্রয়োজনীয় ফিল্ডে আপনার ই-মেইল সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য পূরণ করে অপেক্ষা করতে থাকুন। আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্যগুলো গুগল নিরীক্ষা করবে এবং সর্বশেষ সেগুলো সত্য হলে আপনার মেইল অ্যাড্রেস আপনি ফিরে পাবেন। এ ক্ষেত্রে ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগবে।
৪. সমস্যা যখন ড্রাইভারের
কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম আপগ্রেডের ক্ষেত্রে ড্রাইভারে সমস্যা দেখা দেয়, এটা আর কাজ করে না। ড্রাইভারের আপগ্রেড সংস্করণও অনেক সময় পাওয়া যায় না। এ ক্ষেত্রে 'ড্রাইভার ডক্টর' সফটওয়্যারের মাধ্যমে সহজেই সমস্যার সমাধান করতে পারেন। Click This Link থেকে সফটওয়্যারটি বিনা মূল্যে ডাউনলোড করে নিন। সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার পর Device Doctor-এর Open & Scan বাটনে ক্লিক করুন। এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব ড্রাইভার স্ক্যান করে একটি তালিকা তৈরি করবে এবং প্রয়োজনীয় আপডেট ফাইলগুলো ডাউনলোড করবে। একেকটি ড্রাইভার আপডেট করার পর কম্পিউটারটি রিস্টার্ট করতে হবে। দূর হয়ে যাবে ড্রাইভার সমস্যা।
৫. স্টার্টআপ এবং শাটডাউন শব্দের ম্যাজিক
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর কম্পিউটার স্টার্টআপ এবং শাটডাউন হওয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট শব্দ বাজে। সেটিংস পরিবর্তন করে এ শব্দটিকে পরিবর্তন করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে যে শব্দটিকে স্টার্টআপ বা কম্পিউটার শাটডাউনে ব্যবহার করতে চান, সেটা .WAV ফরম্যাটের অডিও ফাইল হতে হবে। অন্য কোনো অডিও ফাইল ফরম্যাটে থাকলে এটা কনভার্টার ব্যবহার করে .WAV ফরম্যাটে রূপান্তর করে নেওয়া যাবে। ফাইল রূপান্তর শেষে পছন্দের .ডঅঠ ফাইল দুটি “Windows XP Startup” ও “Windows XP Shutdown” নামে নামকরণ করতে হবে। এখন কম্পিউটারের যে ড্রাইভটিতে (সাধারণত সি ড্রাইভ) করা আছে, সেখানে গিয়ে windows ফোল্ডারটি খুলতে হবে। এবার media ফাইলে গেলে বেশ কিছু অডিও ফাইল পাওয়া যাবে। সেখানেই “Windows XP Startup” ও “Windows XP Shutdown” নামক দুটি ফাইল রয়েছে। ফাইল দুটি রিপ্লেস করে দিন। ব্যস, এবার আসল চমকের অপেক্ষা। কম্পিউটার স্টার্টআপ এবং শাটডাউনের সময় ব্যবহারকারীর ইচ্ছামতো শব্দ বা গান বাজবে।
৬. ভার্চুয়াল মেমোরি পরিষ্কার
কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ব্যবহারের সময় অনেকগুলো পেইজ ফাইল (Page File) তৈরি হয়। এগুলো কম্পিউটারে জমা হয়ে র‌্যামের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে গতি কমে যায় কম্পিউটারেরও। চাইলে কম্পিউটার বন্ধ করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ফাইলগুলো আপনি মুছে ফেলতে পারেন। তাহলে কম্পিউটারের গতি আগের চেয়ে বাড়বে। এ জন্য Start মেন্যু থেকে control panel-এ যেতে হবে। এখান থেকেAdministrative Tools->Local Security Policy->Security Settings->Local Policies->Security Options-এ যেতে হবে। ডান পাশের Shutdown:Clear virtual memory page file অপশনে ডাবল ক্লিক করুন এবং অপশনটি Enable করে OK দিয়ে বের হয়ে আসুন। এখন কম্পিউটার বন্ধের সময় virtual memory page file স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে। এ ছাড়া Start থেকে run-এ গিয়ে Tree লিখে Enter চাপলেও Ram-এর গতি কিছুটা বাড়বে। এ কাজটি মাঝেমধ্যে করলে আপনার কম্পিউটার গতিশীল থাকবে।
৭. পিডিএফ ফাইল খোলা যায় না?
পিডিএফ ফাইলের ডকুমেন্ট পড়া অন্য ফাইলের তুলনায় সহজ হলেও তা মাঝেমধ্যেই পাসওয়ার্ড সমস্যার কারণে ফাইল পড়ায় ঝামেলা বাধায়। তাই ফাইলের পাসওয়ার্ড জানা না থাকলে তা স্বাভাবিকভাবে আনলক করা যায় না। পাসওয়ার্ড ছাড়া পিডিএফ ফাইলটি পড়তে সহায়ক হতে পারে 'পিডিএফ আনলকার' সফটওয়্যারটি।http://bit.ly/pdfunlocker থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। এবার পাসওয়ার্ড দেওয়া পিডিএফ ফাইলটি ড্র্যাগ করে ডেস্কটপে পিডিএফ আনলকার সফটওয়্যারের আইকনের ওপর এনে ছেড়ে দিন। আরেকটি নতুন পিডিএফ ফাইল তৈরি হবে ডেস্কটপে। এবার তা পড়া এবং সম্পাদনা করা যাবে অনায়াসেই।
৮. ছবি থেকে টেক্সট!
কোনো ছবি থেকে টেক্সট তৈরি করতে সবাই আলাদা করে আবার কম্পোজ করে থাকেন। তবে অনলাইনে এখন ছবি থেকে টেক্সট রূপান্তরের প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনেক সময় এবং শ্রম বাঁচানো সম্ভব। এ জন্য প্রথমে http://www.free-ocr.comসাইটে যেতে হবে। এবার যে ছবিকে টেক্সটে রূপান্তর করা প্রয়োজন, তা সাইটের Upload image for OCR অপশনের মাধ্যমে নির্বাচন করতে হবে। ছবির টেক্সটি কোন ভাষায় রয়েছে, তা নির্বাচন করে 'send file' বাটনে ক্লিক করুন। ছবিটিতে থাকা সব লেখাই এবার টেক্সটে রূপান্তরিত হয়ে যাবে। বক্স থেকে লেখাটি কপি এবং সম্পাদনাও করা যাবে।
৯. উইন্ডোজ সেভেনে দেখা যায় না হিডেন ড্রাউভ?
উইন্ডোজ সেভেননির্ভর কম্পিউটারে খালি হার্ড ড্রাইভ বা ব্ল্যাংক সিডি/ডিভিডি ড্রাইভকে দেখা যায় না। অপারেটিং সিস্টেম নিজে থেকেই এ ধরনের ড্রাইভগুলোকে হাইড করে রাখে। এ সমস্যার সমাধান করতে প্রথমে Folder অপশনে গিয়ে View ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার সেখান থেকে Hide Empty Drives In The Computer Folder-এ টিক চিহ্ন দিয়ে OK করুন। এরপর থেকে উইন্ডোজ সেভেনে হিডেন ড্রাইভগুলোও দেখা যাবে।
১০. বার বার 'Error' বার্তা?
উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারের সময় যখনই কোনো অভ্যন্তরীণ সমস্যা দেখা দেয়, তখনই এটা '‘Send an Error Report to Microsoft’ লেখা একটি পপ-আপ উইন্ডো প্রদর্শন করে। কাজের সময় এ ধরনের মেসেজ এলে একটু বিরক্তি লাগাই স্বাভাবিক। মাত্র কয়েক ক্লিকেই বিরক্তিকর এই মেসেজ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এ জন্য My Computer থেকে রাইট ক্লিক করে সিস্টেম Properties খুলুন। এবার Advanced Tab-এ ক্লিক করুন। Advanced Tab-টিকে এবার Active করে নিতে হবে। এরপর Error Reporting বাটনে ক্লিক করুন। নতুন একটি Window আসবে। Disable Error Reporting নির্বাচন করে ok করুন। পুনরায় ok করুন। বিরক্তিকর এই এরর রিপোর্টিং বন্ধ হয়ে যাবে।

ডিভিডি থেকে উইন্ডোজ ৭ এর প্রোডাক্ট কি বের করার কৌশল

কেমন আছেন সবাই? আমার গত পোষ্টে জানার চেষ্টা করেছিলাম কিভাবে উইন্ডোজ এক্সপি এর সিডি থেকে সিরিয়াল কি বের করা যায়। আর আজ আমরা জানবো কিভাবে উইন্ডোজ ৭ এর ডিভিডি থেকে এর প্রডাক্ট কী বের করা যায়। তাহলে চলুন দেখি আমাদের কি কি করা লাগবে।

১) প্রথমে আপনার পিসিতে windows7 DVD টা প্রবেশ করান।

২) My Computer ওপেন করুন।

৩) এখান থেকে আপনার DVD drive টা ওপেন করুন (ডাবল ক্লিক করবেন না) নিচের ছবিটা অনুসরন করুন।

Windows7
৪) ওপেন করার পর sources ফোল্ডা এর উপর রাইট বাটন ক্লিক করে search এ গিয়ে product লিখে search করুন।

Windows7 (2)

৫) search করার পর  product নামের ফাইলটা ওপেন করুন।

Windows7 (3)

৬) এখানে আপনি পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্খিত সব প্রডাক্ট কী।
Windows7 (4)

উইন্ডোজ এর খুবই সাধারন কিন্তু কার্যকরী দুটি টিপস


আমরা যারা উইন্ডোজ ব্যবহার করি এবং উইন্ডোজ নিয়ে আর এন্ড ডি করি তাদের কে প্রয়ই উইন্ডোজ রি-ইন্সটাল করতে হয়। আবার আমরা যারা অফিস এ কাজ করি, তারা অনেক সময় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস আমরা ডেক্সটপ অথবা মাই- ডকুমেন্টস এ রেখে থাকি। আর এই অবস্থায় উইন্ডোজ ক্র্যাশ করলে, সর্বনাশ। সব ডাটা ফিনিশ।
খুব সহজে আমরা এ সমস্যার সমাধান করবো। আমরা কেন আমাদের ডেক্সটপ এবং মাই- ডকুমেন্টস এর লোকেশন পরিবর্তন করে দেই না ? নিচে ধাপে ধাপে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো;
আপনার রুট ড্রাইভে যান (C\: Drive, যেখানে আপনার উইন্ডোজ টি ইন্সটল করা আছে) এবার ডকুমেন্টস এন্ড সেটিংস এ যান। এখন ডকুমেন্টস এন্ড সেটিংস ফোল্ডার এর মধ্যে, আপনার একাউন্ট নাম এর যাই ফোল্ডার টি আছে তাতে, ডাবল ক্লিক করে প্রবেশ করুন। দেখুন, একটি ফোল্ডার আছে, ডেক্সটপ (Desktop) নাম এ। ডেক্সটপ নাম এর ফোল্ডার টিকে এবার কাট (Cut) করে নিন, এবং আপনার রুট ড্রাইভ ছাড়া, অন্য যেকোন ড্রাইভ এ পেস্ট (Paste) করে দিন।
এখন, আপনি ডেক্সটপে যাই রাখুন না কেন, আপনার উইন্ডোজ কোন কারনে ক্রেশ করলেও, আপনার ডেক্সটপ এর সমস্ত ডাটা নিরাপদে থাকবে। শুধু মাত্র, নতুন উইন্ডোজ ইন্সটলের পরে, আপনার নতুন একাউন্ট এর ডেক্সটপ ফোল্ডার টাকে (রুট ড্রাইভ থেকে), আগের মতন কাট করে পুরতন ডেক্সটপ টি যাখানে রেখে ছিলেন, সেখানে পেস্ট করে দিন। কম্পিউটার রিস্টার্ট করলেই, দেখবেন আপনার আগের ডেক্সটপ, তার সমস্ত ডাটা নিয়এ ফিরে এসেছে।
এবার আপনাদের বলব, কিভাবে মাই- ডকুমেন্ট ফোল্ডার টি কে সুরক্ষিত করবেন।
আপনি, ডেক্সটপে রাখা, মাই ডকুমেন্ট ফোল্ডার টির প্রোপার্টিজ এ যান।
টাগের্ট ট্যাব এ দেখুন, আপনার মাই ডকুমেন্ট এর ডিফল্ট লোকেশন দেখাচ্ছে আপনার রুট ড্রাইভ এ। মানে আপনার C:\ Drive এ। এখন, প্রোপার্টিজ এর মুভ বাটনে ক্লিক করুন।
মুভ বাটনে ক্লিক করলে আপনার সামনে নতুন একটি উইন্ডো খুলে যাবে।
আপনি চাইলে এখান থেকেও নতুন ফোল্ডার তৈরী করতে পারেন, আবার ক্লিক করে করে আপনি যেখানে আপনার “মাই ডকুমেন্ট” ফোল্ডার টিকে রাখতে চান, সেখানে দেখিয়ে দিতে পারেন।
আমি আপনাদের দেখাবো, নতুন ফোল্ডার তৈরী করে কিভাবে মাই ডকুমেন্টস কে সরাবেন।
মেক নিউ ফোল্ডার, বাটনে চাপুন। একটি ফোল্ডার তৈরি হলো। এবার ফোল্ডার টি কে যাকোন নাম দিন।
এবার ওকে প্রেস করুন। Select a Destination উইন্ডো টি বন্ধ হয়ে গেলে, অ্যাপ্লাই প্রেস করুন।
এখন আপনার কাছে, ওএস জানতে চাইবে, আপনি কি আপনার মাই ডকুমেন্টস ফোল্ডারের কন্টেন্ট গুলোকে কপি করবেন কি না?
ইয়েস ক্লিক করে দিন। কপি শেষ হলে ওকে করে বের হয়ে আসুন।
এখন আপনি আপনার মাই ডকুমেন্টস ফোল্ডার এর প্রোপার্টিস দেখুন। পরিবর্তন হয়ে গেছে।

আপনার উইন্ডোজ এক্সপিতে দিন আপনার পরিচয়

আমরা সাধারনত মাই কম্পিউটার এ রাইট বাটন চেপে প্রপার্টিসে গেলে, আমাদের সম্পূর্ণ কম্পিউটার এর ডিটেলস দেখায়।


এখন আপনি যদি চান তবে, খুবি সহজ়েই উইন্ডোজ এক্সপি র লোগো টার নিচে আপনার ছবি এবং আপনার ঠিকানা দিতে পারবেন।
প্রথমে আপনাকে যে কাজটি করতে হবে, টা হল, আপনার যে কোন একটি ছবি কে, ১২৯x১২৯ পিক্সেলে এ, Oemlogo.bmp নামে সেভ করুন।
এবার একটি নোট প্যাড খুলে, নিচের লাইন গুলো লিখে দিন,

[General]

Manufacturer=Assembled and Services By:

Model=xxxxxxxxxx



[Support Information]

Line1=” xxxxxxxxxx “

Line2=”"

Line3=” xxxxxxxxxx “

Line4=” xxxxxxxxxx “

Line5=” xxxxxxxxxx “

Line6=”"

Line7=” xxxxxxxxxx ”


Line8=” xxxxxxxxxx “

Line9=” xxxxxxxxxx “

Line10=” xxxxxxxxxx “

Line11=” xxxxxxxxxx “

Line12=” xxxxxxxxxx “

বাস, এবার নোটপ্যাড টি কে, oeminfo.ini নামে সেভ করুন (লক্ষ্য রাখবেন, xxxxxxxxxx স্থানে আপনি যে কোন কিছু লিখতে পারেন।)।

এখন আপনার হাতে দুটি ফাইল আছে, একটি হচ্ছে, Oemlogo.bmp এবং oeminfo.ini। এবার ফাইল দুটোকে কপি করে নিয়ে C:\WINDOWS\system\ ফোল্ডারের ভেতরে পেস্ট করেদিন। এবার দেখুনতো, আপনার মাই কম্পিউটারের প্রপার্টিসে কি দেখাচ্ছে ?